Showing posts with label ইমেইল. Show all posts
Showing posts with label ইমেইল. Show all posts

কিভাবে সঠিক ও কার্যকরী পাসওয়ার্ড তৈরি করা যায়

দিনে দিনে আমরা যতোবেশি অনলাইন নির্ভর যাপন করছি, ততোই বাস্তব জীবনের মতো অনলাইন জীবনের (Online Life) নিরাপত্তাও নানারকম অপরাধীদের অত্যাচারে বিঘ্নিত হচ্ছে। Web2 এর সুবিধা নিতে গিয়ে ইদানীং আমরা বিভিন্ন সাইটে নিজেদের নাম, ঠিকানা, পাসওয়ার্ড দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করছি। আর সাইবার অপরাধীরা আমাদের সরলতার সুযোগ নিয়ে আমাদের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে। চেষ্টা করছে অর্থনৈতিক ক্ষতি করার।

সাইবার অপরাধী (Cyber criminal) তথা নীতিহীন হ্যাকাররা (Unethical hackers) আমাদের পাসওয়ার্ড চুরি করার জন্য সবসময় মুখিয়ে থাকে। তাই পাসওয়ার্ড রক্ষা করাটা অনলাইন জীবনে সতর্কতার একটি আবশ্যক অঙ্গ হয়ে পড়েছে। এই জটিল সমস্যা থেকে যেন কোন মুক্তি নেই। কিন্তু আমরা যদি একটু সচেতন থাকি, তাহলে নিজেদের পাসওয়ার্ড চুরি হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারি।
Day by day online life is going to face very critical situation.
Phishing এই শব্দটি হ্যাকারদের সৌজন্যে প্রায়ই খবরের শিরোনাম হচ্ছে। এটা খুবই একটি সাধারণ পদ্ধতি যার মাধ্যমে আপনার একাউন্টের যাবতীয় তথ্য তারা হাতিয়ে নিয়ে নেয়। তাই বিভিন্ন সাইটে নিজের অনলাইন একাউন্টের তথ্যাবলী নিরাপদ রাখতে কিছু সাধারণ অভ্যাসে এখন থেকেই অভ্যস্ত হয়ে উঠতে হবে। এই বিষয়ে অফিসিয়াল জিমেইল ব্লগে সম্প্রতি একটি সতর্কবার্তা প্রকাশ করা হয়েছে।
Phishing is a common word which is coming in news by unethical hackers.
এই বিষয়ে অফিসিয়াল জিমেইল ব্লগের প্রধান পরামর্শগুলো হল:
১। একই পাসওয়ার্ড বেশিদিন ব্যবহার করবেন না। নিয়মিত পরিবর্তন করুন।
২। সিকিউরিটি প্রশ্নটাকে পরিবর্তন বা জটিল করে তুলুন।
৩। সেকেন্ডারি ইমেইল ঠিকানা ব্যবহার করুন।
৪। সবচাইতে আধুনিক ও নির্ভরযোগ্য ব্রাউজার ব্যবহার করুন। ফায়ারফক্সের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সবচাইতে শক্তিশালী। এখানে ক্লিক করে এখনই ডাউনলোড করুন।
The best and security featured browser is firefox.
নিজেকে নিরাপদ রাখতে সবচাইতে সঠিক ও কার্যকরী পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করাটাই প্রথম পদক্ষেপ। আর তাই দেখা গেছে অনেক ভালো পাসওয়ার্ড ব্যবহারকারীকে যথোপযুক্ত নিরাপত্তা দিতে সক্ষম হয়নি। এক্ষেত্রে নিকটজনরাই ক্ষতি করেছে সবচাইতে বেশি। ফলে যে পাসওয়ার্ডটি আপনার কাছে হয়তো জটিল মনে হয়েছে, তা জেনে ফেলা নীতিহীন হ্যাকারদের কাছে অতটা কঠিন মনে হয়নি। তাই এমন একটি পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন, যা আপনার কাছে মনে রাখা সহজ হলেও হ্যাকাররা যেন তা আন্দাজ করতে না পায়। এরকম কিছু পাসওয়ার্ডের পরামর্শ আজ আমি আপনাদের সামনে আলোচনা করবো। Don't use same password in various site. Use unique password for every network site.
সমস্যা ০১: একই পাসওয়ার্ড বিভিন্ন জায়গায় ব্যবহার করা
দেখা গেছে যে অনলাইনের বিভিন্নরকম সার্ভিস যারা ব্যবহার করেন, তারা সবক্ষেত্রেই একই পাসওয়ার্ড প্রদান করছেন। ইমেইল, অনলাইন ব্যঙ্কিং, সামাজিক সাইট, অনলাইন দোকান সবজায়গায় একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা খুবই বিপদজনক। যদি কেউ এই পাসওয়ার্ডটি কোনরকমে জেনে ফেলে, তাহলে তার পক্ষে সমস্ত তথ্য, তথা ব্যক্তিগত মেইল, বিভিন্ন গোপন তথ্য এমনকি আপনার টাকার খোঁজ পাওয়াটাও সহজ হয়ে যাবে। Never share your personal data with unwanted person. He or she can steal your everything.
সমাধান: সবসময় অনন্য পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন
গুরুত্বপূর্ণ একাউন্টগুলোতে আলাদা আলাদা অনন্য পাসওয়ার্ড ব্যবহার করাটা ভালো অভ্যাস। ইমেইল, ব্যঙ্কিং বা টাকাপয়সা লেনদেন হয় বা ব্যক্তিগত পরিচিতি থাকে এমন কোন সার্ভিসে আলাদা আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। যখন যে সাইটের একাউন্ট তৈরি করবেন, তখন সেই সাইটের সাথে সম্পর্কিত কোন শব্দ কল্পনা করুন। এই শব্দটির সাথে মিলে আরও কোন শব্দ বেছে নিন। দুটোকে একসাথে মিলিয়ে ফেলুন। উল্টেপাল্টে দিন। ঠিক হুবহু কোন শব্দ ব্যবহার করবেন না। যেমন Facebook হলে bookface ব্যবহার করতে পারেন বা তার সাথে সম্পর্কিত কোন বাক্য ভাবতে পারেন। আপনার পছন্দের সাইটটির নাম কিংবা কল্পনায় যে বাক্যটি ভাবছেন, তা যদি অনেক বড় হয়, তাহলে শব্দগুলোর প্রথম বর্ণগুলোকে একখানে করুন। এই পাসওয়ার্ডটিকে শক্তিশালী করার জন্য মাঝের কয়েকটি শব্দ বড়হাতের (Uppercase) করুন, মাঝে মাঝে দুএকটি সংখ্যা বা চিহ্ন বসিয়ে দিন। যেমন বাক্যটি যদি এমন হয় যে I love Bangla very much তাহলে পাসওয়ার্ডটি এভাবে তৈরি করুন: i4L(b)V-m# এই পাসওয়ার্ডটি যদিও মাত্র ১০টি বর্ণের, তারপরও কিন্তু জটিলতার দিক থেকে এটা খুবই শক্তিশালী। (হুবহু এই পাসওয়ার্ডটি কোথাও ব্যবহার না করার জন্য অনুরোধ রইল)Made a longer password which is hard to guess. Use letters, numbers, or symbols, wildcard, numerics and uppercase or lowercase letters to build a smart password.
সমস্যা ০২: অভিধানে প্রাপ্ত সাধারণ কোন শব্দ ব্যবহার করা
এই ধরণের ক্ষেত্রে দেখা যায়, অভিধানে বা জনপ্রিয় সাহিত্যের কোন বইয়ে প্রাপ্ত সাধারণ কোন শব্দ পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যেমন password, dhakacity ইত্যাদি। কিবোর্ডের ধারাবাহিক শব্দ যেমন qwertyu, asdfgh, qazwsx ইত্যাদি অথবা বর্ণানুক্রম বা সংখ্যানুক্রম যেমন abcdefg, 123456 ইত্যাদি অনেকে ব্যবহার করেন। এই ধরণের পাসওয়ার্ড ব্যবহার সম্ভাবনার সূত্র ব্যবহার করে সহজেই বের করা যায়। Combine some number, letter, random phrase etc. and make it more then 10 character long.
সমাধান: বর্ণ, সংখ্যা ও চিহ্নের সংমিশ্রণে পাসওয়ার্ড তৈরি করুন।
মনে রাখুন যে শুধুমাত্র ছোট হাতের ৮টি ক্যারেক্টার দিয়ে ২৬^8টি সম্ভাব্য পাসওয়ার্ড তৈরি করা যায়। কিন্তু যদি ছোট হাতের বা বড় হাতের মিশ্র বর্ণ, সংখ্যা, চিহ্ন দিয়ে সম্ভাব্য পাসওয়ার্ডের সংখ্যা ৯৪^৮টি। এতগুলো সম্ভাব্য সূত্র মেলানো অনেক বড় হ্যাকারের পক্ষেও খুব কঠিন।

সমস্যা ০৩: ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে পাসওয়ার্ড তৈরি করা
আমরা অনেকেই বন্ধু এবং সহকর্মীদের সাথে ব্যক্তিগত তথ্য বিনিময় করি। স্বামী/ স্ত্রী, সন্তানের নাম, এলাকার নাম, প্রিয় কোন ব্যক্তি বা বস্তুর নাম কমবেশি পরিচিত সবারই জানা থাকে। জন্মতারিখ, ফোন নাম্বার অথবা বাড়ির ঠিকানাও জানা থাকে বন্ধুদের। তাই পাসওয়ার্ড তৈরি করার সময় এই বিষয়গুলো এড়িয়ে যান। Don't use your familly person's information to make a smart, perfect harder password.
সমাধান: এমন একটি পাসওয়ার্ড তৈরি করুন যা আন্দাজ করা কঠিন
ব্যক্তিগত তথ্যর সাথে সম্পর্কহীন বিভিন্নরকমের বর্ণ, সংখ্যা এবং চিহ্ন দিয়ে পাসওয়ার্ড তৈরি করুন। এলোমেলো বর্ণ, চিহ্ন ও সংখ্যা দিয়ে পাসওয়ার্ড তৈরি করলে তা জেনে ফেলা খুব কঠিন হয়ে পরে। তাই একটি শব্দ ভেবে নিয়ে তার মাঝের দুয়েকটি বর্ণ বড়হাতের করে দিন। দুই একটি সংখ্যা ও চিহ্ন বসান। ১৫ থেকে ২০টির বেশি ক্যারেক্টার ব্যবহার করুন।
যেমন g9o-o>Gl#eBl~g=gE,rb$lo=G< এই পাসওয়ার্ডটি যে কতটা কঠিন তা হ্যাকাররাই ভালো বুঝতে পারবেন। (হুবহু এই পাসওয়ার্ডটি কোথাও ব্যবহার না করার জন্য অনুরোধ রইল)
 This is an another bad habit to write down password anywhere.
সমস্যা ০৪: পাসওয়ার্ড লিখে রাখা এবং তা কোন খোলামেলা জায়গায় রাখা
এটা আরেকটা সাধারণ অভ্যাস যা আমরা অনেকেই করে থাকি। অনলাইনে কারও যদি অসংখ্য একাউন্ট থাকে। যদি তিনি বিভিন্নরকম সাইটে নিয়মিত ভ্রমণ করেন, তাহলে পাসওয়ার্ডের পরিমাণ দিনে দিনে বেড়ে যেতে বাধ্য। সেক্ষেত্রে হয়তো তিনি বাধ্য হয়েই সবগুলো পাসওয়ার্ড কম্পিউটারে কিংবা কাগজে লিখে রেখে সংরক্ষণ করেন। সমাধান: এমন কোন জায়গায় পাসওয়ার্ডগুলো রাখুন যা সহজে দৃষ্টিগোচর হয়না। আপনাকে যদি পাসওয়ার্ডগুলো লিখে রাখতেই হয়, তাহলে তা এমন কোন জায়গায় রাখুন যা সহজে বোঝা বা দেখা যায় না। কাগজে লিখলে ড্রয়ারে তালাবদ্ধ করে রাখুন। আর কম্পিউটারে যদি লিখে রাখেন তাহলে ফাইলটির নাম এমন কিছু রাখুন যা থেকে মানুষ তেমন কিছু ধারণা করতে পারবে না। My password জাতীয় কোন নাম দেবেন না। পারলে ফাইলটিকে Hidden করে রাখুন। সমস্যা: পাসওয়ার্ড নতুন করে সেট করা এত বেশি সাইটে আমরা সংশ্লিষ্ট হয়ে গেছি যে অনেক সময় জটিল করে সেট করা পাসওয়ার্ডটি মনে করা সম্ভব হয়না। সেক্ষেত্রে আমরা নতুন পাসওয়ার্ড তৈরি করার অপশন ব্যবহার করি। সেক্ষেত্রে প্রদত্ত ইমেইল ঠিকানায় নতুন আর একটি পাসওয়ার্ড পাঠিয়ে দেয়া হয় কিংবা গোপন প্রশ্নটি করা হয়। যে ঠিকানায় ইমেইলে নতুন পাসওয়ার্ড পাঠানো হবে, তা অন্য কাউকে জানানো থেকে বিরত থাকুন। যে গোপন প্রশ্নটি আপনাকে করা হবে তার উত্তর যেন কেউ আন্দাজ করতে না পারে এমন করে প্রদান করুন। তবে কোন কোন প্রশ্ন আছে যার উত্তর অন্যের পক্ষে আন্দাজ করা খুব সহজ। যেমন: আপনার বাড়ি কোথায়? এই প্রশ্নের উত্তর পরিচিত সবাই জানে। তাছাড়াও জেনে নেয়া কঠিন নয়। সেক্ষেত্রে আপনার এলাকার নাম প্রদান করার সময় তাতে একটু পরিবর্তন আনুন। যেমন Dhaka হলে Dha#ka@ এভাবে রাখুন। সেক্ষেত্রে যিনি পাসওয়ার্ড চুরি করতে যাবেন, তিনি গোপন প্রশ্নের উত্তর জানলেও তা কিভাবে লিখতে হবে তা না জানার কারণে আপনার কোন ক্ষতিই করতে পারবে না।

আশা করি অনলাইনে নিজের একাউন্টের নিরাপত্তা বাড়ানোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় সতর্কবার্তাটি আপনাদের কাছে পৌছে গেছে। এখন পরামর্শ অনুযায়ী নিজের পাসওয়ার্ডটি নিজেই আরেকবার পরীক্ষা করে দেখুন তো তা সত্যিকারের জটিল কিনা? না হলে বুঝতে হবে, নিজের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার হাতিয়ার আপনি নিজেই অপরাধীদের হাতে তুলে দিয়েছেন।

লেখাটি অফিসিয়াল জিমেইল ব্লগ থেকে নেয়া।

একটি স্ক্যামমেইলের উদাহরণ: সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রকাশ করলাম

স্ক্যামমেইল (Scam mail) পাননি এমন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর (Internet User) সংখ্যা খুবই কম। নেই বললেই চলে। ইন্টারনেট জগৎ (Internet world) যত লোকারণ্য হয়ে উঠছে, ততই এদের দৌরাত্ম বেড়ে যাচ্ছে। মানুষকে বোকা বানাবার যতরকম কৌশল আছে, তার সবগুলোই তারা নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য প্রয়োগ করে।

সাধারণত স্ক্যামাররা বিভিন্ন রকম সার্চবট (Search Bot) ব্যবহার করে ইমেইল ঠিকানা (Email Address) সংগ্রহ করে। তারা নিজেরাও অনেক সময় জানেনা সংগৃহীত ইমেইল ঠিকানাটি নিয়মিত ব্যবহার করা হয় কি না। আপনি যদি এই ধরণের ইমেইলের উত্তর দেন, তাহলে তারা জেনে যাবে যে ঠিকানাটি সক্রিয় আছে। তখন শুরু হবে সত্যিকারের বিপদ। নানারকমের অফার, প্রলোভনের ফুলঝুরি নিয়ে তারা হাজির হয়ে যাবে। যারা ইন্টারনেট জগতে নতুন, তারা সহজেই এইসব প্রতারকদের ফাঁদে পা দেয়। ফলে অনেকেই মোটা অংকের অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়।
This is an example of spam mail. I am publishing it for consciousness.
নতুন ব্যবহারকারীকে সচেতন করার জন্য এরকম একটি স্ক্যাম মেইল আমি নিচে সম্পূর্ণ প্রকাশ করলাম। যারা একটু আগে থেকে ইমেইল ব্যবহার করছেন, তারা জানেন যে এই ধরণের মোটা টাকার অফারের প্রস্তাব দেয়ার পদ্ধতিটি বেশ পুরনো। এখন বরং প্রেমের প্রস্তাব, সাবস্ক্রিপশন অফার, আনসাবস্ক্রাইব করুন ইত্যাদি মনভোলানো, ঘোরালো প্যাঁচালো কথার প্রলোভনে মানুষকে বোকা বানানোর চেষ্টা করা হয়।
Beware of spammer. New internet user don't know their cheating style.
গতকাল আমার এক বন্ধু যে স্ক্যাম মেইলটি পেয়েছেন সেটা তাদের দেয়া ইমেইল ঠিকানাসহ সম্পূর্ণ প্রকাশ করলাম। প্রিয় পাঠক কেউ প্রদত্ত ইমেইল ঠিকানাগুলোতে কোন মেইল পাঠাবেন না। তাহলে ধরা খাওয়ার সম্ভাবনা ১০০ তে ১০০ ভাগ নিশ্চিত।
They should not answer any spam mail like this one. We should prevent this kind of scamming.
From: Manbo Abdul
Date: Tue, 29 Sep 2009 23:50:41 +0800
Subject: Assalamalaikum,
To: **********@gmail.com

Assalamalaikum,

Hello Dear,

complinment of the day?,

I am Ali M.B. Mohammed aged 25 years from the Republic of Sudan in Darfour region now seeking asylum in Kuala Lumpur, Malaysia under the (U.N.H.C.R.) camp ground, malaysia. Actually I do not know you before but I got your contact as a in search of a trustworthy person. My late Farther Capt. Bamanga Abdulrazeez was one of the senior officials of revolutionary united front of Sudan (RUF) who died on 18/12/2000 with some of his colleagues during a crossfire battle between the RUF and the peace keeping forces inSudan which include ECOMOG, British Army and U.N troops.

In brief i have the sum of US$7,000,000.00 (Seven million USdollars) which we want to invest in your country through your guidance. This money was deposited by my late Farther in a Private Security Firm now, which i was made the beneficiary and the next of kin as the only son of the family. Because of the present situation in my country Sudan in Darfour Region, I left my country recently for safety as the present government of Ahmed E-Bashir is probing all families relating to the revolutionary united fronts which my Father was a key member.

Am in desperate need of your assistance both in evacuationand dislodgment of this money to your country and advice on a profitable business venture to invest this money as i believe that your country is more politically and economically stabilised for any investment through your professional advice. I have proposed 20% of the total sum for all necessary assistance and protection i may need in your country.

Please treat this matter as highly personal because all my future now depends on this money and i can not afford to make any mistake whatsoever. Please try and reply me urgently on receipt of this letter in other to arrange on the best possible way to do it for safety. May God blees you Salam.

Please get back to me at : ali001moha@msn.com, manbo124@gmail.com

Thanks

Ali Mohammed. manbo124@gmail.com

এতগুলো টাকার লোভ সামলানো সত্যি বড়ই কঠিন। তাই না? একবার ট্রাই করে দেখবেন নাকি?
I found that Bangladeshi spammer are active in internet world.
(ইদানীং বাংলাদেশী স্ক্যামারদেরও দেখা পাওয়া যাচ্ছে। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আজকের পরে যে বাংলাদেশী স্ক্যামমেইল আমি পাবো, সেটাই আমি ব্লগে প্রকাশ করে দেব।)I will publish their fraud mail. I have their scamming.

'বাংলা হ্যাকস' ব্লগের পোস্টগুলো ইমেইলে সাবস্ক্রাইব করার পদ্ধতি

'বাংলা হ্যাকস' ব্লগের (Bangla Hacks) ডানপাশের সাইডবারে (Right Sidebar) একটি 'ইমেইল সাবস্ক্রিপশন' (Email Subscription) গেজেট (Gadget) লাগানো রয়েছে। এই গেজেটটি খুব কাজের। এমন হতে পারে যে আমার ব্লগটি আপনি নিয়মিত ভ্রমণ (Visit) করতে পারছেন না। কোন না কোন কারণে আপনি প্রতিদিন আমার ব্লগে আসতে পারেন না। এর ফলে নতুন কি লেখা পোস্ট করা হলো, তাও আর আপনার জানা হলো না। হয়তো এমনও হতে পারে, আপনি যে টিপসটি (Tips) মনে মনে খুজছিলেন, তাই আমার ব্লগে প্রকাশ করে ফেললাম। কিন্তু ব্লগে আসতে না পারার কারণে আপনি তার খোঁজ আর পেলেন না। আর যদি ৪-৫দিন পরে আসেন, তাহলে প্রয়োজনীয় টিপসটি আর প্রথম পাতায় না থাকার কারণে তা আপনার নজরে পরলো না। কারণ আপনি হয়তো প্রথম পাতায় থাকা পোস্টগুলি এক নজর দেখেই অন্য কোন ঠিকানায় চলে যাবেন। পুরনো পোস্টগুলো আর যাচাই বাছাই করতে যাবেন না। ফলে আপনার সমস্যার কোন সমাধানও হল না।

এই জটিলতা এড়ানোর জন্য খুব কাজের টুল (Webtool) হলো এই 'ইমেইল সাবস্ক্রিপশন পদ্ধতি'। এই গেজেটের ইমেইল লেখার টেক্সটবক্সে (Textbox) আপনার ইমেইল লিখে দিয়ে যদি আপনি সাবস্ক্রাইব (Subscribe) করেন, তাহলে আর আপনাকে আমার ব্লগে নিয়মিত ভিজিট করতে হবে না। বাড়িতে বসে থেকে পাওয়ার মতো করে 'বাংলা হ্যাকস' ব্লগের নতুন পোস্টগুলি আপনার ইমেইল ঠিকানায় (Email Address) নিয়মিত পাঠানো হবে। নতুন কোন লেখা পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গে তা আপনার ইমেইল ঠিকানায় পৌঁছে যাবে। আর কোন প্রয়োজনীয় লেখা আপনার জানার বাইরে থাকবে না। ইনবক্সে (Inbox) পাওয়া মেইল দেখে আপনি বুঝতে পারবেন যে সম্পূর্ণ লেখাটি আপনার পড়া প্রয়োজন কি না। কিভাবে আমার ব্লগের নতুন পোস্টগুলোকে নিয়মিত আপনার ইমেইলের ইনবক্সে পেতে পারেন, তার পদ্ধতি বর্ণনা করছি।

প্রথমত.
Enter your email address: লেখার নিচের টেক্সটবক্সে আপনার ইমেইল ঠিকানাটি লিখে Subscribe লেখা বোতামে (Button) ক্লিক (Click) করুন। একটা নতুন উইন্ডো (Window) খুলে যাবে।

দ্বিতীয়ত.
আপনার অনুরোধটি (Request) যাচাই করার জন্য এই খুলে যাওয়া নতুন উইন্ডোটির প্রয়োজন । আপনি যে ইমেইল সাবস্ক্রিপশনের জন্য আবেদন করেছেন, তা সত্যি কিনা, আপনি মানুষ নাকি অনলাইন রোবট (Spybot) তা 'শব্দ যাচাই' (Word Verification) এর মাধ্যমে পরীক্ষা করা হবে। অর্থাৎ স্প্যামিং (Spamming) থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই উইন্ডোটির কাজ। এখানে লাল রঙের এলোমেলো বর্ণগুলি টেক্সটবক্সে লিখে Complete Subscription Request লেখা বোতামে ক্লিক করুন।

উইন্ডোটি পরিবর্তিত হয়ে উপরের ছবির মতো হয়ে যাবে। এখানে লেখা থাকবে:
Your request has been accepted!

Please check your inbox for a verification message from “FeedBurner Email Subscriptions”, the service that delivers email subscriptions for Bangla Hacks. You will need to click a link listed in this message to activate your subscription.
এই উইন্ডোটির নিচের Close Window লেখাতে ক্লিক করে উইন্ডোটি বন্ধ করে দিন। এবার আপনি যে ইমেইল ঠিকানা প্রদান করেছেন, সেই ইমেইল একাউন্টটি খুলুন।

তৃতীয়ত.

দ্বিতীয় ধাপটি সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পারলে আপনার দেয়া ইমেইল ঠিকানায় একটি মেইল (Mail) চলে আসবে।
এখানে লেখা রয়েছে:
You recently requested an email subscription to Bangla Hacks. We can't wait to send the updates you want via email, so please click the following link to activate your subscription immediately:
এই মেইলটি আপনার ইমেইল ঠিকানাটি সঠিক কি না, আপনি নিজে আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রদান করেছেন কিনা তা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। এখানে নীল রঙের দাগ চিহ্নিত, লাল রঙের তীর চিহ্ন দিয়ে দেখানো লিংকটিতে একবার ক্লিক করুন। ব্রাউজারে আর একটি ট্যাব খুলে গিয়ে আপনাকে জানানো হবে যে, আপনার ইমেইল ঠিকানাটি 'বাংলা হ্যাকস' ব্লগের নতুন পোস্ট নিয়মিত পাবার জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ আপনার অনুরোধটি একটিভ (Active) হয়েছে।your email subscription confirmed. a message will be deliver to you.
এখন থেকে 'বাংলা হ্যাকস' ব্লগে নতুন কোন লেখা পোস্ট করা হলেই তা আপনার দেয়া ইমেইল ঠিকানায় পৌঁছে যাবে।

বাংলা হ্যাকস ব্লগের পোস্ট ইমেইলে সাবস্ক্রিপশন করতে গিয়ে কোন সমস্যা হলে জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।

ইমেইল করে ব্লগে নতুন লেখা পোস্ট করুন

গতকালকের পোস্টে আমরা জেনেছি কিভাবে একটি ব্লগে একাধিক লেখক যুক্ত (Group Blogging) করা যায়। সেই পোস্টের নিয়মে একাধিক লেখক যুক্ত করার পর আপনি ইচ্ছে করলে আর একটি উপকারী ফিচার (Feature) ব্যবহার করতে পারেন। অবশ্য আপনি নিজেও একা একা এই অনন্য সাধারণ ফিচারটি ব্যবহার করতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনাকে বা ব্লগের লেখক-সদস্যদেরকে ব্লগার.কম এ লগইন করে নতুন পোস্ট লিখতে হবে না। শুধুমাত্র ইমেইল (Email) করলেই ব্লগে নতুন লেখা (New Article) পোস্ট করা (Post) হয়ে যাবে। ব্লগে লগইন (Login) না করে শুধু ইমেইল করে নতুন লেখা পোস্ট করার জন্য আপনাকে সামান্য একটি সেটিংস (Settings) পরিবর্তন করে নিতে হবে। এখানে উল্লেখ্য যে, ব্লগার.কম (Blogger.com) এর এই সুবিধাটি সম্পর্কে সংক্ষেপে এর আগে একটু পরিচিতিমূলক আলোচনা করছিলাম।

এই উপকারী (Helpful) ফিচারটি চালু করার জন্য আপনাকে যিনি ব্লগের এডমিন (Admin), তাকে ব্লগার.কম (Blogger.com) এ তার আইডি (ID) ও পাসওয়ার্ড (Password) দিয়ে লগইন করতে হবে। এর পরের ধাপগুলো ধারাবাহিকভাবে বলছি:-
  1. প্রথমে Settings এর Email & Mobile অংশে যান। (লাল দাগ চিহ্নিত)
  2. Posting Options লেখার পাশে আপনার ব্লগের জন্য একটি নিজস্ব ইমেইল এড্রেস তৈরি করুন (নীল রঙের দাগ চিহ্নিত)। এই নতুন ইমেইল ঠিকানায় প্রথমে থাকবে আপনি যে ইমেইল দিয়ে ব্লগটি খুলেছেন, সেই ঠিকানা তারপর একটি ডট (.) এরপরের টেস্কট বক্সে (Text Box) লেখা রয়েছে Secret Words (কেন Secret Words তা পরে বলছি)। এই জায়গায় একটি নাম বা ব্লগের নামটিই (Blog name) লিখে দিন। তাহলে ব্লগটিতে পোস্ট করার ইমেইল ঠিকানাটি (Email Address) হবে এরকম :- YOUREMAIL.BLOGNAME@blogger.com
  3. এবার নিচের তিনটি অপশনের মধ্যে প্রথম দুটি থেকে একটি বেছে নিন। 1, 2, 3 চিহ্নিত অপশনগুলির মধ্যে ১মটি সিলেক্ট করলে ইমেইল করার সাথে সাথে লেখাটি প্রকাশ হয়ে যাবে। ২য়টি নির্বাচন (Select) করলে লেখাটি ড্রাফট (Draft) হিসেবে সেভ হয়ে থাকবে। পরে যিনি এডমিন (Admin), তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা-সম্পাদনা (Edit) করে প্রকাশ (Publish) করতে পারবেন।
  4. উপরেরর পদ্ধতিতে সেটিংস পরিবর্তন সম্পন্ন হলে সবশেষে SAVE SETTINGS বোতাম চেপে পরিবর্তিত সেটিংসটি সংরক্ষণ (Save) করুন।
  5. এবার আপনি নতুন সেট করা ঠিকানায় (YOUREMAIL.BLOGNAME@blogger.com) একটি ইমেইল পাঠিয়ে পরীক্ষা করে দেখুন যে তা ব্লগে প্রকাশ (Publish) হয়েছে কিনা।
  6. মনে রাখতে হবে যে ইমেইল করে প্রকাশ করার সময় লেখার টাইটেলটি (Title) লিখতে হবে ইমেইলের 'বিষয়' (Subject) এর ঘরে এবং ইমেইলের বডিতে (Email Body) থাকবে মূল পোস্টটি (Main Post)।
যদিও এই পদ্ধতির সুবিধার সংখ্যাই বেশি, তারপরও একটি মারাত্মক অসুবিধা রয়েছে। আগে সুবিধাগুলোর দু'একটি আলোচনা করি।
  1. এই পদ্ধতির মাধ্যমে যারা আগের পোস্ট অনুযায়ী ব্লগের সদস্যপদ পায়নি, তারাও নতুন লেখা পোস্ট করতে পারবে।
  2. ব্লগে লগইন না করেও লেখা প্রকাশ করা সম্ভব।
  3. শুধু gmail নয়, যে কোন ইমেইল সার্ভিস (Email Service) থেকে নতুন লেখা পোস্ট করা যাবে।
  4. যদি ফ্রি ব্লগার.কম (Blogger.com) এর ব্লগে পত্রিকা (News paper) প্রকাশ করেন, তাহলে আপনার সাংবাদিকদেরকে ব্লগে লগইন না করলেও চলবে। তারা মোবাইল ফোন (Mobile Phone) থেকেও কোন খবর (News) তাৎক্ষণিকভাবে (Instantly) ব্লগে প্রকাশ করতে পারবেন। অর্থাৎ যখন ঘটনা তখনই খবর প্রকাশ করা সম্ভব। আর তার জন্য হাতে কম্পিউটার (Computer) থাকাটা মোটেও আবশ্যক নয়।
  5. আপনি যিনি এডমিন তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে সব লেখাগুলোর উপর। তিনি ইচ্ছে করলে পরবর্তিতে যে কোন লেখা সম্পাদনা করতে পারবেন।
আর একটি বিশেষ অসুবিধা হল যে
  • ব্লগের নিজস্ব ইমেইল ঠিকানাটি কোনক্রমেই অবিশ্বস্ত মানুষের হাতে দেয়া যাবে না। তাহলে:-
  1. আজেবাজে বা অবাঞ্চিত পোস্টের সংখ্যা বেড়ে যাবে।
  2. স্প্যামাররা (Spammer) অনবরত ইমেইল পাঠিয়ে ব্লগে হাজার হাজার স্প্যামিং মেইল (Spam mail) পোস্ট করতে পারবে। ফলে আপনার ব্লগের সুনাম ও মর্যাদা মুহূর্তেই ধুলায় লুটিয়ে যাবে।
অতএব ব্লগের শরীরের কোন জায়গায় ব্লগের নিজস্ব ইমেইলটি প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকুন। শুধুমাত্র নিজস্ব বা পরীক্ষিত লেখক, নিয়োগপ্রাপ্ত ব্লগার কিংবা বন্ধুদেরকে এই ঠিকানা গোপনে জানান। তাও সেজন্য আলাদা কোন মাধ্যম ব্যবহার করতে হবে। আশা করি ব্লগের এই নতুন ফিচারটি ব্যবহার করতে আপনাদের কোন অসুবিধা হবে না।

ব্লগ পাঠককে ইমেইল করতে দিন

অনেক সময় এমন হতে পারে যে স্প্যাম (Spam) থেকে মুক্ত থাকার জন্য আপনি নিজের ইমেইল ঠিকানাটি (Email Address) প্রকাশ করতে চান না। কারণ, অনলাইনে (Online) কোথাও যদি আপনার ইমেইল ঠিকানা লেখা থাকে তাহলে স্প্যাম রোবট (Robot) তা পেয়ে যাবে আর আপনার মেইল বক্স (Mail box) ভর্তি হয়ে উঠবে নানারকম আজেবাজে স্প্যাম মেইল দিয়ে। এই সমস্যা থেকে মুক্ত থাকার জন্য অনেকেই তাদের ইমেইল ব্লগ (Blog) বা ওয়েবসাইটে (Website) লিখে রাখেন না। কিন্তু আপনার ব্লগের কোন কোন পাঠক (Reader) হয়তো প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে চান না। তিনি আপনার সাথে ব্যক্তিগত যোগাযোগের (Personal Contact) মাধ্যমে তার সমস্যার সমাধান পেতে চান। সেক্ষেত্রে তিনি যদি আপনার ইমেইল ঠিকানা না জানে তাহলে আপনাকে চিঠি লিখবে কিভাবে?

এই সমস্যা থেকে সমাধানের জন্য রয়েছে একটি বিশেষ উপায়। ইমেইল ফরম (Email Form) ব্যবহার করে পাঠকদেরকে ইমেইল করার সুযোগ করে দিতে পারেন। দুটি ওয়েবসাইট ব্লগারদের জন্য বিনামূল্যে (Free) ইমেইল পাঠাবার এই অনন্য সুবিধাটি বিনামূল্যে দিয়ে থাকে।

প্রথমে আলোচনা করি http://kontactr.com এই সাইটটিকে নিয়ে। এদের সাইটে রয়েছে বেশকিছু সুবিধা। এদের কাছ থেকে আপনি বিভিন্নভাবে ইমেইল পাবার সুবিধাটি পেতে পারেন। এখান একটিমাত্র ইউজার আইডি (User ID) দিয়ে একাধিক ইমেইল ফরম (Email Form) ব্যবহার করতে পারবেন।

আর এজন্য প্রথমেই আপনাকে
http://kontactr.com এই ঠিকানায় গিয়ে রেজিস্টার (Register) করতে হবে। নিজের নাম ঠিকানা, ইমেইল আইডি, ইত্যাদি দিয়ে রেজিস্ট্রি করুন। এবার আপনাকে কয়েক প্রকারের সুযোগ দেয়া হবে। আপনি ইচ্ছে করলে শুধুমাত্র একটি লিংক বা ছবিযুক্ত লিংক নিতে পারেন। এর html কোডটি ব্লগের কোন একটি HTML/ JavaScript গেজেটবক্সে পেস্ট করে দিন। নির্দিষ্ট জায়গায় contact me জাতীয় লিংক বা ছবিযুক্ত লিংক দেখা যাবে। আপনার ব্লগের পাঠকরা সেখানে ক্লিক (Click) করলে মূল ওয়েবসাইটে থাকা ইমেইল লেখার পৃষ্ঠাটি ওপেন হবে। সেখানে মেসেজটি (Message) লিখে পাঠিয়ে দিলে (Send) তা আপনার দেয়া ইমেইলের ইনবক্সে (Inbox) এসে উপস্থিত হবে। এছাড়াও আপনি ইচ্ছে করলে আর একভাবে html কোড নিতে পারেন। এই কোডটি আপনার ব্লগে স্থাপন করলে সেখানেই পাঠকরা লিখে আপনাকে ইমেইল করতে পারবেন। (যেমনটা আমার বাংলা হ্যাকস ব্লগের Email me অংশে রয়েছে)

এই পদ্ধতিগুলোতে পাঠক contact me বাটনে ক্লিক করলে আপনার ব্লগ থেকে বের হয়ে মূল সাইটে চলে যাবে। কিন্তু আপনি ইচ্ছে করলে আর এক বিশেষ প্রকারের কোড সংগ্রহ করতে পারেন, যা পাঠককে আপনার ব্লগ থেকে বের হয়ে যেতে দেবে না। একটি পপআপ উইন্ডো (Popup Window) খুলে সেখানেই চিঠি লিখতে পারবেন। ডেমো দেখুন এইখানে।

এবার আলোচনা করি http://www.emailmeform.com/ সাইটটির কথা। এদের সেবার পরিধি একটু বেশি। এখানেও আপনাকে নাম ঠিকানা ও কার্যকরী ইমেইল ঠিকানা (Email Address) দিয়ে রেজিস্ট্রেশন (Registration) করতে হবে। নাম ও পাসওয়ার্ড (Name and Password) দিয়ে লগইন (Login) করে নিজের মনমতো করে ইমেইল ফরম তৈরি করে নিন। আগের সাইটটিতে (kontactr.com) নিজের ইচ্ছেমতো ফরম তৈরি করার সুযোগ ছিল না। কিন্তু Emailmeform.com সাইটে আপনার যতগুলো টেক্সটবক্স (TextBox) দরকার ততগুলো লাইন দিয়ে মেইল করার ফরম তৈরি করে নিতে পারবেন।
এরা আবার html ফাইল হিসেবেও ইমেইল ফরমটি সরবরাহ করে। ফলে যদি আপনার নিজস্ব সাইট থাকে তাহলে সেই সাইটের হোস্টিং (Hosting) অংশে ফাইলটি (File) স্থাপন করে পাঠককে চিঠি লিখবার আমন্ত্রণ জানাতে পারবেন। যদি ব্লগারের ব্লগে (Blogger blog) স্থাপন করতে চান, তাহলে আপনার তৈরি করা ফরমের html কোডটি কপি করে নিয়ে ব্লগের একটি HTML/ JavaScript গেজেটে পেস্ট করুন। এবার ব্রাউজারে অন্য ট্যাবে থাকা (ফায়ারফক্সে, এখানে ক্লিক করে ডাউনলোড করুন) ব্লগটি রিফ্রেশ (Refresh) করে দেখুনতো কাজ হয়েছে কিনা? কোনরকম সমস্যা হলে আমি তো আছিই।

এখানে উল্লেখ্য যে দুটি পদ্ধতিতেই CAPTCHA অংশটি রয়েছে। ফলে কোন অনলাইন গোয়েন্দা রোবট (Spybot) অযথা স্প্যাম ইমেইল দিয়ে আপনার ইনবক্স ভরিয়ে ফেলতে পারবে না।

আপডেট: ব্লগের পোস্ট পাতায় উপরের সাইট দুটো থেকে দেয়া ইমেইল ফরমের HTML কোড স্থাপন করতে গিয়ে যে সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন, তার সমাধান রয়েছে এই পাতায়।

জিমেইলে এবার থিমের কালার পরিবর্তন করুন

জিমেইল ব্লগের (Gmail blog) খবরে জানা গেল, ব্যবহারকারীরা এখন থেকে তাদের জিমেইলের থিমের রঙ (Theme color) পরিবর্তন করতে পারবে। এই পেজের খবরে জানা গেল এই পদ্ধতি খুবই সহজ। আর এ জন্য কোনরকম অতিরিক্ত কোন কারিগরী জ্ঞান (Technical knowledge) প্রয়োগ করতে হবে না।

থিমরঙ পরিবর্তন করার পদ্ধতি:
* আপনার জিমেইল একাউন্টে (Gmail account) লগইন (Login) করুন।
* ডানপাশের সেটিংস (Settings) থেকে থিমট্যাব (Themetab) সিলেক্ট (Select) করুন।
* সেখানে 'Choose your own colors' লেখা রয়েছে। এখান থেকে আপনার ইনবক্সের ব্যাকগ্রাউন্ড (Inbox background) থেকে লিংকের রঙ (Link color) সবকিছই খুব সহজে পরিবর্তন করতে পারবেন। নিজের ইনবক্স রাঙিয়ে তুলুন নিজের মনের আয়নায়।

ছবি ও খবর সূত্র: জিমেইল ব্লগ

জিমেইল থেকে পিডিএফ ফাইল পড়ুন

এতদিন কেউ যদি আপনাকে কোন পিডিএফ ফাইল এটাচমেন্ট হিসেবে পাঠাতো তাহলে তা ডাউনলোড করে পড়তে হতো। কিন্তু এখন আর তার দরকার নেই। জিমেইল এখন সরাসরি পিডিএফ ফাইল পাঠ করতে সক্ষম।

পাশের ছবিতে লক্ষ্য করুন। কেউ যদি আপনাকে কোন পিডিএফ ফাইল এটাচমেন্ট হিসেবে পাঠায়, তাহলে সেই ফাইলটির পাশে দুইটি লিংক থাকবে। একটি View এবং অন্যটি Download, আপনি ইচ্ছা করলে ডাউনলোড না করেই সরাসরি ইনবক্স থেকে পিডিএফ ফাইলটি দেখতে পারবেন। আর এর জন্য View লেখার উপর একটি ক্লিক করলেই হবে।
ছবি ও তথ্যসূত্র: অফিসিয়াল জিমেইল ব্লগ

রাঙিয়ে তুলুন জিমেইলের ইনবক্স

জিমেইল টিম এখন আমাদের ইনবক্সকে রাঙিয়ে তোলায় মনোযোগ দিয়েছে। এজন্য তারা উপস্থাপন করেছে ৩০টিরও বেশি থিম।
হ্যাঁ, এখন থেকে জিমেইলের ইনবক্স আপনি নিজের মনের মতো করে সাজিয়ে নিতে পারবেন।

জিমেইল ব্লগ থেকে যা জানা গেল ভোক্তার সুবিধা ও আনন্দের কথা ভেবেই জিমেইল টিম এই আয়োজন করেছে।

কিভাবে সাজাবেন নিজের ইনবক্স? এজন্য আপনাকে Settings এ গিয়ে Theme ট্যাবটি খুঁজে বের করতে হবে। সেখানেই পাবেন যাবতীয় সুবিধাগুলো। তবে এখনও সব জিমেইল ভোক্তার জন্য এই সুবিধাটি সহজলভ্য করা সম্ভব হয়নি। তবে সকলকে দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আশা করা হয়েছে যে দু'এক সপ্তাহের মধ্যে সবাই জিমেইলের ইনবক্সকে নিজের মনের মাধুরী মিশিয়ে সাজিয়ে নিতে পারবেন।

জিমেইলে ভিডিও

জিমেইলের অফিসিয়াল ব্লগে এই ঘোষণাটা দেয়া হয়েছে। এর আগে গুগলটকে ভয়েস মেইল করা যেত। এছাড়াও বিভিন্ন সফটওয়ার দিয়েও ভিডিও চ্যাট করা যেত। ইয়াহু মেসেঞ্জারএও রয়েছে ভিডিও চ্যাটিং সুবিধা। এখন আর গুগলটকের দরকার নেই। জিমেইলে লগইন থেকেই আপনি ভিডিও চ্যাট করতে পারেন।

মাত্র ৪৮০ কি.বাইট এর একটি এডঅন(Add on) এই ঠিকানা থেকে ডাউনলোড করে নিয়ে কম্পিউটারে ইনস্টল করে নিতে হবে। এই এডঅনটি প্রচলিত সবকটি ব্রাউজারকে সাপোর্ট করে তৈরি করা হয়েছে। আপাতত এই এডঅনটি শুধুমাত্র উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করবে। পরবর্তিতে অন্য অপারেটিং সিস্টেমের উপযোগী করেও তৈরি করা হবে। এডঅনটি ইনস্টল করার পরে জিমেইলে লগইন করলে Video & More অপসন পাওয়া যাবে। এটাতে ক্লিক করলে পপআপ মেনু উত্তোলন হবে। আপনি যার সাথে ভিডিও চ্যাট করতে চান তার কম্পিউটারেও এই ভিডিও এডঅনটি ইনস্টল থাকতে হবে। তাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে আপনি শুরু করে দিন ভিডিও চ্যাট। এ বিষয়ে ইউটিউবে একটি টিউটোরিয়াল আপলোড করা হয়েছে। টিউটেরিয়ালটি নিম্নরূপ:-

জিমেইলের ব্যাকআপ

আমরা অনেক সময় বিভিন্নরকম ক্লায়েন্ট সফটওয়ার ব্যবহার করে ইমেইলের ব্যাকআপ কম্পিউটারে নিয়ে থাকি। জিমেইলে এই অসাধারণ সুবিধাটি এতদিন ছিল না। কিন্তু মাত্র ৪.৩৫ মেগাবাইটের একটি ফ্রি সফটওয়ার দিয়ে এই কাজটি নিপুণভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব।

www.gmail-backup.com ঠিকানা থেকে সফটওয়ারটি ডাউনলোড করে নিয়ে জিমেইলের এড্রেস ও পাসওয়ার্ড দিন। যেখানে রাখতে চান সেই ফোল্ডারটি সিলেক্ট করে দিন। Backup Button ক্লিক করলে নতুন আসা মেইলগুলো নির্দিষ্ট ফোল্ডারে ডাউনলোড হয়ে যাবে। নির্দিষ্ট তারিখ হিসেবেও ইমেইলগুলোকে ব্যকআপ করা যাবে।

যদি আপনি মেইলগুলোকে রিস্টর Restore করতে চান তাহলে নির্দিষ্ট ফোল্ডারটি দেখিয়ে Restore বাটটি প্রেস করুন। রেস্টোর হতে থাকবে।

Email me

আমি আপনাকে বিষয়সংশ্লিষ্ট ব্লগপোস্টে মন্তব্য করার জন্য উৎসাহিত করবো। কিন্তু যদি এমন কোন প্রশ্ন আপনার থাকে, যা মন্তব্য আকারে বলতে আপনি ইচ্ছুক নন। শুধুমাত্র সেই ধরণের ক্ষেত্রেই নিচের ফরমটি ব্যবহার করে আমাকে সরাসরি চিঠি লিখুন।
আপনার চিঠিটি আমি অবশ্যই মনোযোগের সাথে পড়বো এবং গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবো। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে উত্তর দেয়ার অঙ্গীকার করতে পারছিনা বলে দুঃখিত। আমি বিভিন্ন অকাজে এত বেশি ব্যস্ত থাকি যে অনেক সময় প্রয়োজনীয় কাজ করতে ভুলে যাই।

আমার ব্যর্থতা এবং সীমাবদ্ধতাকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য অনুরোধ করছি।

ধন্যবাদ

Your Name
Your Email Address
Subject
Message
Image Verification
Please enter the text from the image
[ Refresh Image ] [ What's This? ]




# এই পোস্টের মন্তব্য করার অপশন বন্ধ করা হয়েছে।

জিমেইল এড্রেস খোলার নিয়ম

বর্তমানের অনলাইনের (Online) যুগে (Era) প্রত্যেকের একটি নিজস্ব ই-মেইল (Personal E mail account) এড্রেস থাকতে হয়। জিমেইল (G Mail) অনেকরকম সুবিধা প্রদান করার কারণে অনলাইন জগতে বেশ জনপ্রিয় (Popular)। আজ আমরা জানব কিভাবে একটি জিমেইল একাউন্ট খুলতে হয় এটার আরেক নাম গুগল একাউন্ট (Google Account)।



ব্রাউজারে http://gmail.com লিখে এন্টার (Enter) চাপলে উপরের ছবির মত পেজ ওপেন (Open) হবে। এখানে লাল রঙের দ্বিতীয় বন্ধনী (Second Bracket) দ্বারা চিহ্নিত জায়গায় একাউন্ট নাম (Account name) ও পাসওয়ার্ড (Password) দিতে হয়। কিন্তু যেহেতু আমরা একটি জিমেইল একাউন্ট খুলব সেহেতু লাল রঙের তীর চিহ্নিত জায়গায় ক্লিক (Click) করতে হবে। এখানে ক্লিক করার পর নিচের ছবিটির মত একটি ফরম (Form) আসবে।




  • ফরমে নিজ নামের বা প্রত্যাশিত একাউন্ট নামের (Desired account name) প্রথম অংশ ও দ্বিতীয় অংশ দিতে হবে। এর নিচের প্রত্যাশিত নামের জায়গায় (Desired Login Name) আপনার প্রত্যাশিত নামটি লিখে Check availability বাটনে প্রেস করে তা সহজলভ্য (Available) আছে কিনা তা যাচাই করে নিন।
  • নামটি নেয়ার জন্য উন্মুক্ত থাকলে এরপর একটি পাসওয়ার্ড Password) দিতে হবে। নির্ভুলতা নিশ্চিত করার জন্য একই পাসওয়ার্ড দুইবার দিন।
  • সিকিউরিটি প্রশ্ন (Security Question) অংশটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। যদি কখনও আপনার পাসওয়ার্ড হারিয়ে যায়, বা চুরি যায় (Hack or Lost) বা আপনার নিজেরই স্মরণ না থাকে তাহলে এই অংশটি কাজে লাগবে। ড্রপডাউন মেনু (Drop down Menu) থেকে একটি প্রশ্ন নিয়ে তার উত্তর নিচে লিখুন।
  • দ্বিতীয় ই মেইল (Secondary Email Address) ঘরটিও খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনার পাসওয়ার্ড হারিয়ে গেলে বা কোন কারণে জি-মেইল (G Mail) বর্তমান ঠিকানায় আপনার সাথে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হলে, দ্বিতীয় ঠিকানাটিতে (Secondary Email Address) আপনার সাথে যোগাযোগ রক্ষা করবে। তাই এখানে আপনার পূর্ব থেকেই থাকা কোন ই-মেইল এড্রেস লিখুন। তবে না লিখলেও সমস্যা নেই। এটা বাধ্যতামূলক নয়।
  • এবার আপনার দেশের নাম (Country name) লিখুন। আপনি কোন দেশের অধিবাসী তা গুগলকে জানান। তাহলে সেই দেশে অবস্থিত বা তার কাছাকাছি কোন দেশের সার্ভার থেকে আপনাকে গুগলের সুবিধাদী দেয়া হবে। আপনার একাউন্ট দ্রুত লোড (Faster Load) হবার জন্য এটা দরকার।
  • এরপর রয়েছে ওয়ার্ড ভ্যারিফিকেশন (Word Verification)। স্প্যামিং (Spamming) এর অত্যাচার থেকে বাঁচবার জন্য এই ওয়ার্ড ভ্যারিফিকেশন এর দরকার রয়েছে। এর আরেক নাম ক্যাপচা (CAPCHA)। সতর্কতার সাথে লক্ষ্য করে ছবিতে প্রদত্ত বর্ণগুলো নিচের ফাঁকা বক্সে লিখুন।
  • 'টার্মস অব কন্ডিশন' (Terms of condition) গুলো প্রত্যেকের অবশ্য অবশ্যই পড়া উচিত। কারণ আপনি যাদের কাছ থেকে সুবিধা নিচ্ছেন, তাদের কাছে আপনি কি কি শর্তে দায়বদ্ধ থাকবেন তা জানা দরকার। এটা আপনার জন্য সময় নষ্ট বা বিরক্তির কোন বিষয় নয়। তাদের কাছে আপনি সুবিধা নেয়ার বিনিময়ে কি কি শর্ত মানতে বাধ্য থাকবেন তা জানা আপনার আইনগত অধিকার (Legal Right)।
  • I accept, Create my account বাটনে ক্লিক করুন। ভ্যারিফিকেশনের ওয়ার্ড ও পূর্বের বক্সদুটোতে সঠিক পাসওয়ার্ড (Password) লিখলে কোন সমস্যা ছাড়াই (Without any problem) আপনার জিমেইল একাউন্ট (G mail Account) বা গুগল একাউন্ট (Google Account) তৈরি হয়ে যাবে।
আপনাকে অভিনন্দন (Congratulations)। আপনার জিমেইল একাউন্ট তৈরি হয়ে গেছে। এবার একটি নতুন পেজ আসবে। এখানে জিমেইলে কি কি বৈশিষ্ট্য তার একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা আপনার সদয় অবগতির জন্য প্রদর্শন করবে।
উপরের দিকে ডানপাশে I am ready, show me my account লেখাতে ক্লিক করে আপনার নতুন জি-মেইল একাউন্টের অভ্যন্তরে প্রবেশ করুন।

উপরের ছবিটি জিমেইল একাউন্টের অভ্যন্তরভাগ। দেখুন আপনার নতুন ঠিকানায় গুগল কোম্পানী থেকে একটি মেইল পাঠানো হয়েছে। আপনি অনলাইনের জগতে প্রবেশ করলেন। আপনার সাথে বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে যোগাযোগ করার একটি ঠিকানা তৈরি হয়ে গেল। আপনি আজ থেকে ভার্চুয়াল জগতের একজন সম্মানিত সদস্য।
 

পাঠকের প্রতিক্রিয়া

কিছু কথা

সফটওয়ার ও ওয়েবওয়ারের বিভিন্ন টিপ্‌স, টিউটোরিয়াল, হ্যাক্‌স, টেমপ্লেট বা থিম্‌স ইত্যাদি নিয়েই আমি ব্লগ লিখছি। আমার প্রধান আগ্রহ ব্লগিং টিপস। এছাড়াও প্রযুক্তির বিচিত্র বিষয় নিয়ে মত বিনিময়, সমস্যা ও তার সমাধান এবং আলোচনা করার জন্য এই ব্লগ খুলেছি। আশা করি আপনি নিরাশ হবেন না। এই ব্লগের সব লেখাগুলো যেকোন মিডিয়ায় এই লাইসেন্সের আওতায় প্রকাশ করতে পারবেন। বিস্তারিত পড়ুন....

Search This Blog

© 2009-2014 Bangla Hacks | Design by: Bangla Hacks. Powered by: Blogger