Showing posts with label বাংলা ব্লগিং. Show all posts
Showing posts with label বাংলা ব্লগিং. Show all posts

উবুন্টু ১০.০৪ - এ আইবাস দিয়ে বাংলা লিখুন

আমরা এর আগে পুরনো একটি পদ্ধতিতে উবুন্টুতে বাংলা দেখা ও লেখার পদ্ধতি জেনেছিলাম। সেই পদ্ধতিতে বাংলা ফন্ট ইনস্টল করার পদ্ধতি ও বাংলা লেখার নিয়ম নিয়ে দুটো আলোচনা আছে। সময়ের সাথে সাথে পদ্ধতিগুলো আরও উন্নততর হয়ে গেছে। এখন ফন্ট ইনস্টল করার জন্য আলাদাভাবে কোন কষ্ট করতে হবে না। বাংলা ফন্ট সরাসরি উবুন্টুর সফটওয়ার সেন্টার থেকে সিস্টেমে ইনস্টল করা যাবে। এই বিষয়ে একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা উবুন্টু ১০.০৪ (লুসিড লিংক্স) ইনস্টল করে যা পেলাম পোস্টটিতে আছে।

বাংলা লেখার জন্য SCIM এর চাইতে অধিক উন্নত প্রোগ্রাম হল iBus । এটা বেশ উন্নত একটি ইনপুট মেথড, আকারে ছোট, আর উবুন্টু ৯.১০ (কারমিক কোয়ালা) থেকে iBus ডিফল্টভাবে দেয়া হচ্ছে। এখানে ডিফল্টভাবে প্রচলিত বাংলা লেআউটগুলো আগে থেকেই রেখে দেয়া হয়েছে। ফলে iBus ব্যবহার করার জন্য কোন সফটওয়ার ডাউনলোড করতে হবে না। উবুন্টু ইনস্টল হবার সাথে সাথে iBus ইনস্টল হয়ে যায়। iBus এর পূর্ণ অর্থ হল IBus - Intelligent Input Bus for Linux / Unix OS, আর এর হোমপেজ http://code.google.com/p/ibus/
about ibus input methodআসুন আজ আমরা জেনে নিই কিভাবে iBusকে বাংলা লেখার জন্য একটু কনফিগার করে নেয়া যায়।

ডেস্কটপের উপরের প্যানেলে থাকা System মেনুতে ক্লিক করলে যে ড্রপডাউন মেনু খুলে যাবে, সেখানে প্রথমে থাকা Preferences মেনুর সাবমেনুতে iBus preferences রয়েছে। এখানে ক্লিক করলে একটি মেসেজ দেখা যাবে।
ibus daemon is not startedসেখানে লেখা আছে:
IBus daemon is not started. Do you want to start it now?
আপনি কি IBus চালু করতে চান? যদি আপনার উত্তর হ্যাঁ-বোধক হয়, তাহলে Yes চাপুন। ibus চালু হয়ে যাবে। এবার দেখুন আর একটি মেসেজ আসবে।
ibus starting settings problemsএখানে বলা আছে যে ibus কে একটু কনফিগার করে নিতে হবে। তাহলে কাজ করতে সুবিধা হবে। এই মেসেজবক্সে OK লেখাতে ক্লিক করুন। এবার কনফিগারেশন প্যানেল খুলে যাবে।

আমাদেরকে এখানে কিছু সামান্য পরিবর্তন আনতে হবে।
প্রথমে আসি General ট্যাবে।
ibus preferences-generalসাধারণত এখানে করার কিছু নেই। কিবোর্ডের কোন বাটন চেপে লেখার ভাষা পরিবর্তন করতে হবে, তা এখানে নির্দিষ্ট করা আছে। সাধারণত কন্ট্রোল এবং স্পেস (Ctrl+Space) বাটনদুটো একসাথে চাপ দিয়ে আইবাসের ইনপুট ভাষা পরিবর্তন করা হয়। আপনি চাইলে এই বাটন পরিবর্তন করতে পারেন এখান থেকে।

এবার আসুন Input Method ট্যাবে। আমাদেরকে এখানেই পছন্দের কীবোর্ড লেআউট নির্বাচন করতে হবে।
ibus preferences input methodএখানে Select an input method লেখাতে ক্লিক করুন। একটি ড্রপ ডাউন মেনু নিচের ছবির মতো বিভিন্ন ভাষার একটি লম্বা তালিকা নিয়ে খুলে যাবে।
ibus bangla input methodsএখানে Bengali ভাষার অন্তর্ভুক্ত চারটি কিবোর্ড লেআউট আছে। probhat, itrans, inscript, unijoy এগুলোর মধ্যে আপনি যে লেআউট ব্যবহার করে লিখতে অভ্যস্ত তা সিলেক্ট করুন। input method ট্যাবের ডানপাশে থাকা Add বাটনে ক্লিক করে লেআউটটিকে যোগ করুন। তালিকায় অন্য কোন ভাষা থাকলে (সাধারণত ইংরেজি থাকে) তা সিলেক্ট করে Remove বাটনে ক্লিক করে মুছে দিন। ব্যাস আপনার প্রাথমিক কাজ হয়ে গেল। এবার আর একটি ছোট্ট কাজ করতে হবে।

টার্মিনাল খুলে সেখানে gedit .bashrc লিখে এন্টার চাপুন। bashrc নামক একটি ফাইল খুলে যাবে। ফাইলটিতে যা কিছু লেকা আছে তার একেবারে শেষে নিচের লাইনগুলো লিখে দিন।
export GTK_IM_MODULE=ibus
export XMODIFIERS=@im=ibus
export QT_IM_MODULE=ibus
configure .bashrc file in ubuntu for ibusছবিতে দেখুন
সেভ করুন। আপনার সিস্টেমে আইবাস কনফিগারেশন সম্পূর্ণ হয়ে গেছে। এবার সরাসরি কোন টেক্সট এডিটরে বাংলা লেখা শুরু করে দিন। কম্পিউটারকে একবার রিস্টার্ট করেও নিতে পারেন। তবে তা বাধ্যতামূলক নয়।

সাধারণত প্রত্যেকবার কম্পিউটার স্টার্ট হবার সাথে সাথে আইবাস চালু হয়না। আমরা ইচ্ছে করলে প্রত্যেকবার কম্পিউটার চালু হবার সাথে সাথে আইবাস চালু করার একটি সুবিধা এবার যোগ করতে পারি।

এ জন্য System > Preference > Startup Application এ যেতে হবে।
startup applications preferencesএকটি নতুন লাঞ্চার তৈরি করার জন্য এই উইন্ডোর ডানপাশে থাকা Add লেখা বাটনে ক্লিক করুন।
নতুন লাঞ্চারটিতে যেসব তথ্য ইনপুট করতে হবে তা নিম্নরূপঃ
Name: IBus daemon
Command: /usr/bin/ibus-daemon -d
Comment: Start IBus daemon when Gnome starts
add ibus on startup application listAdd লেখা বাটনে ক্লিক করে এটাকে স্টার্টআপ এপ্লিকেশন তালিকায় যোগ করুন। এবার থেকে প্রত্যেকবার কম্পিউটার চালু হবার সাথে সাথে ibus রান হয়ে যাবে।

এবার যে কোন জায়গায়, যেমন কোন টেক্সট এডিটর, ওপেন অফিস, ব্লগ, কমেন্টবক্স, সার্চবক্স বাংলা লেখার জন্য মাউস কার্সার রেখে কীবোর্ডের Ctrl+Space চাপুন।
ibus language changed to bengaliযখনই Ctrl+Spacebar চাপবেন, তখনই ডেস্কটপের নিচের প্যানেলের ডানপাশে উপরের ছবির মতো একটি মেসেজ দৃশ্যমান হয়ে আপনাকে জানান দেবে যে বাংলা কীবোর্ড লেআউট একটিভ হয়েছে।

এবার আপনি যে কীবোর্ডে অভ্যস্ত সেই লেআউন অনুযায়ী বাংলা লেখা শুরু করে দিন। পারলেন কি না জানাবেন কিন্তু।

আপনার ব্লগটি ইয়াহু মেসেঞ্জারের সঙ্গে যোগ করুন

ইয়াহু মেসেঙজার নিয়ে আমাদের অনেকেরই অভিজ্ঞতা আছে। আপনার ব্রাউজার বন্ধ রেখেও এটিকে আপনি সাইনইন অবস্থায় রেখে অন্য কাজ করে যেতে পারেন। নেট যদি সংযুক্ত থাকে আপনার সঙ্গে যারা কথা বলতে চায় তারা যে আমন্ত্রণ আপনাকে পাঠাতে পারে।

কেমন হয়, আপনার ব্লগ দর্শক যদি তখনই আপনার সঙ্গে চ্যাট করতে আগ্রহী হন আর আপনাকে আমন্ত্রণ জানান? একটা ছোট্ট গেজেট যোগ করে রাখলেই আপনি সে সুবিধে পেতে পারেন।

মেসেঞ্জার বাক্সের মেনুবার থেকে মেসেঞ্জার বিকল্প থেকে 'মাই পিঙবক্সে' (My Pingbox) গিয়ে ক্লিক করুন। উপরে যেমন দেখানো আছে তেমনি একটা ব্রাউজার পেজ খুলে যাবে।

আপনি সেখানে ডিসপ্লে নেম বিকল্পে একটা পছন্দের নাম বেছে নিন। নিচের অন্য শূণ্য বাক্সগুলোও পছন্দ আনুযায়ী ভরে নিয়ে 'পরবর্তী' (next) বোতামে টিপুন। তাতে দ্বিতীয় ছবির মতো আরো একটা পেজ খুলবে। সেখানে কোন প্লাটফর্মের জন্য আপনি গেজেটটা চাইছেন সেটি জিজ্ঞেস করবে। ব্লগারের দেখাও পাবেন সেখানে। ওটি নির্বাচিত করুন। নিচে যে এইচ.টি.এম.এল (html) কোডটা দেখা যাবে সেটি নেয়ে গিয়ে যথারীতি আপানার ব্লগের লেআউট ট্যাগে গিয়ে 'এড গেজেটে' গিয়ে এইচ.টি.এম.এল (html) গেজেটে পেস্ট করে দিন। 'সেভ' করুন। রিফ্রেস করুন। এবং আপনার ব্লগ দেখুন।

{অতিথি পোস্ট} ব্লগিং করে পাওয়া এক বিরাট সাফল্যর পরের কথা

পড়ুন: ব্লগিং করে পাওয়া এক বিরাট সাফল্য

লেখক: মিসেস মনোয়ারা খালিদ

ব্লগিং এ সাফল্যের বিষয়ে এই ব্লগে প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে আপনাদের সকলের মন্তব্যের জন্য আমি অত্যন্ত আনন্দিত। ঠিক এই ধরনের সচেতনতা গড়ে তুলাই আমার লক্ষ্য।

প্রথমেই একটি অনুরোধ জানিয়ে নিই, অনুগ্রহ করে আমাকে কেও ম্যাডাম বলবেন না, এছাড়া আপা, দিদি, ভাবি বা বৌদি যে যাই বলুন কিন্তু ম্যাডাম নয়। এব্যপারে আমি শুভব্রত'র ডাকে খুব খুশি হয়েছি।

আমরা মানুষ হয় জন্মেছি। মানুষই মানুষের পাশে দাঁড়ায়, মানুষকে ভালোবাসে। পশুর মধ্যেও ভালোবাসা স্নেহ মমতা আছে। আমাদের কেন থাকবে না? আমি নিজের চোখে পশুর স্নেহ দেখে অবাক হয়েছি। শুনুন তাহলে। ঢাকার কাছেই আমাদের একটা কৃষি খামার ছিলো। সেখানে একটা অসুস্থ কুকুর যে কিনা তার বাচ্চাদের খাবার এনে দিতে পারছিলোনা এবং অসুস্থতার কারনে তার বুকেও দুধ ছিলো না, তার সেই তিনটা বাচ্চাকে প্রতিবেশী অন্য একটা কুকুর মুখে করে খাবার এনে খাইয়ে দিতে দেখে আমি স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। বুঝুন তাহলে, আমরা কেন আর এক জনকে সাহায্য করবো না? আমরাতো সৃষ্টির সেরা জীব তাই না? এটা আমাদের শুধু স্নেহ মায়া ভালোবাসার কথা নয় এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

বিগত ১০ বছরে গুগলের আমনত্রনে ৩০ কোটি ব্লগ খোলা হয়েছে। এর মদ্ধ্যে আমাদের বাঙ্গালিদের কতগুলি তা আমি জানি না। তবে এই সুযোগ অবশ্যই গুগল এমনি এমনি দেয়নি এটা তাদের ব্যবসা সম্প্রসারনের এক অসাধারন নিখুত প্রক্রিয়া। একটা নির্দিস্ট ধারা বজায় রেখে ব্লগিং করলে সেই ব্যবসার কিছু অংশ আমরাও পেতে পারি এতেও ব্লগ পরিচালকদের উতসাহিত করছে রিতিমত প্রচার করে। আর তা ছাড়া এটাকে সমাজ গঠন, বিভিন্ন গঠনমুলক কার্যপ্রনালী সম্পর্কে সকলের সাথে মত বিনিময়, নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিভা বিকাশ এবং পৃথিবীতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সকলের সাথে মিলনের একটা বিশেষ সম্মেলন অঙ্গন হিসেবেও আমরা এটা ব্যবহার করতে পারি এতে কোন বিধি নিষেধ আরোপ করেনি। এখানেও তাই হচ্ছে আপনারা কে কোথায় আছেন তা কিন্তু আমি জানি না, কিন্তু তার পরেও দেখেন আমাদের মধ্যে কি সুন্দর একটা বন্ধন গড়ে উঠেছে।

সকলের কাছে আমার অনুরোধ যে যা জানেন তাই নিয়েই ব্লগ শুরু করুন, বিশেষ করে আমি মেয়েদের কাছে এই অনুরোধ জানাছি আরো একটু বেশি। কারন জাতি গঠনে আমাদের মেয়েদের ভুমিকাই প্রধান এজন্য আমরা গর্ব বোধ করতে পারি। শিক্ষিতা মা ছাড়া শিক্ষিত জাতি তৈরি হয় না একথা সবাই জানেন।

এই যে বাংলা হ্যাকস নামে এই ব্লগ যেখানে আপনাদের সাথে আমার পরিচয় এটা যে পরিচালনা করছে সেও কিন্তু আমার মতই একজন মেয়ে। আমি তার অনেক অনেক সমৃদ্ধি কামনা করি সাথে এও কামনা করি যেন আমাদের সকল বাঙ্গালির ঘরে ঘরে এমন গঠন মুলক ধ্যান ধারনা সমৃদ্ধা শান্ত শীতল মনের ধৈর্যশীলা মেয়ের জন্ম হয়। আশা করি আপনারাও আমার সাথে একমত পোষন করবেন।

আমি নিতান্তই আমার অবসর সময় কাজে লাগাবার জন্য আমার যে বিষয়ে সামান্য ধারনা রয়েছে তাই দিয়ে বিদেশে আমাদের যে সব ছেলেমেয়েরা থাকছে তাদের নিজে রান্না করে খাবার ব্যবস্থা কি ভাবে করা যায় তাই নিয়েই এই ব্লগিং শুরু করেছি। কখনোই আমি ভাবিনি যে এই পথে এমন একটা সুযোগ আসবে।

আমাদের বাংলা ভাষায় কথা বলা মানুষের সংখ্যা কিন্তু একেবারে কম নয়। আমাদের দেশ এবং আমাদের প্রতিবেশী ভারত মিলিয়ে প্রায় ৩০ কোটি মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলছে। আমরা যখন বাংলায় কথা বলি তখন কিন্তু কেউ ভাবিনা যে কে বাংলাদেশী আর কে ভারতীয়, সবাই তখন বাঙ্গালী হয়ে যাই, কেমন করে যেন দেশের সীমারেখাটা সরে যায়। আর এই ভাষা কোন দুর্বল ভাষা নয় রীতিমত নোবেল পুরষ্কার পাওয়া ভাষা, এই ভাষা রক্ষার জন্য আমাদের রক্ত দিয়ে যুদ্ধ করতে হয়েছে যা পৃথিবীতে আর কোন ভাষার ক্ষেত্রে ঘটেনি। আজকের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২১শে ফেব্রুয়ারি এই বাংলাভাষীদের দিয়েই সুচিত হয়েছে। কাজেই এই বাংলা ভাষায় যথেস্ট উন্নত মানের ব্লগ করা সম্ভব। তাই বলছি আপনারা সকলেই এগিয়ে আসুন সবাইকে উতসাহিত করুন। এজন্য ঘরের বাইরে যাবার প্রয়োজন নেই, সারা দিনের মধ্যে কোন বিশেষ সময় নির্দিস্ট করার দরকার নেই, আপনার সুবিধা মত সংসারের সব কাজ কর্ম সেরে যে কোন অবসরে কিছুটা সময় দিলেই যথেষ্ঠ। তবে কথা হচ্ছে আপনি হয়তো ভাবছেন আমি কি বিষয় নিয়ে ব্লগ করবো কি লিখবো? গুগলের ব্লগের বিজ্ঞাপনে লক্ষ্য করলেই দেখবেন ওরা ওদের বিজ্ঞাপনে বলছে “আপনি যদি লিখতে পারেন তাহলে আপনি ব্লগ করতে পারবেন” তাহলে আর দেরি না করে এগিয়ে আসুন।

আপনারা যদি বলেন তাহলে আমি একটা ফর্ম করে দিতে পারি ওই ফর্ম পূরন করে আমাদের কাছে পাঠিয়ে দিলে আমরা বলে দিব আপনি কি নিয়ে লিখবেন, আমার পক্ষ থেকে আমি এটুক করতে পারি। আপনি সেলাই কাজ জানেন তাই নিয়ে করুন, যদি গান গাইতে জানেন তাই নিয়েই লিখুন, যদি ভালো সুন্দর করে ঘর সাজাতে পারেন তাই লিখুন, ফুলদানি সাজাতে পারেন তাই নিয়েই লিখুন, ছবি আকতে পারেন তাই একে দিন, ফুল বা শব্জী বাগান করতে পারেন তাই নিয়েই লিখুন। কিছুই পারেন না? অন্তত কোথাও বেড়াতে গেছেন সেখানে কি কি দেখলেন তাই লিখুন বা সংসারে আজকের অভিজ্ঞতা বা কি কি কাজ করলেন, কোন মেহমান এলো তাকে কি দিয়ে আপ্যায়ন করলেন, কি কি রান্না করলেন, বাড়ির কারো অসুস্থতায় কি কি ব্যবস্থা নিয়েছেন বা নিতে হয়েছে তাই লিখুন। দেখবেন আপনার ব্লগ চালু হয়ে গেছে। তবে একটা কথা, যে যাই করুন নিজেকে সুন্দর করে গুছিয়ে উপস্থাপন করুন। একটা কথাই শুধু মনে রাখবেন আমার এই লেখা অন্য আর এক জনে পড়ছে।

আর একটা কথা হোল কৌশলগত কথা যদি ভাবেন- তাহলে আমি এক কথায় বলবো এই 'বাংলা হ্যাকস' এ পর্যন্ত যা লিখেছে তার ২৫% অনুসরন করেই একটি সমৃদ্ধ ব্লগ পরিচালন করা সম্ভব। এর বেশিও যদি কিছু প্রয়োজন হয় তাহলে এখান থেকেই আপনি তা জেনে নিতে পারবেন। আমি যা দেখেছি তাতে আশা করি নিরাশ হবেন না। তবে আপনার যা একান্ত প্রয়োজন তা হোল ইন্টারনেট সংযোগসহ যেমন তেমন একটা কম্পিউটার।

আপনাদের মতামত কলামে আমি যাদের দেখেছি, বাদল রায়, স্বাধীন, শাহনাজ পারভীন, এসবি, শরিফুল ইসলাম, শুভব্রত, সবুজ, আব্বাস, লিন্ডা এবং আরোও কয়েকজন যারা নাম উল্লেখ করেননি, সবাইকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদ। আপনাদের মধ্যে কেউ কেউ সেলিব্রেট করতে চেয়েছেন। আমিও এ ব্যাপারে একমত। কবে, কি ভাবে, এবং কোথায় করতে চান সবাই যার যার মত একটা করে পরামর্শ দিন। আমি এব্যাপারে একটা প্রস্তাব দিতে চাইঃ- আমার মনে হয় ওই মেয়েটি দেশে আসার পর তাকে নিয়েই আমরা ব্লগিং সম্পর্কে একটা আলোচনা সভা করতে পারি। এখানে যারা ব্লগ করতে আগ্রহী এবং যারা ইতোমধ্যে এর সাথে জড়িয়ে আছেন তারা সবাই যোগ দিতে পারবে। আমরা সবাই সবার সাথে পরিচিত হতে পারবো। ঢাকাতেই কোথাও হতে পারে।আর এ ব্যাপারে নেতৃত্ব নেয়ার জন্য সমন্বয় কারী হিসেবে আমি বাংলা হ্যাকসের aR কেই অনুরোধ করবো, তবে আমি অবশ্যই তার পাশে থাকবো। আপনারা কি বলেন?

যে যেখান থেকে আমার বার্তা পড়লেন তাদের সবার কাছে সবিনয় অনুরোধ আপনার চেনা জানা সবার কাছে এই বার্তা পৌছে দিন।

সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন এই শুভ কামনা সবার জন্য।

যে যেখানেই থাকুন সবাই আনন্দের সাথে ঈদ উদযাপন করুন, ঈদ মোবারক।

"রান্না বান্নার যত রকম http://rannakorinije.blogspot.com"

ব্লগিং করে পাওয়া এক বিরাট সাফল্য

রান্নাবান্না বিষয়ে একটি ব্লগ লিখে একজন বাঙালি গৃহিনী এক অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছেন। তার ব্লগের এই পাতায় প্রকাশিত লেখাটি আমি পুনঃপ্রকাশ করছি।

ব্লগিং এর একটি বিচিত্র সাফল্য
আমি এক জন অতি সাধারন মানুষ। শখ করেই রান্না বান্না বিষয় নিয়ে এই ব্লগ করেছি। আমার সেই ব্লগ থেকে আমার মেইলে ভারতের মুম্বাই থেকে তেলেগু ভাষী জনৈকা প্রিয়া মিত্র Help me বিষয়ে একটি মেইল পাঠিয়েছিলেন। সে মেইলে তিনি বলেছেন যে বাংলাদেশের এক মেয়ে ১০ বছর ধরে তার বাড়িতে কাজ করছে, এতোদিন সে কিছু বুঝতে পারেনি কিন্তু বর্তমানে সময়ের সাথে সে বেড়ে উঠেছে এবং বুঝতে শিখেছে। এখন সে দেশে তার পরিবারের কাছে ফিরে আসতে চায়। মেয়েটির সাতক্ষীরার বাড়ির ঠিকানা দিয়ে আমার কাছে তার পরিবারের বর্তমান পরিস্থিতি জানাতে ও তাকে দেশে ফিরে আসার ব্যাপারে সাহায্য চেয়েই এই মেইল পাঠিয়েছে।

আমি থাকি ঢাকায় এবং আমার স্বামী বিদেশে থাকে, তার পুর্বের চাকরীর সুবাদে বেশ অনেক বতসর আমরা মংলায় থেকেছি। সেই সুত্র ধরে তার সাবেক সহকর্মী নির্বাহী প্রকৌশলি শরিফুল ইসলাম এবং উপ সহকারী প্রকৌশলী এবিএম মাসুদ ভাইয়ের কাছে আমি প্রিয়া মিত্রের মেইলটি ফরোয়ার্ড করে দেই এবং যে কয়জনের ফোন নম্বর আছে তাদের সাথে ফোনে আলাপ করে এ বিষয়ে সাহায্যের অনুরোধ জানাই।

পরবর্তীতে তারা ওখানে কর্মরত সাতক্ষীরার কয়েকজনের সাথে যোগাযোগ করে প্রিয়া মিত্রের দেয়া ঠিকানা ধরে ওই এলাকার চেয়ারম্যানের সাথে আলাপ করে মেয়েটির ভাই হাসান ও বোন হালিমার সন্ধান পেয়ে তাদের সাথে সরাসরি কথা বলে তাদের ফোন নম্বর নিয়ে প্রিয়া মিত্রকে মেইল পাঠায়।

এর পর প্রিয়া মিত্র মুম্বাই থেকে মেয়েটির ভাই হাসানের কাছে ফোন করে মেয়েটিকে কথা বলার সুযোগ করে দিলে এক আবেগ ঘন পরিবেশের সৃস্টি হয়, যা প্রিয়া মিত্র আমাকে সাথে সাথেই মেইল করে জানিয়েছে। এবার সে ভারতে বাংলাদেশ হাই কমিশনের সাথে যোগাযোগ করে মেয়েটিকে তার নিজ পরিবারের কাছে নিজ দেশে পাঠাবার ব্যবস্থা নিবে।

এই সমস্ত প্রক্রিয়া সারতে মাত্র ১৬টি মেইল আদান প্রদান হয়েছে এবং কয়েকটি ফোন করতে হয়েছে। পাঠক বন্ধুদের মধ্যে যদি কেউ এ ব্যাপারে বিশদ জানতে আগ্রহী হন তাহলে আমাকে মেইলে জানাবার অনুরোধ জানাচ্ছি। আমি মনে করি ব্লগ করে এটাই আমার পরম প্রাপ্তি, হারিয়ে যাওয়া একজনকে তার পরিবারের সাথে পুনর্মিলন ঘটাতে পেরেছি। সকলকে ব্লগিং করতে উদ্বুদ্ধ করার জন্যই এই তথ্য এখানে দিয়েছি। আশা করি আমার মত সবাই বিষয়টি উতসাহিত করবেন।

এখানে একটি কথা না বললে নিজেকে অপরাধী মনে হবে, তা হচ্ছে ব্লগ করার ব্যপারে নানা ভাবে প্রভাবিত করে, উৎসাহ উদ্দীপনা দিয়ে এবং নানা রকম কায়দা কৌশল শিখিয়ে হাতে ধরে আমাকে সাহায্য করেছেন ‘বাংলা হ্যাকস’, এই সাফল্যের সবটুকু কৃতিত্বই তার আর ভুল ভ্রান্তি দোষ ত্রুটি যা তাই শুধু আমার।

শুভ ব্লগিং। ধন্যবাদ গুগলকে, ধন্যবাদ তাদেরকে যারা ব্লগিং করছেন।
সবাই ভালো থাকুন, সবার জন্য এই শুভ কামনা।

এরকম মহানুভবতা ও মানবিক সহযোগী মানসিকতার মানুষের বড় অভাব আমাদের এই পোড়া সমাজে। একজন মেয়ে সে পাচার বা কোন কারণে হোক বিদেশে চলে গিয়েছিল। ১০ বৎসর পর তাকে তার পরিবারে ফিরে আসার সহায়তা করে 'রান্না করি নিজে' ব্লগের ব্লগার যে উপকার করলেন, তার বর্ণনা সাধারণ বিশেষণে প্রকাশ করা অসম্ভব। তার শুভ মানসিকতাটি সমাজে ছড়িয়ে পড়ুক, আরো বেশি মানুষ জানুক এই মহত্বের কাহিনী এই প্রত্যাশা থেকেই লেখাটি আমার ব্লগে পুন:প্রকাশ করলাম।

কিভাবে একটি জিমেইল একাউন্ট দিয়ে একাধিক ব্লগ তৈরি করবেন

আমার জনৈক ব্লগার (Blogger) অনুরোধ করেছেন যে, কিভাবে তিনি একাধিক ব্লগ (More blog) তৈরি করবেন। আর তার জন্য একাধিক জিমেইল একাউন্ট (Gmail Account) তৈরি করতে হবে কিনা। তাঁর প্রশ্ন শুনে বোঝা যায়, তিনি ব্লগের ভূবনে একজন নতুন অতিথি (New Comer)। তার মতো নতুন অতিথির জন্য আমার সেবার দ্বার সবসময়ই খোলা। আর তাই তার প্রশ্নের উত্তর যদিও আমি মন্তব্য হিসেবে দিয়েছি, তারপরও আরও একটু বিস্তারিতভাবে ছবিসহ ব্যাখ্যা করার জন্য এই পোস্টটি লিখলাম।

হ্যাঁ ভাই/ বোন (তিনি নাম লেখেননি), আপনি একাধিক ব্লগ খুলতে পারবেন। তবে তার জন্য একটি গুগল একাউন্টই (Google Account)যথেষ্ঠ। আপনাকে প্রত্যেকটা ব্লগের (Each Blog) জন্য আলাদা আলাদা ভাবে কোন গুগল একাউন্ট তৈরি করতে হবে না। একটি গুগল একাউন্ট দিয়েই আপনি অনেকগুলো ব্লগ তৈরি করতে ও পরিচালনা করতে পারবেন।

একটি গুগল একাউন্ট দিয়ে একাধিক ব্লগ তৈরির পদ্ধতিটি আমি ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করছি:
  • প্রথমে ব্লগার.কম (Blogger.com) এ গুগল আইডি ও পাসওয়ার্ড (Google ID and Password) দিয়ে লগইন (Login) করুন।
  • উপরের ছবিতে দেখুন, ব্লগারের ড্যাশবোর্ড (Blogger Dashboard) দেখা যাচ্ছে। এখানে ডানপাশের কোনায় (Right Corner) লেখা রয়েছে Create a blog. এই লেখাটির উপরে একবার ক্লিক (Click once) করুন।
  • ২ নং পৃষ্ঠাটি খুলে যাবে। এখানে আপনার ব্লগের প্রত্যাশিত নাম (Expected name), ব্লগের ঠিকানা (Blog URL) এবং ক্যাপচা ভ্যারিফিকেশন কোডটি (Captcha verification code) লিখুন। ব্লগের ঠিকানাটি লভ্য (Available) কিনা, তা Check Availability লেখাতে ক্লিক করে যাচাই করে নিন। যদি আর কেউ এই নামে ব্লগ খুলে থাকে, তাহলে আপনি আর তা নিতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে আপনাকে আর একটি নতুন নাম বাছাই করে নিতে হবে। সবকিছু আপনার অনুকূলে থাকলে Continue বোতামে ক্লিক করে পরের পৃষ্ঠায় চলে যান।
  • উপরের ছবির মতো পৃষ্ঠায় আপনাকে একটি টেমপ্লেট (Template) পছন্দ করতে হবে। ডিফল্টভাবে (Default) দেয়া টেমপ্লেটগুলির মধ্য থেকে যে কোন একটি ছবির উপরে ক্লিক করে পছন্দ করুন (Choice/ select on)। এবার Continue বোতামে ক্লিক করুন।
  • আপনার ব্লগটি তৈরি হয়ে গেছে- এই মর্মে একটি সফলবার্তা প্রদর্শিত হবে। এখানে Start Blogging বোতামে ক্লিক করে এগিয়ে যান।
  • আপনার নতুন ব্লগের পোস্ট (Post) লেখার পাতাটি খুলে যাবে। এখানে ব্লগের প্রথম পোস্টটি (First Post) লিখুন এবং Publish Post লেখাতে ক্লিক করে নতুন লেখাটি প্রকাশ (Publish) করুন।
এভাবে আপনি একটিমাত্র জিমেইল একাউন্ট (Gmail Account) দিয়ে যত খুশি ব্লগ (Blog) তৈরি করতে পারবেন। আপনাকে আলাদা আলাদা ব্লগের জন্য আলাদা কোন গুগল একাউন্ট খুলতে হবে না।

প্রিয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্লগার, আশা করি এবার বিষয়টি বুঝতে আপনার তেমন কোন অসুবিধা হবে না।.

ইমেইল করে ব্লগে নতুন লেখা পোস্ট করুন

গতকালকের পোস্টে আমরা জেনেছি কিভাবে একটি ব্লগে একাধিক লেখক যুক্ত (Group Blogging) করা যায়। সেই পোস্টের নিয়মে একাধিক লেখক যুক্ত করার পর আপনি ইচ্ছে করলে আর একটি উপকারী ফিচার (Feature) ব্যবহার করতে পারেন। অবশ্য আপনি নিজেও একা একা এই অনন্য সাধারণ ফিচারটি ব্যবহার করতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনাকে বা ব্লগের লেখক-সদস্যদেরকে ব্লগার.কম এ লগইন করে নতুন পোস্ট লিখতে হবে না। শুধুমাত্র ইমেইল (Email) করলেই ব্লগে নতুন লেখা (New Article) পোস্ট করা (Post) হয়ে যাবে। ব্লগে লগইন (Login) না করে শুধু ইমেইল করে নতুন লেখা পোস্ট করার জন্য আপনাকে সামান্য একটি সেটিংস (Settings) পরিবর্তন করে নিতে হবে। এখানে উল্লেখ্য যে, ব্লগার.কম (Blogger.com) এর এই সুবিধাটি সম্পর্কে সংক্ষেপে এর আগে একটু পরিচিতিমূলক আলোচনা করছিলাম।

এই উপকারী (Helpful) ফিচারটি চালু করার জন্য আপনাকে যিনি ব্লগের এডমিন (Admin), তাকে ব্লগার.কম (Blogger.com) এ তার আইডি (ID) ও পাসওয়ার্ড (Password) দিয়ে লগইন করতে হবে। এর পরের ধাপগুলো ধারাবাহিকভাবে বলছি:-
  1. প্রথমে Settings এর Email & Mobile অংশে যান। (লাল দাগ চিহ্নিত)
  2. Posting Options লেখার পাশে আপনার ব্লগের জন্য একটি নিজস্ব ইমেইল এড্রেস তৈরি করুন (নীল রঙের দাগ চিহ্নিত)। এই নতুন ইমেইল ঠিকানায় প্রথমে থাকবে আপনি যে ইমেইল দিয়ে ব্লগটি খুলেছেন, সেই ঠিকানা তারপর একটি ডট (.) এরপরের টেস্কট বক্সে (Text Box) লেখা রয়েছে Secret Words (কেন Secret Words তা পরে বলছি)। এই জায়গায় একটি নাম বা ব্লগের নামটিই (Blog name) লিখে দিন। তাহলে ব্লগটিতে পোস্ট করার ইমেইল ঠিকানাটি (Email Address) হবে এরকম :- YOUREMAIL.BLOGNAME@blogger.com
  3. এবার নিচের তিনটি অপশনের মধ্যে প্রথম দুটি থেকে একটি বেছে নিন। 1, 2, 3 চিহ্নিত অপশনগুলির মধ্যে ১মটি সিলেক্ট করলে ইমেইল করার সাথে সাথে লেখাটি প্রকাশ হয়ে যাবে। ২য়টি নির্বাচন (Select) করলে লেখাটি ড্রাফট (Draft) হিসেবে সেভ হয়ে থাকবে। পরে যিনি এডমিন (Admin), তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা-সম্পাদনা (Edit) করে প্রকাশ (Publish) করতে পারবেন।
  4. উপরেরর পদ্ধতিতে সেটিংস পরিবর্তন সম্পন্ন হলে সবশেষে SAVE SETTINGS বোতাম চেপে পরিবর্তিত সেটিংসটি সংরক্ষণ (Save) করুন।
  5. এবার আপনি নতুন সেট করা ঠিকানায় (YOUREMAIL.BLOGNAME@blogger.com) একটি ইমেইল পাঠিয়ে পরীক্ষা করে দেখুন যে তা ব্লগে প্রকাশ (Publish) হয়েছে কিনা।
  6. মনে রাখতে হবে যে ইমেইল করে প্রকাশ করার সময় লেখার টাইটেলটি (Title) লিখতে হবে ইমেইলের 'বিষয়' (Subject) এর ঘরে এবং ইমেইলের বডিতে (Email Body) থাকবে মূল পোস্টটি (Main Post)।
যদিও এই পদ্ধতির সুবিধার সংখ্যাই বেশি, তারপরও একটি মারাত্মক অসুবিধা রয়েছে। আগে সুবিধাগুলোর দু'একটি আলোচনা করি।
  1. এই পদ্ধতির মাধ্যমে যারা আগের পোস্ট অনুযায়ী ব্লগের সদস্যপদ পায়নি, তারাও নতুন লেখা পোস্ট করতে পারবে।
  2. ব্লগে লগইন না করেও লেখা প্রকাশ করা সম্ভব।
  3. শুধু gmail নয়, যে কোন ইমেইল সার্ভিস (Email Service) থেকে নতুন লেখা পোস্ট করা যাবে।
  4. যদি ফ্রি ব্লগার.কম (Blogger.com) এর ব্লগে পত্রিকা (News paper) প্রকাশ করেন, তাহলে আপনার সাংবাদিকদেরকে ব্লগে লগইন না করলেও চলবে। তারা মোবাইল ফোন (Mobile Phone) থেকেও কোন খবর (News) তাৎক্ষণিকভাবে (Instantly) ব্লগে প্রকাশ করতে পারবেন। অর্থাৎ যখন ঘটনা তখনই খবর প্রকাশ করা সম্ভব। আর তার জন্য হাতে কম্পিউটার (Computer) থাকাটা মোটেও আবশ্যক নয়।
  5. আপনি যিনি এডমিন তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে সব লেখাগুলোর উপর। তিনি ইচ্ছে করলে পরবর্তিতে যে কোন লেখা সম্পাদনা করতে পারবেন।
আর একটি বিশেষ অসুবিধা হল যে
  • ব্লগের নিজস্ব ইমেইল ঠিকানাটি কোনক্রমেই অবিশ্বস্ত মানুষের হাতে দেয়া যাবে না। তাহলে:-
  1. আজেবাজে বা অবাঞ্চিত পোস্টের সংখ্যা বেড়ে যাবে।
  2. স্প্যামাররা (Spammer) অনবরত ইমেইল পাঠিয়ে ব্লগে হাজার হাজার স্প্যামিং মেইল (Spam mail) পোস্ট করতে পারবে। ফলে আপনার ব্লগের সুনাম ও মর্যাদা মুহূর্তেই ধুলায় লুটিয়ে যাবে।
অতএব ব্লগের শরীরের কোন জায়গায় ব্লগের নিজস্ব ইমেইলটি প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকুন। শুধুমাত্র নিজস্ব বা পরীক্ষিত লেখক, নিয়োগপ্রাপ্ত ব্লগার কিংবা বন্ধুদেরকে এই ঠিকানা গোপনে জানান। তাও সেজন্য আলাদা কোন মাধ্যম ব্যবহার করতে হবে। আশা করি ব্লগের এই নতুন ফিচারটি ব্যবহার করতে আপনাদের কোন অসুবিধা হবে না।

এক অনন্য পরিবর্তন হল

আজ বাংলা ব্লগ টিপ্‌স 'বাংলা হ্যাকস' ব্লগে এক ব্যাপক ও অনন্য পরিবর্তন হয়ে গেল। আজ থেকে পুরাতন থিম (Theme) এর বদলে নতুন থিম অবমুক্ত করা হল। আশা করি পুরাতন চেহারার চাইতে আপনাদের নিকট বাংলা ব্লগ টিপ্‌স (Bangla Blog Tips) বাংলা হ্যাকস এর নতুন চেহারাটি (New Design) ভাল লাগবে। এই নতুন থিমের (New Theme) বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল এটা আমার নিজের তৈরি। এতকাল আমি Ad theme টেমপ্লেট বা থিম নিয়ে কাজ চালাচ্ছিলাম। Ad Theme টেমপ্লেটটিও ভাল। অনেকরকম সুবিধা আছে। বিশেষ করে হেডারের (Header) উপর একটি গেজেট (Gadget) লাগানোর সুবিধাটি অসাধারণ ও দারুণ কার্যকরী। এছাড়াও ডান পাশের কলামগুলো (C0lumn) ছিল অধিক শক্তিশালী ও কার্যকরী। কিন্তু তারপরও বাংলা ব্লগ টিপ্‌স যে ধরণের ব্লগ (Blog) সেই ধরণের ব্লগে নিজের ডিজাইন করা টেমপ্লেট থাকা অধিকতর যুক্তিযুক্ত ছিল। আমার মনে হচ্ছিল যে, অন্যের ডিজাইন করা থিমস ব্যবহার করলে ব্লগের নিজস্ব পরিচিতির একটি সংকট তৈরি হয়। নিজস্ব ভাবনাচিন্তাগুলোকে মুক্ত ভাবে প্রকাশ করা এবং উপভোগ্য করাকে জটিল করে তোলা হয়। এছাড়াও একটা বিশেষ কারণ হল কোন কোন ব্লগটেমপ্লেট এ কিছু বিশেষ কোড থাকে যে কারণে সার্চ ইঞ্জিন এর বট (Search Engine Bot) সমগ্র ব্লগকে পড়তে দ্বিধা করে, সে কারণে আমি নিজেই এমন একটি টেমপ্লেট ডিজাইন করে ফেললাম যা হবে খুব সহজসরল (Simple) কিন্তু থাকবে আধুনিক সব সুবিধাবলী।

আমার পুরনো টেমপ্লেটটি সম্পর্কে কিছু সাধারণ তথ্য হল:-
Name: Ads Theme Blogger Template
Designed by: Eric
URL: http://www.blogging-secret.com/
Converted into Blogger by: eBlog Templates
URL: http://www.eblogtemplates.com/

এই টেমপ্লেটটিকে নিজের কাজের উপযোগী করে নিতে নানারকম পরিবর্তন করেছিলাম। এর মধ্যে
* Read more.
* কলামের মাপমতো আর্কাইভ ড্রপ ডাউন মেনু
* ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন পরিবর্তন
* ইনলাইন অথবা এমবেডেড কমেন্ট বক্স
* এবং এছাড়াও নানা সুবিধাবলী এই টেমপ্লেট এ যোগ করেছিলাম। কিন্তু আমার কাছে সবসময় মনে হয়েছে যে, এটা অন্যের ডিজাইন করা টেমপ্লেট, এই টেমপ্লেট এ আমার নিজস্ব ব্লগের স্বকীয়তা এবং মৌলিকতা বলতে কিছু নেই।

নিজের স্বাধীনতা, স্বকীয়তা, কল্পনা এবং মৌলিকতা খুঁজে পেতে নিজেই একটি টেমপ্লেট/ থিম এর ডিজাইন করে ফেললাম। এটাকে মিনিমা টেমপ্লেটকে ভিত্তি করে তৈরি করার চেষ্টা করেছি (অবশ্য সব টেমপ্লেট এর ভিত্তি হল মিনিমা টেমপ্লেট)। আপাতভাবে আমার যেসব প্রত্যাশা ছিল, তার বেশিরভাগ এই টেমপ্লেটে পূরণ করতে পেরেছি। আগামীতে হয়তো আরও কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য এই টেমপ্লেটে যোগ করবো।

আমার ডিজাইন করা এই টেমপ্লেট এর কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য হল:-
* সম্পূর্ণ টেমপ্লেটটির বডি সাইজ হল ৯৭০ পিক্সেল(Body= 970 px)। অর্থাৎ আধুনিককালের মনিটর (Monitor) এর রেজুলেশন (Resolution) উপযোগী করে টেমপ্লেটটিকে তৈরি করা হয়েছে।
* তিন কলাম ডিজাইন (Three Column)
* বামপাশের কলাম অপেক্ষাকৃত সরু। মাত্র ১১৮ পিক্সেল।
* ডানপাশে দুইটি কলাম। তবে উপরে রয়েছে বড় কলাম এবং নিচে রয়েছে অপেক্ষাকৃত সরু দুইটি কলাম। উপরেরটি ৩৬০ পিক্সেল।
* নিচের দুটির একটি ১৫০ পিক্সেল ও বড়টি ২০০ পিক্সেল।
* ছবিতে যদিও আসেনি কিন্তু টেমপ্লেট এর একেবারে নিচে রয়েছে চারটি কলাম। এই চারটি কলামের সাইজ একটির সাথে অন্যটির পার্থক্য রয়েছে।
* টেমপ্লেটটি ফায়ারফক্সে ব্রাউজার দিয়ে ভালোভাবে দেখা যায়। তাই এখানে ক্লিক করে ফায়ারফক্স ডাউনলোড করুন।
* এছাড়াও এই টেমপ্লেটটিতে এমবেডেড কমেন্ট বক্স, Read More.., সংখ্যাবিহীন লেবেল ইত্যাদি সাধারণ সুবিধা যোগ করা হয়েছে।
আশা করি আপনাদের কাছে এই নতুন টেমপ্লেটটি ভাল লাগবে। আপনি ইচ্ছা করলে ই মেইলে বাংলা ব্লগ টিপস্‌ 'বাংলা হ্যাকস' এর নতুন টিপস্‌গুলোর খবরাখবর জানতে পারেন।

ব্লগারের লেআউট অপশনের আলোচনা- ০২

আমরা গতকালকের পোস্টে ব্লগারের লেআউট অপশনের (Layout option) দুইটি প্রধান অপশন (Main option) সম্পর্কে আলোচনা করেছিলাম। ব্লগের Page Element এবং Font/ color কিভাবে পরিবর্তন করতে হয়, তা বিস্তারিত জেনেছি। আজ জানবো ব্লগারের এক অসাধারণ সুবিধা যা অন্য কোন ব্লগ প্রভাইডার (Blog Provider) প্রদান করে না। আর তা হলো ব্লগের HTML পরিবর্তন। অন্য সব ব্লগিং প্লাটফরম (Blogging Platform) তাদের সংগ্রহে থাকা নির্দিষ্ট কিছু ডিজাইন (Selected Design) আপনাকে প্রদান করবে। এর মধ্য থেকে আপনাকে যে কোন একটা পছন্দ করতে হবে। আপনার যদি একটিও পছন্দ না হয় তাহলে আপনি নিজে কিছুই করতে পারবেন না। কারণ ব্লগের কোনরকম HTML Edit করার অধিকার সেইসব প্লাটফরমে আপনার থাকে না। কিন্তু ব্লগার (Blogger.com) আপনার জন্য এই সুবিধাটা উন্মুক্ত রেখেছে। ফলে আপনি নিজের মনমতো মনের মাধুরী মিশিয়ে ও প্রয়োজন অনুযায়ী যেমন খুশি তেমনভাবে ব্লগটিকে সাজাতে পারেন। ব্লগের কাঠামো বদল করে যেমন খুশি তেমন করে একটা অবয়ব দাঁড় করাতে পারবেন। এই কাজটি করতে পারবেন Edit HTML অংশ থেকে।

গতকালকে আমরা জেনেছি যে ব্লগারের Layout অংশে মোট চারটি সুবিধা আছে, সেগুলো হলো:
* Page Elements
* Fonts and Colors
* Edit HTML
* Pick New Template

গতকালকে আমরা * Page Elements ও * Fonts and Colors সম্পর্কে জেনেছি। বাকীদুটো আলোচনা করবো আজ। প্রথমে আলোচনা করবো Edit HTML নিয়ে ---

# Edit HTML: ব্লগারের লেআউট অংশের Edit HTML লেখাতে ক্লিক করলে নিচের ছবির মতো একটি পেজ আসবে। এই অংশটাই ব্লগারের Edit HTML অংশ। এখানে নানারকম পরিবর্তন করে আপনার ব্লগকে বিভিন্নরকম ডিজাইনের অবয়ব দিতে পারবেন।
বোঝার সুবিধার্থে এই অংশের প্রধান কয়েকটি অংশকে আমি নাম্বারিং (Numbering) করে দিয়েছি।

  1. এইটিএমএল (Html) পরিবর্তন করে আপনার ব্লগটিকে যে কোনরকম পরিবর্তন করার আগে নিরাপত্তার জন্য বর্তমান টেমপ্লেটটি সেভ (Save) করে রাখা প্রয়োজন। সেজন্য ১ নং চিহ্নিত Download Full Template লেখাটিতে ক্লিক (Click) করে আপনার বর্তমান টেমপ্লেটটিকে (Current template) ডাউনলোড (Download) করে কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে (Harddisk) সেভ করে রাখুন। এই টেমপ্লেটটির এক্সটেনশন হবে ******.xml। কোনরকম ভুল হয়ে গেলে xml ফাইলটিকে আপলোড (Upload) করে পুরনো টেমপ্লেটটিকে ফিরে পাওয়া যাবে।
  2. এই অংশ দিয়ে xml এক্সটেনশনযুক্ত কোন টেমপ্লেট ফাইলকে আপনার ব্লগের ডিজাইন (Blog Design) হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। Browse লেখা বাটনটিতে ক্লিক করে হার্ডডিস্কে থাকা xml ফাইলটিকে দেখিয়ে দিন এবং Upload লেখা বাটনে ক্লিক করুন। প্রয়োজনীয় সময় শেষে নতুন টেমপ্লেটটি আপনার ব্লগে ইনস্টল (Install) হয়ে যাবে।
  3. এই অংশটি আপনার ব্লগের মূল শরীর (Body)। এখানে থাকা কোডগুলোতে (Codes) নানারকম পরিবর্তন করে আপনার ব্লগের ডিজাইন বিভিন্নরকমভাবে পাল্টাতে পারবেন। এই অংশে কোনরকম পরিবর্তন করার পূর্বে যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। ১ নং ধাপটি সম্পন্ন করা অর্থাৎ বর্তমান টেমপ্লেটটিকে সেভ করে রাখার পরই এই অংশে কাজ করা উচিত। যারা HTML সম্পর্কে নূন্যতম জ্ঞান রাখেন, তাদের কাছে এই অংশে কাজ করা মোটেই কঠিন মনে হবে না।
  4. ৩ নং ধাপে ভুল করে কোনরকম পরিবর্তন যদি ফেলেন, যা আর কার্যকরী (Active) করতে চাচ্ছেন না, তাকে বাদ দেয়ার জন্য Clear Edits লেখাটিতে ক্লিক করুন।
  5. টেমপ্লেটের মধ্যে কোনরকম পরিবর্তন করার পর তা সেভ (Save) করার পূর্বে একবার প্রিভিউ (Preview) দেখে নেয়া দরকার। আপনার পছন্দ বা ব্লগের মেজাজের সাথে নতুন ডিজাইনটি ঠিকমতো খাপ খাচ্ছে কি না তা একবার একঝলকের জন্য দেখে নেয়ার জন্য Preview লেখাটিতে ক্লিক করুন। আরেকটি ট্যাবে (ফায়ারফক্সে, এখুনি ডাউনলোড করুন) আপনার ব্লগটি ওপেন হবে। আপনি সেখানে দেখে নিতে পারবেন যে আপনার পরিবর্তনটা মানানসই হয়েছে কি না।
  6. সবশেষে Save Template লেখাটিতে ক্লিক করে আপনার পরিবর্তনকে স্থায়ী (Save) করে নিন। এই বাটনে (Button) ক্লিক করার পর ব্লগের বডিতে আপনার করা পরিবর্তনগুলো স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হয়ে মূল ব্লগে কার্যকরী হয়ে যাবে।
# Pick New Template: আপনার যদি HTML সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা না থাকে, কিংবা আপনি যদি কোনরকম মডিফাইড (Modified) টেমপ্লেট ব্যবহার করতে না চান, তাহলে ব্লগারের দেয়া ডিফল্ট টেমপ্লেটগুলো (Default Templates) ব্যবহার করতে পারেন।
Pick New Template লেখাটিতে ক্লিক করলে ডিফল্টভাবে (Default) ব্লগারের দিয়ে দেয়া বেশ কিছু ডিজাইন (Design) দেখা যাবে। এখানে মোট ৩৮টি বিভিন্ন ডিজাইনের টেমপ্লেট রয়েছে (Template)। যে কোন একটি ডিজাইনের পাশের রেডিও বাটনে (গোল অংশ) (Radio Button) ক্লিক করে চিহ্ন দিন। এরপর উপরের ডানপাশে লেখা Save Template লেখাটিতে ক্লিক করে সেভ করে নিন। আপনার পছন্দের ডিজাইন অনুযায়ী ব্লগের ডিজাইনটিও পরিবর্তিত হয়ে যাবে।

ব্লগারের লেআউট অপশনের আলোচনা- ০১

ব্লগারের লেআউট অপশন হলো এমন একটা বিশেষ সুবিধা যার মাধ্যমে আপনি আপনার ব্লগকে বিশেষভাবে সৌন্দর্যমণ্ডিত করে নিতে পারবেন। আপনার ব্লগটিকে নিজের মনমতো আকার, কাঠামো, বৈশিষ্ট্য, সৌন্দর্য অর্থাৎ মন যা চায় ঠিক সেইমতো সাজিয়ে নিতে পারবেন। এখানে এমন একটি অসাধারণ সুবিধা আছে, যা আর অন্য কোন ব্লগিং প্রভাইডার প্রদান করে না। আর তা হলো HTML এডিটিং। এর মাধ্যমে আপনি নিজে যেমন খুশি তেমনভাবে ব্লগের আকার (Size), আয়তন, সৌন্দর্য (Design) ইত্যাদি সাজিয়ে নিতে পারবেন।

ব্লগারের লেআউট অপশনে (Layout Option) চারটি প্রধান অংশ আছে। এগুলো হলো
* Page Elements
* Fonts and Colors
* Edit HTML
* Pick New Template

একে একে সবগুলো আলোচনা করি। ব্লগারের লেআউট অপশনে যেতে হলে ড্যাশবোর্ডে Layout লেখা অংশে ক্লিক করুন (যারা পুরনো ব্লগার ব্যবহার করেন, তাদের ক্ষেত্রে Template বাটনে ক্লিক করতে হবে। সে বিষয়ে আর একদিন আলোচনা করা যাবে)। Layout অংশে ক্লিক করলে আপনি নিচের ছবির মতো একটি পৃষ্ঠায় চলে আসবেন।
এই পেজের প্রথমে রয়েছে:

# Page Elements: এই পেজ এলিমেন্ট হলো আপনার ব্লগে থাকা বা লাগানো বিভিন্ন উপাদানের সমাহার। নিচের ছবিটি লক্ষ্য করে দেখুন। এটা বাংলা হ্যাকস ব্লগের পেজ এলিমেন্ট অংশ। এখানে ব্লগের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ধরণের প্রয়োজনীয় Gadget লাগানো হয়েছে।
আপনার ব্লগের পেজ এলিমেন্ট পেজের চেহারা ব্লগের ডিজাইন আমার ব্লগের ডিজাইনের মতো না হয়ে আপনার ব্লগের ডিজাইন অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন রকম হতে পারে। ডিজাইন যেমনই হোক না কেন, প্রত্যেকটাতে Gadget লাগানোর নিয়ম একই। লক্ষ্য করুন Add a Gadget লেখা কোথায় রয়েছে। নিচের ছবিতে লাল রঙের গোল দাগ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে।
Add a Gadget বাটনে ক্লিক করলে নিচের ছবির মতো আর একটি উইন্ডো ওপেন হবে।
এখানে Blog List, Followers, Link List, AdSense, Text, HTML/JavaScript, Feed, Blog Archive, Page Header ইত্যাদি নানারকম Gadget রয়েছে। এখান থেকে আপনার পছন্দ ও প্রয়োজনমতো Gadget নিয়ে ব্লগে স্থাপন করতে হবে। প্রয়োজনীয় Gadgetটিতে ক্লিক করলে সেই গেজেটের অপশনফিল্ড ওপেন হবে। সেখানে আপনার মনমতো পরিবর্তন করে সেভ (Save) করুন। শেষে Page Element এর যেখানে Save, Clear Edits,
Preview লেখা রয়েছে, সেখান Save বাটনে ক্লিক করে আপনার পরিবর্তনকে স্থায়ী করে নিন। এবং আলাদা ট্যাবে থাকা ব্লগটিকে একবার রিফ্রেশ (Refresh) করে দেখুন। আপনার প্রয়োজনীয় গেজেট এড (Add) হয়ে গেছে।

# Fonts and Colors: এই অংশে আপনার ব্লগের শরীরের বিভিন্ন উপাদানের রঙ (Color) ও ফন্ট (Font) পছন্দ অনুযায়ী পরিবর্তন করতে পারবেন। এই অংশটিও ব্লগভেদে বিভিন্ন রকম হতে পারে। যে রকম টেমপ্লেটে (Template) যেসব সুবিধা রয়েছে সেইসব টেমপ্লেটের ডিজাইন (Design) ও সুবিধা অনুযায়ী ব্লগের বিভিন্ন অংশের রং পরিবর্তন করার অপশন এখানে থাকবে।এই অংশে সাধারণভাবে আপনি আপনার ব্লগের বডিকালার (Body color), সাইডবার কালার (Sidebar Color), টেক্সট কালার (Text Color), লিংক কালার (Link color), ভিজিটেড লিংক কালার (Visited Link color), ইত্যাদি পরিবর্তন (Change) করতে পারবেন।

ব্লগারের সেটিংস অপশনের ব্যবহার- ০৪

আগের পোস্টগুলোতে আমরা ব্লগের সেটিংস (Blog Settings) অপসনের (Option) বিভিন্ন কাজ শিখেছি। একে একে জেনেছি Basic, Publishing, Formatting এবং Comments অপসনের বিভিন্ন কমান্ডের (Command) ব্যবহার। আজ আমরা ব্লগারের সেটিংস অংশের বাকি অপসনগুলোর কার্যবিধি সম্পর্কে জানবো। ব্লগারের যেসব অপসন আমরা এখনও আলোচনা করি নি, সেগুলো হলো:
* Archiving
* Site Feed
* Email
* OpenID
* Permissions

প্রথমে আলোচনা করি Archiving অপশন সম্পর্কেঃ


উপরের ছবিটি হলো ব্লগারের সেটিংস অংশের আর্কাইভ (Archive) অপশন। এখানে আপনার ব্লগের পোস্টগুলোকে (Blog Posts) কিভাবে আর্কাইভ করে রাখা হবে তা নির্বাচন করতে হবে। সাধারণভাবে এখানে মাসিক (Monthly) ভিত্তিতে আর্কাইভ করার বিষয়টি ডিফল্ট (Default) হিসেবে থাকে। কিন্তু আপনি Archive Frequency অংশের ড্রপডাউন মেনু (Dropdown Menu) থেকে প্রাত্যাহিক (Daily) বা সাপ্তাহিক (Weekly) ভিত্তিতে আর্কাইভ করার সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন। ইচ্ছে করলে আর্কাইভ নাও করতে পারেন।

এই অংশের আর একটি সুবিধা হলো Enable Post Pages, এই অংশে Yes সিলেক্ট করে দেয়াটাই ভালো। সেক্ষেত্রে আপনার প্রত্যেকটি পোস্ট একটি একক পাতা (Single Page) হিসেবে সেভ হয়ে থাকবে।

* Site Feed
এটা সাধারণত Full হিসেবে ডিফল্ট থাকে। Full ছাড়াও Short এবং None সিলেক্ট করার সুবিধা আছে। কিন্তু Full রেখে দেয়ার সুবিধা অনেক রয়েছে। আপনি যদি কোন থার্ড পার্টির (Third Party) মাধ্যমে আপনার ব্লগের ফিড (Feed) তৈরি করেন, তাহলে সেখানে তৈরি হওয়া লিংকটি Post Feed Redirect URL এর ঘরে দিয়ে দিতে পারেন। এতে আপনার ব্লগের পোস্টগুলি বিভিন্ন সার্চইঞ্জিনে (Search engine) খুব দ্রুত সাবমিট (Submit) করা হয়ে যাবে।

এই পাতাটিকে আপনি দু'ভাবে দেখতে পারেন। Basic Mode এবং Advanced Mode; দু'রকমের পাতাতে একই সুবিধা আছে। তবে Advanced Mode এ কিছু সুবিধাগুলো আলাদা আলাদাভাবে দেয়া আছে। এর সবগুলোকে Full সিলেক্ট করে রাখতে হবে।

* Email

এই সুবিধাটা ব্লগারের এক অনন্য সুবিধা। এরকম সুবিধা আর অন্য কোন ব্লগ প্রদান করে না। সাধারণত আমরা ব্লগে যদি কিছু পোস্ট করতে চাই, তাহলে ব্লগারে লগইন (Login) করতে হয়। কিংবা আপনি যাদেরকে অনুমতি প্রদান করেছেন, তারা ছাড়া আর অন্য কেউ আপনার ব্লগে কোন লেখা পোস্ট করতে পারবে না। কিন্তু ব্লগার (Blogger.com) এমন একটি বিশেষ সুবিধা দিয়েছে যার মাধ্যমে আপনি ব্লগারে লগইন না করেও সরাসরি ইমেইল করে পোস্ট করতে পারবেন। আপনার বন্ধুকে যদি এই ব্লগের ঠিকানাটা (Blog address) দিয়ে দেন, তাহলে সে ব্লগের সদস্য (Member/ Author) না হয়েও তার ইমেইল এড্রেস থেকে একটা ইমেইল (E mail) পাঠিয়ে দিয়ে আপনার ব্লগে পোস্ট লিখতে পারবেন।

Mail-to-Blogger Address এর পাশের টেক্সটবক্সটি (Text box) ভালোভাবে লক্ষ্য করুন। এখানে আপনার ইমেইল এড্রেস লেখা আছে এরপর একটি ডট (Dot .) দিয়ে রয়েছে একটি ফাঁকা বক্স রয়েছে, এই টেক্সট বক্সের পাশে লেখা আছে @blogger.com, অর্থাৎ ধরি আপনার ইমেইল এড্রেস হলো bangladesh এবং আপনার ব্লগের নাম হলো My blog সেক্ষেত্রে এই ব্লগে সরাসরি পোস্ট করার ঠিকানা হবে :
bangladesh.myblog@blogger.com
এক্ষুনি পরীক্ষা করুন। মাঝের ফাঁকা টেক্সটবক্সে ব্লগ নামটি (বা যে কোন শব্দ/ বর্ণ) লিখে সেভ করুন। এরপর এই নতুন ঠিকানায় (******.****@blogger.com) একটা ইমেইল পাঠান। অন্য ট্যাবে (Tab) থাকা ব্লগটি একবার রিফ্রেস (Refress) করুন। দেখবে সেকেন্ডের মধ্যে আপনার ইমেইলটি ব্লগে পোস্ট হয়ে গেছে।

এই নতুন ঠিকানাটি এক্টিভেট (Activate) করার পর আপনাকে আর ব্লগারে লগইন করে পোস্ট লিখতে হবে না। সরাসরি ই মেইল করে পোস্ট লিখতে পারবেন। ইমেইলের Subject ঘরে যা লিখবেন, তাই এখানে পোস্টের নাম (Post name) হিসেবে রয়ে যাবে। ব্লগারের এই বিশেষ অংশটি কম স্পিডের ইন্টারনেট (Low Speed Internet) রয়েছে এমন বন্ধুর জন্য খুব উপকারী।

* OpenID
বর্তমানে ব্লগস্ফিয়ারে একটি ধারণা বিশেষভাবে প্রণিধান হয়েছে যে, মানুষকে মন্তব্য করার অধিকার দিতে হবে। মানুষের বাক স্বাধীনতাকে সমুন্নত রাখতে হবে। এই লক্ষ্যে চালু হয়েছে Open ID , এই পরিচিতি দিয়ে আপনি যে কোন ব্লগে নিজস্ব পরিচয়কে অবিচল রাখতে পারবেন। ব্যবহার করে দেখুন।

* Permissions
এই অংশে দুটো অপশন আছে। প্রথম অংশ হলো
Blog Authors: আপনি যদি গ্রুপ ব্লগিং (Group Blogging) করেন, তাহলে ব্লগারের এই অপশনটি আপনাকে ব্যাপক সুবিধা দেবে। ১০০ জনেরও বেশি সদস্য একসাথে একটি ব্লগ ব্যবহার করে নিজের মতামত প্রকাশ করতে পারবেন। এ জন্য Add Authors লেখা বাটনে ক্লিক করে বন্ধু বা ব্লগ লেখকের ই মেইল এড্রেসটি লিখে Invite বাটনে প্রেস করে একটা আমন্ত্রণ (Invitation) পাঠিয়ে দিন। বন্ধু/ ব্লগ লেখকের ইমেইল ঠিকানায় একটি আমন্ত্রণলিপি পৌঁছে যাবে। তিনি যদি এই আমন্ত্রণলিপিটিকে গ্রহণ করেন, তাহলে তিনি আপনার ব্লগের সদস্য হয়ে যাবেন। ব্লগারে তারও একটি একাউন্ট (Account) খুলে যাবে। তিনিও ব্লগে সাধারণভাবে ব্লগ লেখা পোস্ট করতে পারবেন। তবে, তিনি আপনার ব্লগের কোন Administration সুবিধা পাবেন না। এটা নিরাপত্তার জন্য সুবিধাজনক, এর ফলে তিনি আপনার ব্লগের কোন সেটিংস পরিবর্তন করতে পারবেন না। অবশ্য বিশ্বাসযোগ্য হলে তাকে আপনি ব্লগের Administrative সুবিধা দিয়ে দিতে পারবেন, তবে সেক্ষেত্রে যে কোনরকম সমস্যার দায়ভার আপনাকে পোহাতে হবে।

Blog Readers: এই অংশটি দিয়ে আপনার ব্লগটিকে দৃশ্যমানতা তিনভাবে প্রকাশ করতে পারবেন।
Anybody, Only people I choose, Only blog Authors

Anybody- সিলেক্ট করলে বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে যে কেউ আপনার ব্লগটিকে পাঠ করতে পারবেন।
Only people I choose- শুধুমাত্র যাদেরকে আপনি আমন্ত্রণ পাঠাবেন, শুধুমাত্র তারাই ব্লগটি পাঠ করতে পারবেন।
Only blog Authors- একেবারে প্রাইভেট ব্লগিং (Private Blogging) এর জন্য এই অংশের পাশে চেকমার্ক দিয়ে সেভ (Save) করুন। তাহলে এই ব্লগ আপনি ছাড়া আর অন্য কেউ দেখতে পারবে না। আপনার ব্লগের কনটেন্ট এর গোপনীয়তা (Privacy) সম্পূর্ণভাবে রক্ষিত থাকবে।

ব্লগারের সেটিংস অপশনের ব্যবহার- ০৩

আগের পোস্টগুলোতে আমরা ব্লগের সেটিংস (Blog Settings) অপশনের বেসিক (Basic), পাবলিশিং ও ফরমেটিং (Publishing, Formatting) কমান্ডগুলো সম্পর্কে জেনেছি। আজ আমরা কমেন্ট অপশনের (Comment Option) বিভিন্ন দিক আলোচনা করবো। ব্লগে ভ্রমণকারীদের (Blog Visitor) অংশগ্রহণ বাড়াতে মন্তব্য করার ঘরটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ। ওয়ার্ডপ্রেসসহ (Wordpress) বিশ্বের প্রতিটি ব্লগে ব্লগ ভ্রমণকারীদের মন্তব্য করার সুবিধা স্বয়ংক্রিয়ভাবে (Automatic) দেয়া থাকে। পাঠকরা আপনার কোন লেখা পড়ে কি ভাবল, সহমত নাকি দ্বিমত প্রকাশ করলো তা জানান জন্য মন্তব্য করার সুবিধাটি সত্যিই দারুণ কার্যকর। পাঠকের মন্তব্য থেকে লেখক যেমন নিজের ভুলত্রুটিগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকতে পারেন। তেমনি পাঠকসাধারণ কোন লেখা পড়ে যে অনুভূতি বোধ করেন, তা প্রকাশ করেও আনন্দ প্রকাশ করেন।

আসলে এটা অর্থাৎ এই মন্তব্য করার বিষয়টি Web2 ধারণার একটি অন্যতম অংশ। আগের দিনের ইন্টারনেটে (Internet) অর্থাৎ যাকে বলে Web 1, সেসময়ে ওয়েব সাইট (Web Site) এবং পাঠকের (Reader) মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ প্রায় ছিল না। পাঠক কোন ওয়েব সাইট ভ্রমণ করার পর কেমন অনুভব করলো তা প্রকাশের কোন প্রক্রিয়া করলো না। প্রদত্ত ইমেইল ঠিকানায় (E Mail Address) কেউ কেউ হয়তো চিঠি (Mail) লিখে জানাতো। কিন্তু তার কোন প্রতিক্রিয়া (Reaction/ Reply) প্রকাশ করা হতো না। কিন্তু Web2 আসার পর থেকে পাঠকের সাথে ওয়েবসাইটগুলোর পারস্পরিক মতবিনিময় প্রক্রিয়া অনেক সহজ হয়েছে। ওয়েবসাইটসমূহও হয়ে উঠেছে পাঠকদের প্রতি অনেক বেশি আন্তরিক।

Comments অপশনে দেয়া যেসব নিয়ন্ত্রণ (Control) আপনি করতে পারবেন, তার সংখ্যা মোটেও কম নয়। মন্তব্য করতে দিতে পাঠকের সাথে আপনি কিরকম আচরণ করতে চান, তা এই অংশে আপনাকে সেট করতে হবে। এই অংশে যে সব নিয়ন্ত্রণ আপনি করতে পারবেন, তা হলো:-

Comments: ব্লগের মন্তব্যসমূহ দেখানো হবে কি না কিংবা পাঠককে আপনি মন্তব্য করতে দিতে চান কি না তা এখানে চিহ্নিত করুন।
* Who Can Comment?: কাকে মন্তব্য করতে দিতে চান, তা এখানে নির্বাচন করুন। সবার জন্য উন্মুক্ত রাখতে চাইলে Anyone - includes Anonymous Users সিলেক্ট করুন।
* Comment Form Placement: মন্তব্য করার ঘরটি কোথায় রাখতে চান তা এখানে নির্বাচন করতে হবে।
* Comments Default for Posts: এটা ডিফল্ট হিসেবে রেখে দেয়াই শ্রেয়।
* Backlinks: এখানে Show রেখে দেয়া ভালো। এতে কেউ যদি তার ব্লগ বা ওয়েব সাইটে আপনার পোস্টটিকে (Post) রেফারেন্স (Reference) হিসেবে উল্লেখ করে, তাহলে তা জানা যাবে।
* Backlinks Default for Posts: এটাও ডিফল্ট (Default) রেখে দিন।
* Comments Timestamp Format: মন্তব্যর পাশে সময় (Time) বা তারিখ (Date) কিরূপ দেখাবে তা এখানে পছন্দ করুন।
*Comment Form Message: মন্তব্য'র ঘরে আপনি কি মন্তব্যকারীর উদ্দেশ্যে কোন কথা বলতে চান? তাহলে তা এখানে লিখে রাখুন।
* Comment moderation: আপনি কি কোন মন্তব্য প্রকাশিত (Publish) হবার আগে একবার পড়ে নিতে চান? তাহলে এই অংশে Always সিলেক্ট করুন। এই অংশের ঠিক নিচের টেক্সবক্সে দিয়ে দেয়া ইমেইল ঠিকানায় মন্তব্যটি আগে পৌছে যাবে, তারপর আপনার ছাড়পত্র পেলে তা প্রকাশিত হবে। অপ্রকাশিত মন্তব্যগুলো Post অপশনের মডারেট অংশে জমা হয়ে থাকবে। এখানে দেখে নিয়ে মন্তব্যগুলোকে প্রকাশ করুন (Publish) বা প্রত্যাখ্যান (Reject) করুন।
যদি সবার মন্তব্য বিনাদ্বিধায় প্রকাশ করতে দিতে চান, তাহলে Never সিলেক্ট করুন। আমি নিজে Never সিলেক্ট করে রেখেছি। ফলে আপনি বিনাদ্বিধায় মন্তব্য প্রকাশিত হবার আশা করতে পারেন। আপনার মন্তব্যকে কোনরকম পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে না।
* Show word verification for comments?: মন্তব্য করার সময় শব্দচাবিটি কি কার্যকর রাখতে চান? আপনার ব্লগে কোন যন্ত্র নাকি মানুষ মন্তব্য করছে সেটা নিশ্চিত রাখতে চান? তাহলে এটা হ্যাঁ (Yes) রেখে দেয়া ভালো হবে। তাহলে কেউ মন্তব্য করতে গেলে একটা Captcha'র মুখোমুখি হয়েই মন্তব্য করতে পারবে। এই বিষয়টি নিয়ে পরবর্তীতে কোন আলোচনা আমরা করতে পারি। কেউ কেউ আছেন, যারা এই ছবি দ্বারা যাচাই প্রক্রিয়াটিকে অপছন্দ করেন। কিন্তু বিষয়টি নিরাপত্তার সাথে সম্পর্কিত বলে এই ছবি দ্বারা যাচাই প্রক্রিয়াটিকে আমি অকার্যকর (Disable) রাখার পরামর্শ দিতে পারি না।
* Show profile images on comments?: যিনি আপনার ব্লগে মন্তব্য করছেন, তার প্রোফাইলে (Profile) থাকা ছবিটি (Avatar) আপনি প্রদর্শন করতে চান কি না তা এখানে নির্বাচন করুন।
* Comment Notification Email: যে কেউ আপনার ব্লগে মন্তব্য করুক না কেন, সঙ্গে সঙ্গে আপনার ইমেইল এড্রেসে (E Mail Address) একটি খবর পৌছে যাওয়ার আশা কি আপনি করেন? তাহলে এক্ষুনি এখানের টেক্সবক্সে (Textbox) আপনার ইমেইল ঠিকানা লিখে দিন।
পরিবর্তনগুলোকে কার্যকরী করতে সবশেষে Save Settings বাটনটি প্রেস করুন। আপনার পরিবর্তন করা অংশগুলো সংরক্ষণ হবে।

ব্লগারের সেটিংস অপশনের ব্যবহার- ০২

আমরা আগের পোস্টে সেটিংস (Settings) অপশনের বেসিক অপশনগুলো (Basic Oprions) জানতে পেরেছি। এবার বাকী অপশনগুলো সম্পর্কে আরও কিছু জানবো। আমরা জেনেছি যে সেটিংস অপশনের সাবমেনুগুলো (Submenu) হল:-

* Basic
* Publishing
* Formatting
* Comments
* Archiving
* Site Feed
* Email
* OpenID
* Permissions

এর মধ্যে Basic অপশনের ব্যবহার বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।



(#) Publishing:
এই অংশটি ব্লগারের একটি অনন্য সুবিধা। এই সুবিধাটি আর কোন ব্লগ প্রোভাইডার (Blog Provider) দেয় না। একমাত্র ব্লগার (Blogger) কোম্পানী এই সুবিধাটা ব্লগারদের জন্য উন্মুক্ত রেখেছে।

এই Publishing অংশে আপনি আপনার ব্লগের বর্তমান লিংকটি (Blog Link) মুহূর্তের মধ্যে পরিবর্তন করতে পারবেন (সহজলভ্য থাকা সাপেক্ষে)। যদি আপনি আপনার বর্তমান ব্লগের ঠিকানা নিয়ে সন্তুষ্ট না হন, যদি কোন ভুল হয়ে যায়, তাহলে তা সংশোধন পারবেন এখানে। ধরি, আমার ব্লগের ঠিকানা হল banglablogtips এখন যদি এখানে আরও কিছু শব্দ যোগ করতে চাই তাহলে তা সম্ভব। আর তা সম্ভব একমাত্র ব্লগারেই।
উপরের ছবির লাল দাগ চিহ্নিত অংশে আপনার প্রত্যাশিত নাম (Desired Name) লিখে নিচের ফাঁকা ঘরে Word Verification এর জন্য দেয়া বর্ণগুলি লিখে Save Settings বাটনে প্রেস করুন। আপনার প্রত্যাশিত নাম যদি আর কেউ ইতিমধ্যে না নিয়ে থাকে (Available) তাহলে ব্লগটি নতুন নামে সেভ হয়ে যাবে। এর পরিবর্তিত URLটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়ে থাকবে। কিন্তু যদি ইতিমধ্যে আর কেউ নামটি নিয়ে থাকে তাহলে আপনি সেই নামটি পাবেন না। যেমন banglablogtips ঠিকানাটি আপনি নিতে পারবেন না। কিন্তু banglablogtipsdhaka এই নামটি আপনি অনায়াসে নিতে পারবেন।

(#) Formatting:
এই অংশে রয়েছে নানারকম সুবিধা। মোট ১১টি অপশন এখান থেকে সিলেক্ট (Select) করে নিয়ে আপনার ব্লগকে পাঠকদের জন্য অধিকতর আকর্ষণীয়, প্রয়োজনীয় ও ব্যবহারবান্ধব তৈরি করতে পারবেন। একে একে আলোচনা করি।


Formatting অংশের বিভিন্ন অপশনগুলো হলো:
# Show: আপনি ব্লগে একসাথে কতটি পোস্ট (Post) প্রদর্শন (Show) করতে চান তা নির্বাচন করতে পারবেন এখান থেকে। সাধারণভাবে ডিফল্ট (Default) হিসেবে ৭টি পোস্ট নির্দিস্ট করা থাকে। আমি প্রদর্শন করেছি ২টি পোস্ট। আপনি ইচ্ছা করলে দিন (Day) হিসেবেও পোস্ট (Post) প্রদর্শন করতে পারবেন। অর্থাৎ কতদিনের পোস্ট আপনি একসাথে দেখাতে চান, তা এখানে সিলেক্ট (Select) করে দিন। ৫০০টির বেশি পোস্ট আপনি ব্লগের মূল পৃষ্ঠায় একসাথে প্রদর্শন করতে পারবেন।

# Date Header Format: তারিখ (Date) দেখাবে কিভাবে তা এখানে নির্বাচন করুন। ড্রপ ডাউন মেনু (Drop Down Menu) থেকে আপনার পছন্দের ক্রম অনুযায়ী তারিখ, বার, সাল প্রভৃতি প্রদর্শন করুন।

# Archive Index Date Format: ব্লগের আর্কাইভ প্রদর্শনের সময় তা কিভাবে প্রদর্শিত হবে তা নির্বাচন করুন এখান থেকে।

# Timestamp Format: সময় কিভাবে দেখাবে, ব্লগ পোস্টের সময়ের সাথে সাথে কি বার প্রদর্শন করতে চান? তা নির্বাচন করুন এই অপশন থেকে।

# Time Zone: আপনি কোথায় বসে ব্লগ লিখছেন তা পাঠকদের জানাবেন এই অংশ থেকে। আপনি পৃথিবীর যে অংশে বাস করছেন, সেই অংশের সময়ের সাথে GMT (Greenwich mean time) এর কত ঘন্টার পার্থক্য রয়েছে, তা এখান থেকে দেখিয়ে দিতে পারবেন। যেমন আমাদের দেশের টাইম জোন হল GMT এর সাথে ৬ ঘন্টা যোগ। যদি বাংলাদেশ থেকে ব্লগিং করেন, তাহলে ড্রপডাউন মেনু থেকে GMT+06:00 Dhaka সিলেক্ট করুন। ভারতের যে কোন জায়গা থেকে ব্লগিং করলে GMT+05:30 Indian Standard Time সিলেক্ট করতে হবে।

# Language: আপনার ব্লগের ডিফল্ট ভাষা (Default Language) কি হবে তা এখান থেকে চিহ্নিত করুন। আপাতত: ইংরেজি (English) ভাষা আমাদেরকে ব্যবহার করতে হবে। তবে শোনা যাচ্ছে যে খুব তাড়াতাড়ি এই তালিকায় বাংলা (Bangla) ভাষাকেও রাখা হবে।

# Convert line breaks: এটা 'হ্যাঁ' (Yes) নির্বাচন করতে হবে। যারা একটু এডভান্স ব্যবহারকারী এই অংশটুকু তাদের কাজে লাগবে। সাধারণ ব্যবহারকারীর জন্য এই অংশের কোন প্রয়োজন নেই।

# Show Title field: এটা 'হ্যাঁ' (Yes) নির্বাচন করতে হবে। আপনার নতুন পোস্টের টাইটেল রাখবেন কি না তা এখানে থেকে নির্বাচন করুন।

# Show Link fields: নতুন পোস্টের টাইটেলে পোস্টের লিংক ছাড়া অন্য কোন লিংক ব্যবহার করতে চান কি? তাহলে এই অংশে 'হ্যাঁ' নির্বাচন করুন। না চাইলে ডিফল্ট 'না' (No) রেখে দিন।

# Enable float alignment: এই অংশটুকুতে ডিফল্ট হ্যাঁ রেখে দিন।

# Post Template: আপনার প্রতিটি পোস্টে যদি একই শব্দ (Same Word) বা কোড (Code) দিতে চান, তাহলে তা প্রত্যেকবার টাইপ করা থেকে বাঁচার জন্য এই অংশে তা লিখে দিতে পারেন। আপনার সিগনেচার (Signature) হতে পারে এর একটা সহজ উদাহরন।

আজ আমরা সেটিংশ অপশনের * Publishing* Formatting অংশ নিয়ে আলোচনা করলাম। আগামী দিনে বাকী অপশনগুলো নিয়ে আবারো হাজির হবো।

ব্লগারে সেটিংস অপশনের ব্যবহার -০১

আমরা এর আগে ব্লগারের পোস্ট অপশনের বিভিন্ন রকম প্রয়োগবিধি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনেছি। আজ আলোচনা করবো ব্লগারের সেটিংস অপশনটি নিয়ে।

ব্লগারের ড্যাশবোর্ডে (Dashboard) সেটিংশ (Settings) অপশনটি হলো এর প্রধান চাবিকাঠি। এইখাতে থাকা বিভিন্ন বাটনের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে আমরা নিজেদের ব্লগটিকে সঠিকভাবে সকলের নিকট উপস্থাপন করতে পারবো। ব্লগারের নাম (Blog Header/ Name/ Title), উপনাম বা বর্ণনা (Sub Header/ Description), প্রকাশের ঠিকানা (Blog URL), মন্তব্য করার অধিকার (Comment), আর্কাইভ (Archive) করা, ব্লগ দেখার অধিকার নিয়ন্ত্রণ (Blog Viewer), ই- মেইলের (Email) মাধ্যমে ব্লগে পোস্ট করা ইত্যাদি বিষয় এই সেটিংস অংশ থেকে নিয়ন্ত্রণ (Control) ও প্রয়োগ (Active) করতে পারবো। সেটিংশ অংশটিকে সঠিকভাবে বুঝতে পারলে আপনার ব্লগ হয়ে উঠবে অনেক বেশি পাঠক সহায়ক (User Freindly), ব্রাউজার (Browser) উপযোগী, সার্চ ইঞ্জিনের (Search Engine) নিকট সহজলভ্য ও সাবলীল।

এখানে প্রধান সাবমেনুগুলো (Submenu) হল:
  • Basic
  • Publishing
  • Formatting
  • Comments
  • Archiving
  • Site Feed
  • Email
  • OpenID
  • Permissions
এই সাবমেনুগুলোর (Submenu) প্রত্যেকটিতেই একাধিক সুবিধা (Option) আছে। বিভিন্নরকম বাটন সিলেক্ট করে নানারকমভাবে আপনার ব্লগটির সেটিংস (Blog Settings) এখানে পরিবর্তন করতে পারবেন। প্রথমে রয়েছে:-

(*) Basic: ব্লগের কিছু সাধারণ প্রাথমিক সেটিংস পরিবর্তন করতে পারবেন এখান থেকে। Basic অপশনটির অন্তর্গত সুবিধাগুলো হল:

Title: এখানে আপনার ব্লগের জন্য একটি সুন্দর, উপযোগী নাম লিখুন।

Description: ব্লগটির সামান্য কিছু বর্ণনা এখানে লিখে দিতে পারেন। এই বর্ণনাটুকু পড়ে পাঠকসমাজ আপনার ব্লগ সম্পর্কে একটি প্রাথমিক ধারণা পেতে পারবেন।

Add your blog to our listings?: ব্লগার কোম্পানী আপনার কাছে জানতে চাইছে যে তাদের তালিকায় আপনার ব্লগটিকে রাখতে চান কি না। সাধারণভাবে এর উত্তর হ্যাঁ হবে। এর ফলে আপনার ব্লগটি ব্লগারের তালিকাবদ্ধ হয়ে যাবে। ফলে ব্লগটিকে সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে সহজে ও দ্রুত খুঁজে পাওয়া যাবে।

Let search engines find your blog?: গুগল আপনাকে এই প্রশ্নটি করেছে। গুগল কোম্পানী ব্লগার প্লাটফরমটি পরিচালনা করে। গুগলের প্রধানতম চেষ্টা হল তাদের সার্চ ইঞ্জিনটিকে শক্তিশালী করা। আর এই লক্ষ্যে যত বেশি ওয়েব সাইট বা ব্লগ এই সার্চ ইঞ্জিনের পাঠের আওতায় আসবে, ততবেশি তথ্য সহজলভ্য হবে। আপনার ব্লগটি যদি সার্চ ইঞ্জিন পড়তে না পারে, বা আপনি যদি এই প্রশ্নটির উত্তর 'না' দিয়ে দেন, তাহলে আপনার ব্লগকে গুগল দ্বারা সার্চ করে খুঁজে পাওয়া যাবে না। তাই অনলাইনে আপনার ব্লগটিকে সহজে খুঁজে পাওয়ার জন্য এই প্রশ্নের উত্তর 'হ্যাঁ' দিয়ে দিন।

Show Quick Editing on your Blog?: এটার উত্তরও হবে হ্যাঁ। এর ফলে আপনি ড্যাশবোর্ডে না ঢুকেও ব্লগের ফ্রন্টপেজ থেকে লগইন করে কোন পোস্টকে সম্পাদনা করতে পারবেন।

Show Email Post links?: যদি আপনি এখানে হ্যাঁ সিলেক্ট করেন, তাহলে আপনার ব্লগ পোস্টের ঠিক নিচে একটি ইমেইল করার বাটন থাকবে। এর মাধ্যমে কোন একটি পোস্টকে ব্লগপাঠকরা সরাসরি তাদের বন্ধুকে ই-মেইল করে পাঠাতে পারবে।

Adult Content?: আপনার ব্লগটিতে কি কোন প্রাপ্তবয়স্কদের উপযোগী বস্তু আছে? আপনি কি এমন কোন লেখা লিখেছেন বা এমন কোন ছবি পোস্ট করেছেন, যা অপ্রাপ্তবয়স্কদের উপযোগী নয়। আপনার ব্লগ কি শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য তৈরি করা হয়েছে? এই ব্লগ কি শিশু-কিশোরদের জন্য নয়? যদি এর উত্তর হ্যাঁবাচক হয় তাহলে Adult Contet লেখার পাশে ড্রপডাউন মেনু থেকে হ্যাঁ নির্বাচন করুন। সাধারণভাবে এটা না থাকে।

নিচের দিকের অংশে Global Settings (Applies to all of your blogs.) নামে একটি অংশ আছে। এই অংশের অপশনগুলো আপনার সব ব্লগের জন্য প্রযোজ্য হবে।

Show Compose Mode for all your blogs?: এখানে হ্যাঁ চিহ্নিত করে দিন। এর মাধ্যমে আপনি যেমন দেখছেন ঠিক তেমনভাবেই লেখাগুলো প্রকাশিত হবে। একে সংক্ষেপে wysiwyg editor বলে।

Enable transliteration?: পোস্ট লেখার সময় আপনি যদি ইংরেজিতে লেখেন তাহলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্য ভাষায় পরিবর্তন করার জন্য এই অংশটিকে ব্যবহার করতে হবে। এখনও বাংলা ভাষার জন্য এই সুবিধাটি প্রযোজ্য হয় নি। তাই এখানে আপনার সেট করার মতো কিছু নেই।

Save Settings: সবশেষে Save Settings বাটনে ক্লিক করে আপনার পরিবর্তনগুলো সেভ করে নিন।

আপনি কি কোন কারণে ব্লগটিকে মুছে ফেলতে চান? তাহলে Basic অংশের সর্বনিচের অংশটিকে আপনার ব্যবহার করতে হবে।

Delete This Blog: এই বাটনে ক্লিক করুন। ব্লগারের প্রশ্নের উত্তরে হ্যাঁ বলে ব্লগটিকে মুছে দিন। ব্লগটি মুছে যাওয়ার সাথে সাথে আপনার ড্যাশবোর্ডের তালিকা থেকেও উধাও হয়ে যাবে।

আজ আমরা Settings অংশের শুধুমাত্র Basic অপশনগুলো নিয়ে আলোচনা করলাম। পোস্টের আকার বড় হবার জন্য বাকীগুলো আলোচনা করা সম্ভব হলো না। পারবর্তিতে একে একে বাকি মেনুগুলো নিয়েও আলোচনা করা হবে।

ব্লগারে Edit Posts ও Moderate Comments বাটনের ব্যবহার

EDIT POSTS
ব্লগারের (Blogger) পোস্ট পেজে (Posts Page) থাকা বাটনগুলি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আমরা গত পোস্টে আলোচনা করেছি। ঐ পোস্টে ব্লগারে Edit Posts ও Moderate Comments বাটনের ব্যবহার কিভাবে করতে হয়, তা পরবর্তীতে আলোচনা করবো বলে কথা দিয়েছিলাম। ব্লগারের Edit Posts ও Moderate Comments অংশের কাজ অনেকে কম ব্যবহার করেন, আসলেই এই দুটো অংশ অনেকের কম লাগতে পারে। কিন্তু যদি আপনি এই দুটো অপশনকে (Option) কাজে লাগাতে চান, তাহলে তা খুব কার্যকরীভাবে (Effective) আপনাকে সাহায্য করবে।

যদি কোন লেখাকে প্রকাশ হবার পরবর্তীতে সংশোধন করতে চান, নতুন কোন শব্দ (Word) বা বাক্য (Sentence) বা ছবি (Image) সংযোজন করতে চান, তাহলে তা করতে হবে Edit Posts অংশ থেকে।
আর যদি আপনার ব্লগে করা কোন মন্তব্যকে মডারেট করতে চান, তাহলে তা করতে পারবেন Moderate Comments অংশ থেকে।


ব্লগারে লগইন (Login) করে ড্যাশবোর্ডের (Dashboad) ব্লগনামের (Blogname) পাশে Edit posts লেখা জায়গায় ক্লিক (Click) করলে সরাসরি আপনি উপরের ছবির মতো একটি পেজে চলে আসবেন। এখানে আপনার লেখা ব্লগের পোস্টগুলো তারিখ (Date) অনুযায়ী সাজানো হয়ে থাকবে। এই পেজে কতটি পুরনো লেখা দেখাবে, তার সংখ্যা ডানপাশের Posts Per Page লেখা অংশের পাশের ড্রপ ডাউন মেনু (Drop down menu) থেকে সিলেক্ট করতে পারবেন। ৫, ১০, ২৫, ৫০, ১০০ বা ৩০০টি সংখ্যাক পুরনো পোস্ট দেখার সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।

(*) একটি সার্চ বক্স (Search Box) রয়েছে এই পেজে। এই সার্চ বক্সে কোন শব্দ লিখে তা পুরনো কোন পোস্টে বা পোস্টগুলোতে রয়েছে তা বের করতে পারবেন।

(*) ব্লগারের একটি অনন্য সুবিধা হলো ড্রাফট (Draft) করে রাখা। এই সুবিধাটি আপনাকে কয়েকদিন ধরে একটি পোস্ট লেখার সুবিধা দেবে। আপনি যদি ব্যস্ত (Busy) থাকেন, বা একটি দীর্ঘ পোস্ট (Long post) লিখতে চাচ্ছেন, কিন্তু একদিনে সময় করে উঠতে পারবেন না, তাহলে তা অনায়াসে সম্ভব হবে ব্লগারের এই ড্রাফট সুবিধা দিয়ে।

(*) প্রকাশিত, ড্রাফট করে সেভ করে রাখা, ভবিষ্যতে প্রকাশের জন্য সিডিউল করে রাখা ইত্যাদি প্রকার পোস্ট আলাদা আলাদাভাবে দেখা যাবে Your Posts: All, Drafts, Scheduled, Imported, Published লেখা অংশ থেকে।

(*) ব্লগ লিখতে গিয়ে কি কি ট্যাগ বা ক্যাটাগরি বা লেবেল ব্যবহার করেছেন, তার একটি সম্পূর্ণ তালিকা রয়েছে এই Edit Posts অংশের একেবারে বাম পাশে। নির্দিষ্ট লেবেলের উপরের ক্লিক করে সেই লেবেলভুক্ত পোস্টগুলোকে একবারে দেখা সম্ভব।

(*) প্রত্যেকটা পোস্টের বামপাশে রয়েছে Edit এবং View, এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট লেখাটিকে সম্পাদনা (Edit) করতে পারবেন, বা পেজভিউ (Page view) এর মতো করে দেখতে পারবেন। পোস্টের ডানে কতটি মন্তব্য করা হয়েছে তা লেখা থাকে। আর একেবারে ডানপাশে রয়েছে কত তারিখে (Date) পোস্টটি প্রকাশিত (Published) হয়েছে তা। আর একেবারে ডানে রয়েছে Delete বাটন। এর মাধ্যমে আপনি নির্দিষ্ট পোস্টটিকে চিরতরে মুছে ফেলতে পারবেন। মনে রাখতে হবে যে একবার মুছে ফেললে সেই পোস্ট আর ফিরে পাওয়া (Recover) যাবে না। তাই মুছে ফেলার আগে অন্ততঃ ড্রাফট হিসেবে সেভ (Save) করে কয়েকদিন রাখুন। পরে আর একবার চিন্তা করে দেখবেন, পোস্টটি সত্যিই মোছার প্রয়োজন, নাকি সংশোধন করা সম্ভব।

(*) বামপাশে উপরে লেখা New Post নামক বাটনটি দিয়ে আপনি নতুন পোস্ট লেখা শুরু করতে পারবেন।

MODERATE COMMENTS
এই অংশে আপনার ব্লগে করা মন্তব্যগুলিকে (Comments) দেখতে পারবেন। কোন মন্তব্যকে বাতিল বা গ্রহণ ইত্যাদি সিদ্ধান্ত (Moderate) নিতে পারবেন। তবে সবকিছুই সম্ভব হবে যদি সেটিংস (Settings) মেনুতে অবস্থিত Comments অপশনটি (Option) আপনি সঠিকভাবে টিউন (Tune) করেন। এই অংশটি বুঝতে হলে আপনাকে সেটিংস অংশের আলোচনা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আমাদের সাথে থাকুন। যত দ্রুত সম্ভব ব্লগারের সেটিংস অংশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা নিয়ে হাজির হবো।

আপডেট: সেটিংস এর মন্তব্য করার বিভিন্ন অপশন আলোচনা করা হয়েছে

ব্লগারে নতুন পোস্ট লেখার অপশনসমূহ

ইতিমধ্যে আমরা ব্লগারে ব্লগ লেখার বা নতুন লেখা পোস্ট (New Post) করার প্রাথমিক পদ্ধতি জেনে গেছি। আজ পোস্ট লেখার পেজের বিস্তারিত (Details) পরিচয় জানবো। ড্যাশবোর্ডে (Dashboard) আপনার ব্লগের নিচে লেখা আছে New Post, এখানে ক্লিক করুন (Click)। একটি নতুন পেজে চলে আসবেন। এই পেজটিই হলো আপনার নতুন পোস্ট লেখার জায়গা।

পরিমাণে অল্প কিন্তু শক্তিশালী কিছু অপশন (Option) দিয়ে এই পেজটি সাজানো। অপ্রয়োজনীয় (Unnecessary) বা কম প্রয়োজন (Rarely used) হয় এমন সব অপশনগুলোকে বাদ দিয়ে দেয়া হয়েছে। অল্পকিছু অপশন থাকার কারণে এই পেজটি ওয়ার্ডপ্রেসের চাইতে বেশি দ্রুত লোড (Faster Load) হয়।
লক্ষ্য করুন, উপরে New Post লেখা অংশটির পাশে Settings ও Layout লেখা আছে। অর্থাৎ পোস্ট লিখেই আপনি এখান থেকে সরাসরি Settings ও Layout অংশে চলে যেতে পারবেন।

এখানে Title লেখার পাশের ফাঁকা জায়গায় আপনার লেখার জন্য একটি উপযুক্ত নাম (Post Title) লিখুন। নাম লিখতে একটু সতর্কতার প্রয়োজন রয়েছে। কারণ এই নাম পড়েই পোস্টটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে একটি সাধারণ ধারণা পাঠকগণ (Reader) পাবেন। তারা পোস্টটি পাঠ করতে আগ্রহী হবেন কি না, তা এই নাম দেখেই বোঝা যাবে।

Title লেখা অংশের নিচের বড় ফাঁকা জায়গায় আপনার পোস্টটি লিখতে হবে। এখানে পোস্ট লেখার জায়গাটির মাথার উপর দিয়ে একটি লম্বা অংশে ব্লগারের লেখাকে সাজানো ও পাঠকের সামনে উপস্থাপন করার জন্য প্রয়োজনীয় সবকটি উপকরণ রয়েছে।
(*) এখানে Font লেখা ড্রপডাউন মেনু থেকে লেখায় কোন ফন্ট ব্যবহার করবেন তা নির্দিষ্ট করে দিতে পারবেন।
(*) TT লেখা অংশের ড্রপডাউন মেনু থেকে লেখার আকার বড় ছোট করতে পারবেন।
প্রত্যেকটা বাটনে Tooltip রয়েছে, ফলে যে কোন একটা বাটনের উপর মাউজের পয়েন্টারটিকে নিয়ে গেলে সেই বাটন কি কাজ করতে পারে, তা লেখা পড়ে বোঝা যাবে। দুইভাবে বাটনগুলি ব্যবহার করতে পারেন। অবশ্য সব কটি বাটনেরই ব্যবহার দুই প্রকারে করতে পারেন। প্রথম প্রকারে বাটনটি প্রেস করে লেখা শুরু করলে কমান্ড (Command) অনুযায়ী লেখা পরিবর্তিত হবে। দ্বিতীয় প্রকারে লেখাকে সিলেক্ট করে বাটনটি প্রেস করলে সেই বাটন অনুযায়ী কমান্ড বাস্তবায়ন হবে।
(*) b: এই বাটন দিয়ে লেখাকে মোটা (Bold) করতে পারবেন।
(*) i: এই বাটনটি দিয়ে লেখাকে বাঁকা (Italic) করতে পারবেন।
(*) এর পরের বাটন দিয়ে লেখাকে রঙিন (Color) করতে পারবেন।
(*) শিকলের ছবিযুক্ত বাটন দিয়ে কোন একটা লিংক (Link) লেখার মধ্যে বসাতে পারবেন। ওয়ার্ডপ্রেসের (Wordpress) তুলনায় ব্লগারের লিংক বাটনটির গতি অনেক বেশি। লিংক বসানোর অংশটি খুব দ্রুত লোড হয়।
(*) লেখার মার্জিন (Margine) ঠিক করতে পারবেন এর পরের চারটি বাটন দিয়ে।
(*) নাম্বারিং (Numbering) বা বুলেট (Bullet) লাগানো যাবে পরবর্তী বাটনগুলো দিয়ে।
(*) ইংরেজিতে লিখলে বানান ঠিক করতে পারবেন টিক চিহ্ন ও ABC লেখা বাটনটি দিয়ে।
এর পাশের বাটনগুলি হলো ছবি (Picture) ও ভিডিও (Video) আপলোড (Upload) করার বাটন।
ওয়ার্ডপ্রেসের চাইতে অনেক বেশি দ্রুততর এই বাটনগুলো দিয়ে আপনি অতিসহজে ব্লগারে কোন ছবি বা ভিডিওকে আপলোড করতে পারেন। ওয়ার্ডপ্রেস (Wordpress) আপনাকে কোন ভিডিও (Video) সরাসরি ব্লগে আপলোড করার সুযোগ দেয় না। কিন্তু ব্লগারে এই সুযোগ আপনার জন্য রয়েছে অবারিত।
(#) ছবি আপলোড করার জন্য পাহাড় ও নীলাকাশের ছবিযুক্ত বাটনটি প্রেস (Press) করুন। নিচের মতো একটি অংশ আসবে।
এখানে Add an image from your computer অংশে ব্রাউজ করে আপনার কম্পিউটারে (Computer) রক্ষিত যে ছবিটিকে পোস্টে (Post) সংযুক্ত করতে চান, তা চিহ্নিত করুন। একটি ছবি হলে একটি আর যদি একাধিক ছবি হয় তাহলে Add another image অংশে ক্লিক করুন। আর একটি ব্রাউজ অংশ আসবে। এখানে কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে (Computer Harddisk) থাকা আরও একটি ছবিকে চিহ্নিত করে দিতে পারবেন। এভাবে সর্বমোট পাঁচটি ছবি আপনি একসাথে ব্লগারের ব্লগে সংযুক্ত করতে পারবেন।

আপনি যদি ওয়েবে থাকা কোন ছবিকে ব্লগারে সংযুক্ত করতে চান, তাহলে add an image from the web লেখা অংশের বক্সে ছবির ডাইরেক্ট লিংকটি (Direct Web Link) প্রদান করুন।
ছবিটিকে পোস্টের বামে-ডানে নাকি মাঝখানে রাখতে চান (Alignment) তা Choose a layout অংশে সিলেক্ট করুন। কোন অংশে রাখতে না চাইলে None লেখা অংশটিতে ডট মার্ক দিয়ে দিন।
Image size: পোস্টে ছবির আকার কত বড় দেখাবে তা চিহ্নিত করতে পারবেন এখান থেকে। সবশেষে UPLOAD IMAGE বাটনে ক্লিক করে ছবিটিকে আপলোড করুন।

(#) ব্লগারে ভিডিও আপলোড (Video Upload/ Hosting) করাও কঠিন কিছু নয়। ফিল্মের (Film) ছবির মতো বাটনটিকে ক্লিক করলে ভিডিও আপলোড করার অপশন আসবে।
কম্পিউটারে থাকা কোন ভিডিওকে Brouse বাটনে ক্লিক করে দেখিয়ে দিন। এরপর Video Title লেখা অংশে আপনার ভিডিওটির একটি নাম দিন। I agree to the Upload Terms and Conditions লেখা অংশের বামপাশে টিক (Tick) চিহ্ন দিন। এবার UPLOAD VIDEO লেখা বাটনে ক্লিক করে আপনার পছন্দের ভিডিওটিকে ব্লগে আপলোড করে ফেলুন।
(#) সব শেষে রয়েছে ইরেজার বাটন। এই বাটনের মাধ্যমে আপনি যেকোনরকমের ভুল কোডকে মুছে ফেলতে পারবেন।

পোস্ট লেখার অংশের নিচে রয়েছে ব্লগারের ট্যাগ (Tag) ও তারিখ (Date) সংশোধনের বাটনসমূহ।
ওয়ার্ডপ্রেসে (Wordpress) যেমন আপনি ট্যাগ (Tag) এবং ক্যাটাগরি (Category) আলাদা আলাদাভাবে লিখতে পারতেন, ব্লগারে তেমন সম্ভব নয়। এখানে শুধুমাত্র ট্যাগ লিখতে পারবেন। আসলে ব্লগার এর প্রোগ্রামাররা 'ট্যাগ' এবং 'ক্যাটাগরি'কে আলাদা কোন কিছু বলে মনে করেন না। তারা এর একটি আলাদা নাম রেখে দিয়েছেন। তা হল Label, এই পোস্টটিতে কোন কোন লেবেল প্রযোজ্য হবে তা পূর্বে লেখা লেবেলগুলির মধ্য থেকে সিলেক্ট (Select) করতে পারেন, কিংবা নতুন করেও লিখে দিতে পারেন।

# পোস্টের এই নিচের অংশ থেকে পোস্টের তারিখ সংশোধন করে দিতে পারেন। যদি পুরোনো তারিখ লিখে দেন, তাহলে পুরনো আর্কাইভে (Archive) এই লেখাটি সেভ (Save) হয়ে যাবে। আর যদি ভবিষ্যতের কোন তারিখ লিখে দেন, তাহলে তা ভবিষ্যতের ওই নির্দিষ্ট তারিখের নির্দিষ্ট সময়ে প্রকাশ হবার জন্য সিডিউল হয়ে থাকবে।

সবশেষের SAVE NOW বাটনে প্রেস করে লেখাটিকে এই মুহূর্তের জন্য সেভ করে রাখতে পারেন, কিংবা PUBLISH POST বাটনে ক্লিক করে এক্ষুনি প্রকাশ করে ফেলতে পারেন।
ব্লগারে নতুন পোস্ট লেখার বিভিন্ন অপশন নিয়ে আজ বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। আগামীতে এই Posting পেজের মাঝে থাকা Edit Posts ও Moderate Comments অংশ নিয়ে আলোচনা করবো।

ব্লগারের ড্যাসবোর্ড পরিচিতি

আমরা ইতিমধ্যে ব্লগারে (Blogger) কিভাবে ব্লগ (Blog) খুলতে হয়, তার বিস্তারিত তথ্য জেনে গেছি (পোস্ট ১, পোস্ট ২, পোস্ট ৩, পোস্ট ৪) । আজ আমরা ব্লগারের ড্যাশবোর্ড (Dashboard) সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানবো। এই ড্যাশবোর্ড অংশটিই হলো ব্লগারে আপনার একাউন্টের (Account) কন্ট্রোল প্যানেল (Control Panel)। ব্লগারে একাউন্ট খুললে (দ্বিতীয় পদ্ধতি) এইরকম একটি পেজ আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে (Automatic) পেয়ে যাবেন। এখানে আপনি আপনার ব্লগের একটি তালিকা (Blog List) ও সেই ব্লগকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য প্রয়োজনীয় বাটনগুলো (Button) পেয়ে যাবেন।



ব্লগারে (Blogger) লগইন (Login) করুন। এটা দু'ভাবে হতে পারে। জিমেইলে (G Mail) লগইন করার পর ফায়ারফক্সে (Firefox) আরেকটা ট্যাব (Tab) নিয়ে সেখানে যদি ব্লগার.কম (Blogger.com) লিখে দেন তাহলে আপনি ব্লগারের ড্যাশবোর্ডে (Dashboard) স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রবেশ করবেন। ছবিতে দেখুন উপরের ডানপার্শ্বে রয়েছে বেশ কিছু প্রয়োজনীয় বাটন। যেখানে আপনার ই মেইল এড্রেস (E Mail Address) লেখা আছে তার ডানপার্শ্বে রয়েছে চারটি বাটন। Dashboard | My Account | Help | Sign out
এই চারটির মধ্যে প্রথমটির মধ্যে আপনি রয়েছেন। MY Account ও Help অংশ নিয়ে আমরা পরবর্তীতে আলোচনা করবো।
Manage Blogs (35 total): এখানে আপনার ব্লগগুলোর একটি তালিকা (Bloglist) দেখাবে। ৩৫ লেখা থাকার কারণ এই ড্যাশবোর্ডের অধীনে ৩৫টি ব্লগ রয়েছে। যার একাউন্টে (Account) যতগুলি ব্লগ খোলা হবে, তার একাউন্টে ততো সংখ্যা লেখা থাকবে।
এই বরাবর ঠিক ডানপার্শ্বে লেখা রয়েছে Create a Blog – Help: এখানে Create a Blog লেখাটিতে ক্লিক করে এই নিয়মে আরেকটি ব্লগ তৈরি করতে পারেন।
Manage Blogs লেখা অংশের নিচে আপনার তৈরিকরা বা অংশগ্রহণ করা ব্লগগুলির একটি তালিকা। প্রত্যেকটা ব্লগের জন্য রয়েছে স্বতন্ত্র ড্যাশবোর্ড (Dashboard), এতে রয়েছে: New Post– Edit Posts – Settings – Layout – View Blog
New Post: আপনি এই বাটনে ক্লিক (Click) করে নতুন পোস্ট (New Post) লেখা শুরু করতে পারেন।
Edit Posts: এই অংশটি আপনাকে আপনার লেখা পূর্বের কোন পোস্ট সংশোধন (Edit) করতে সহায়তা করবে।
Settings: এখানে আপনি আপনার এই ব্লগটির যাবতীয় সেটিংস পরিবর্তন (Change Settings) করতে পারবেন। এই অংশটি আপনার ব্লগের নিজস্ব কন্ট্রোল প্যানেলের (Control Panel) কাজ করবে।
Layout: এখানে থাকা বিভিন্ন অপশন দিয়ে আপনি আপনার ব্লগের সৌন্দর্য তথা টেমপ্লেট (Template) পরিবর্তন করতে পারবেন। বিভিন্ন রঙ ও ডিজাইন দিয়ে সাজিয়ে তুলতে পারবেন আপনার প্রিয় ব্লগটিকে।
View Blog: এই বাটনটা আপনার ব্লগের সরাসরি লিংক Link) ঠিকানা। এখানে ক্লিক করে বিভিন্ন সেটিংস (Settings) পরিবর্তন করার পর ব্লগটিকে কেমন দেখাচ্ছে তা পরীক্ষা করে নিতে পারবেন।

ড্যাশবোর্ডের একেবারে বামপার্শ্বে রয়েছে আপনার প্রোফাইল (Profile) অংশ। এখানে থাকা বিভিন্ন বাটন (Button) দিয়ে আপনার প্রোফাইলকে সংশোধন, পরিবর্তন, সম্পাদনা (Edit) করতে পারবেন। আপনি যে ছবিটি (Picture/ Photo) সকলকে দেখাতে চান, তা এই অংশের মাধ্যমে আপনার প্রোফাইলে সংযোজন করতে হবে। আপনার ব্লগ তালিকা (Blog List), নাম (Name), ঠিকানা (Address), রাশি (Astrological Sign), জন্মতারিখ (Birth date), পেশা (Occupation) ইত্যাদি বিষয়ে অন্যদেরকে আপনি যে সব তথ্য (Information) জানাতে চান তা এই অংশের মাধ্যমে প্রোফাইলে প্রবেশ করাতে হবে। আসলে এই প্রোফাইলটি হলো আপনার পরিচিতি (Identity)। আপনি ঠিক কিভাবে অন্যের সামনে উপস্থাপিত হতে চান, আপনি অন্যের সামনে আপনার ঠিক কোন পরিচিতিটি উন্মোচন করতে চান, তাই হলো প্রোফাইল। তাই প্রোফাইল (Profile) অংশে তথ্য প্রদান করতে গিয়ে সতর্ক থাকুন। আপনার ভাবমূর্তির কোনরূপ পরিবর্তন হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে নিঃসংশয় হোন।
 

পাঠকের প্রতিক্রিয়া

কিছু কথা

সফটওয়ার ও ওয়েবওয়ারের বিভিন্ন টিপ্‌স, টিউটোরিয়াল, হ্যাক্‌স, টেমপ্লেট বা থিম্‌স ইত্যাদি নিয়েই আমি ব্লগ লিখছি। আমার প্রধান আগ্রহ ব্লগিং টিপস। এছাড়াও প্রযুক্তির বিচিত্র বিষয় নিয়ে মত বিনিময়, সমস্যা ও তার সমাধান এবং আলোচনা করার জন্য এই ব্লগ খুলেছি। আশা করি আপনি নিরাশ হবেন না। এই ব্লগের সব লেখাগুলো যেকোন মিডিয়ায় এই লাইসেন্সের আওতায় প্রকাশ করতে পারবেন। বিস্তারিত পড়ুন....

Search This Blog

© 2009-2014 Bangla Hacks | Design by: Bangla Hacks. Powered by: Blogger