Showing posts with label ইন্টারনেট. Show all posts
Showing posts with label ইন্টারনেট. Show all posts

উবুন্টুতে Netspeed ব্যবহার করুন

অনলাইনে যতক্ষণ থাকেন, ততক্ষণ কত স্পিডে সার্ফিং করছেন, আপলোড, ডাউনলোড স্পিড কত তা জানার জন্য উবুন্টুতে একটি ছোট্ট সফটওয়ার আছে। নাম NETSPEED, এটা আসলে একটি অ্যাপলেট। ডেস্কটপের উপরে থাকা প্যানেলে যোগ করে নিলেই হল। ইন্টারনেটে কত স্পিডে ব্রাউজ করছেন, তার তথ্য সঙ্গে সঙ্গে পেয়ে যাবেন।

এই দারুণ কাজের টুলটি কিভাবে পাবেন?

সিনাপ্টিক প্যাকেজ ম্যানেজারে খোঁজ করুন। ইনস্টল করুন।

এবার কম্পিউটারে ডেস্কটপের উপরে থাকা প্যানেল মাউসের ডানবোতাম (Right Button) ক্লিক করুন।

Add to panel লেখাতে ক্লিক করুন।
যে তালিকা দেখা যাচ্ছে, সেখানেই আছে Network Manager রয়েছে। উপরের ছবিতে নীল রঙে চিহ্নিত করা হয়েছে। এবার নিচের Add লেখা বোতামে ক্লিক করুন। টুলটি প্যানেলে যোগ হয়ে গেল।
ল্যান্ডফোনের মত আইকন নিয়ে টুলটি আপনাকে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করতে থাকবে। বামপাশেরটা ডাউনলোড স্পিড ও ডানপাশেরটা আপলোড স্পিড। অনলাইনে কানেক্ট হওয়ামাত্র এটা একটিভ হয়ে যায়। উপরের ছবিতে দেখুন কোন সাইট আমি ব্রাউজ করছি না। তাই ডাউনলোড ও আপলোড ০ (শূন্য) দেখাচ্ছে। অ্যাপলেটটির উপরে মাউস নিয়ে গেলে আপনার কানেকশনের ধরণ দেখা যাবে।
ল্যান্ডফোন আইকনের উপরে মাউসের বাম বোতাম ক্লিক (Left click) করলে একটি মেনুবার (Menubar) খুলে যাবে। উপরের ছবিতে দেখুন। মেনুর উপরে থাকা Device Details লেখাতে ক্লিক করলে নিচের ছবির মতো করে প্রয়োজনীয় তথ্য আপনাকে সরবরাহ করা হবে।

এখানে Internet Address, Netmask, Hardware Address ইত্যাদি তথ্য মুহূর্তের মধ্যে আপনার নাগালে দেখতে পাবেন।

উপরের ছবিটি নেটস্পিড টুলের Preference, এখানে প্রয়োজনীয় অংশে টিকচিহ্ন দিয়ে তথ্য দেখতে পাবেন।


আপনি কোন মাধ্যমে অনলাইনে সংযুক্ত হয়েছেন বা হতে চান তা এখানেই নির্বাচন করতে পারবেন।

ব্লগার.কম এর ব্লগে RSS Feedburner যোগ করুন

RSS (Rich Site Summery) কি কেন এবং কি ভাবে এর সাথে নিজের ব্লগ সংযুক্ত করতে হয় তাই নিয়েই লিখছি। আপনার লক্ষ্য করেছেন বিভিন্ন ব্লগ বা ওয়েব সাইটে এই আরএসএস কথাটা লেখা থাকে। তার সাথে subscribe শব্দটাও থাকে। প্রশ্ন হচ্ছে এটা কি? এটা আসলে এমন এক ব্যবস্থা যাতে করে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ওয়েব সাইটে যেসব সংবাদ, প্রবন্ধ, নিবন্ধ বা নানা তথ্য প্রকাশিত হচ্ছে সে গুলি যথা স্থানে পৌছে দেয়া। যারা নিয়মিত বিভিন্ন ওয়েব সাইটে ভ্রমন করে থাকে তাদের বেশ কিছু সময় এবং পরিশ্রম কমে যায়। তারা কোন সাইট বা ব্লগে সাবস্ক্রাইব করলে সে সাইট বা ব্লগ যাই প্রকাশ করুক না কেন তা সঙ্গে সঙ্গে চাহিদা অনুযায়ী প্রাপকের মেইলে পৌছে যায়। তখন ওই ব্যক্তিকে ভিন্নভাবে প্রতিটা সাইট ভ্রমনের কোন দরকার হয় না, সে যেখানে সাবস্ক্রাইব করেছে সেখান থেকে এই আরএসএস সে প্রকাশনাগুলি তার মেইলে পৌছে দিচ্ছে। এমনকি কত জন পাঠক আপনার ফীড গ্রহন করছে তাও দেখা যায়।

এটা বিশেষ একটা গুরুত্ব পূর্ণ বিষয়। আপনার ব্লগের লিঙ্ক যেখানে বা যার কাছে রয়েছে সে সঙ্গে সঙ্গে আপনার হালনাগাদ অবস্থা জেনে নিতে পারবে। ব্লগ এবং বিভিন্ন প্ল্যাট ফর্মের জন্য বিভিন্ন আরএসএস পাঠ পদ্ধতি রয়েছে। যেমন মাই ইয়াহু, গুগল রিডার, ব্লগলাইন এরকম আরো অনেক আছে। যেখানে RSS, XML কিংবা RDF লেখা বা চিহ্ন দেখা যাবে সেখানে এই ব্যবস্থা রয়েছে।

যাই হোক এ নিয়ে অনেক কিছু লেখা যায়, তবে মোটামুটি একটা ধারনা পাওয়া গেল। এবারে আমরা দেখি আমাদের ব্লগ কি ভাবে RSS এর সাথে যুক্ত করা যায়ঃ কাজটা কঠিন না হলেও বেশ সময় নিয়ে বসবেন, অন্তত ১ ঘন্টা।

১। নিজের ব্লগে সাইন ইন করে সেটিং অংশে আসুন
feed configuration on blogger blog২। এখানে site feed সিলেক্ট করুন, নিচে দেখুন আপনার ফীড URL লেখার একটা বক্স রয়েছে, এখনি এখানে কিছু লিখবেন না। তার নিচেই Feed Burner লেখার নিচে (১ নং ছবিতে লাল দাগ দেয়া) ক্লিক করে সরাসরি ফীড বার্নার পেজ খুলে এখানে আবার সাইন ইন করুন। আপনার যে একাউন্ট সেই একাউণ্ট/পাসওয়ার্ড দিয়ে।
feed configuration on blogger blog৩। উপরে ২ নং ছবিতে দেখুন ভিন্ন উইন্ডোতে একটা My feeds লেখা পেজ ওপেন হয়েছে। এখানে আপনি কোন সাইটের ফীড বার্ন করতে চাইছেন তার URL লিখে (নমুনা দেয়া আছে) নেক্সট> ক্লিক করুন।
identify feed source৪। এখানেও একটা নতুন পেজ এসেছে (৩ নং ছবি) Identify feed source লেখা। RSS বোতাম চিহ্নিত করে নেক্সট> ক্লিক করুন।
let us burn a feed for you৫। (৪ নং ছবি) Welcome! Let us burn feed for you লেখা নতুন পেজ ওপেন হয়েছে, এখানে দেখবেন আপনার ব্লগের ফীড URL এসেছে, এটা কপি করে ওই যে সেটিং অংশে সাইট ফীড পেজে যেখানে ফীড ইউআরএল দেখেছেন যেটা ফাকা রেখে এসেছেন ওখানে পেস্ট করে দিন। আবার নেক্সট> ক্লিক করুন।
congratulation your feedburner feed is now live৬।(৫ নং ছবি)। Congrates! Your FeedBurner Feed is now live. Want to dress it up a little? আবার নেক্সটে> ক্লিক করুন।
get more gusto from your feed traffic statistics৭। (৬ নং ছবি) Get more gusto from your feed traffic statistics. এখানে নিচের Click through এবং I want more!Have feed burner stats also track এই বোতাম দুটিতে টিক দিয়ে আবার নেক্সট> ক্লিক করুন
start analyzing৮। (ছবি নং ৭) You have successfully updated the feed পেজ খুলবে। এখানে You have লেখার পাশে টিক চিহ্নের নিচে এবং লাল কালিতে লেখা “এবার এনালাইজিং শুরু করুন” এর উপরে analyze এ ক্লিক করুন।
feed stats dashboard৯। (ছবি নং ৮) Analyze এর নিচে যে কয়টি অপশন আছে subcribers থেকে Configure stats পর্যন্ত সেগুলির ডানে টিক দিয়ে একটিভেট করুন। যদি আপনার সাইট বা ব্লগ নতুন হয় তাহলে এগুলি এখন করতে দিবে না, ৪/৫টা পোস্টিং দেয়ার পর করে নিবেন। সেক্ষেত্রে Analyze এর ডান পাশে Optimize এ ক্লিক করে পেজ এগিয়ে যান।
optimize your feed১০। (ছবি নং ৯) পাতার বাম পাশে Your feed থেকে Summery burner পর্যন্ত সব গুলিতে ক্লিক করে পাতার নিচে মাঝামাঝি যায়গার বক্সে activate করে দিন। এই পেজ এর কাজ শেষ, এবার Optimize এর ডানে Publicize লেখায় ক্লিক করে পরের পাতায় চলে যান।
Publicize your feed১১। (ছবি নং ১০) এখানে আবার ওই বাম পাশের মার্জিনে Headline Animator থেকে শুরু করে Nolndex পর্যন্ত সব গুলি ঘরে ক্লিক করে আপনার পছন্দের চিকলেট, রঙ, মাপ ইত্যাদি বেছে নিন। এখানে কিছু কোড দিবে সেগুলি আপনার ব্লগে আপনার পছন্দের বারে Layout অংশে html/java script গেজেটে যুক্ত করে নিন।

নিচ থেকে দ্বিতীয় Password Protector যার পাশে লাল X দেয়া আছে ওতে কিছু করবেন না। তাহলে কেবল মাত্র যাদের পাসওয়ার্ড দিবেন কেবল তারা ছাড়া আপনার সাইট অন্যকেও ওপেন করতে পারবে না। Geotag your feed এর জায়গায় যদি আপনার অবস্থানের অক্ষাংশ দ্রাঘিমাংশ জানা থাকে তাহলে পুরন করবেন নতুবা ফাকা রেখে দিন।
configure google ads১২। (ছবি নং ১১) এবার মনিটাইজ, এটা ইচ্ছা হলে আপনি এখন করতে পারেন বা পরে এডসেন্স একাউন্টে সাইন ইন করে করে নিলেই হবে।
troubleshooting geed burner১৩। (ছবি নং ১২)এখানে এলেই যা বলবে তা দেখতেই পাচ্ছেন। এইত নতুন ব্লগ এখনই আবার কি হলো?
১৪। এবার আপনি এখান থেকে সাইন আউট হয়ে ব্লগে সব কিছু ঠিকঠাক মত হয়েছে কিনা দেখে নিন।

বিঃদ্রঃ যাদের ব্লগে অনেক পোস্টিং দেয়া হয়েছে সেগুলিতে এভাবে করা যাবে না।

যদি কারো অসুবিধা হয় তাহলে কোথায় কি ভাবে কি করেছেন বিস্তারিত লিখে জানালে যথাসাধ্য চেষ্টা করব সমাধান দেয়ার।

DOT Tk ডোমেইনে ব্লগারের ব্লগ সংযুক্ত করার পদ্ধতি

দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের নীল সমুদ্র বেষ্টিত নারিকেল বীথিঘেরা ছোট্ট একটি দ্বীপদেশ Tokelau। এই দেশের টেলি কমিউনিকেশন কোম্পানী Teletok এবং BV DOT TK এর সাথে যৌথ উদ্যাগে শুরু হয় Dot tk এর অভিযাত্রা। BV DOT TK কে সরকার এক নতুন ধরণের ডোমেইন সিস্টেম রেজিস্ট্রেশন করার অনুমতি দেয়। এই কোম্পানী সারা পৃথিবীর অনলাইনকে এক নতুন রূপ দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে। নেদারল্যান্ডের আমস্টারডাম, ইংল্যান্ডের লন্ডন এবং Isle of Man এর Douglas এ এদের অফিস রয়েছে। সারা পৃথিবীর কোনে কোনে DNS রুট সার্ভার নিয়ে এরা কোটি কোটি রেজিস্টার্ড সদস্যকে সেবা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। জনপ্রিয়তা পেতে দেরী হয়নি। যারা নিজেদের নামে .com, .org, .net প্রভৃতি টপ লেভেল ডোমেইন (Top Level Domain TLD) ঠিকানা পায়নি। তারা পেয়ে যায় নিজেদের নামে অনলাইনে পৃথিবীর সামনে উপস্থিত হবার এক দারুণ সুযোগ।
How to attach blogger blog with dot tk domain.
এতদিন Dot.tk শুধুমাত্র ফরোয়ার্ড (Forward) করার কাজ করতো। আপনার যদি ব্লগার (Blogger.com) বা বিভিন্ন ফ্রি হোস্টিং সার্ভিসগুলোতে (Free Hosting Service) ওয়েবসাইট থাকতো। তাহলে এর লম্বা URL টাকে বলতে বা লিখতে গিয়ে একটু কষ্ট হতো। সেই কষ্টটাকে লাঘব করার জন্য Dot.tk এর শরণাপন্ন হতো সবাই। যেমন: http://yoursite.blogspot.com অথবা
http://www.freehost.com/users/yourwebsite এই বড় নামগুলিকে অনায়াসে ছোট নামে ব্যবহার করা যেত Dot.tk দিয়ে। সেক্ষেত্রে নামটি হতো http://www.yoursite.tk, এই ছোট্ট নামটি বলতে সহজ আবার লিখতেও সহজ। কিন্তু ফরোয়ার্ড করার সিস্টেমে Dot.tk এর বড় সীমাবদ্ধতা ছিল যে এর ফলে ওয়েবসাইটের বিভিন্ন পেজগুলোর ঠিকানার কোন পরিবর্তন হতো না। যেমন: http://yoursite.blogspot.com/2010/01/post_title.html , লক্ষ্য করুন ব্লগের ঠিকানাতে tk থাকা সত্ত্বেও কোন নির্দিষ্ট পোস্ট পেজের ঠিকানাতে blogspot.com থেকে গেছে। এবার Dot.tk তে এসেছে এক ব্যাপক পরিবর্তন। এখন থেকে Dot.tk নিজস্ব Name Server ব্যবহার করার সুযোগ দিচ্ছে। ফলে আপনার সাইটের ঠিকানাতেও এর প্রভাব পড়বে। ব্লগারের ব্লগ যদি ব্যবহার করেন, তাহলে Custom Domain হিসেবে Dot.tk এর ঠিকানা ব্যবহার করার সুযোগ পাবেন। আর তাহলে পোস্ট পেজের ঠিকানা হবে http://www.yoursite.tk/2010/01/post_title.html, অর্থাৎ এখন থেকে Dot.tk একটি পূর্ণাঙ্গ ডোমেইন হিসেবেই কাজ করবে।
Today will learn how to change domain DNS settings at DOT Tk.
আজ আমরা জানবো কিভাবে Dot.tk তে Name Server বা DNS Settings পরিবর্তন করে নিতে হয়।

  • প্রথমেই Dot.tk সাইটে ভ্রমণ করুন।
  • DOT TK Homepage
  • এখানে Enter Your URL here লেখা জায়গায় আপনার পছন্দের ডোমেইন নামটি লিখে Next বাটনে ক্লিক করুন।
  • Dot TK Domain Registration
  • পরের পৃষ্ঠায় দেখা যাবে যে আপনার পছন্দের নামটি রেজিস্ট্রেশন করার জন্য শূন্য রয়েছে কি না। যদি থাকে, তাহলে লেখা থাকবে This Domain is still available , এই পাতার Next লেখা বোতামে ক্লিক করে পরবর্তি পৃষ্ঠায় চলে যান। লক্ষ্য করুন উপরের ছবির মতো পাতায় Free Domain এবং Paid Domain এই দুটোর মধ্যে আমরা Free বেছে নিয়েছি। অর্থাৎ Free Domain লেখার পাশের রেডিও বোতামে চিহ্ন দেয়া আছে।
  • Dot Tk Domain DNS Settings
  • এই পৃষ্ঠায় আপনি কিভাবে আপনার ডোমেইনটিকে ব্যবহার করতে চান, তা জানতে চাইছে। শুধু ফরোয়ার্ড করে নাকি নিজস্ব DNS ব্যবহার করে। আমরা নিজস্ব DNS ব্যবহার করার জন্য Use DNS For this Domain লেখা বোতামে ক্লিক করবো।
  • পরের পৃষ্ঠায় Use Dot TK's Free DNS Service লেখা রেডিও বোতামে ক্লিক করুন।
  • Use Free DNS Services on DOT Tk
  • আপনার পছন্দের নামযুক্ত ঘরের পাশে যে IP Address লেখা টেক্সট বক্স আছে, তা নিচের ছবির মতো তথ্য দিয়ে পূরণ করুন।
  • Use Free DOT Tk DNS Services
  • এই তথ্যগুলি ব্লগারের (Blogger.com) ব্লগ ব্যবহার করলে লিখতে হবে। আপনি যদি কোন ফ্রি হোস্ট সার্ভিস ব্যবহার করেন, অথবা কোন নিজস্ব হোস্টিং ব্যবহার করেন, তাহলে Use my own DNS Services লেখা বোতামে ক্লিক করুন। প্রযোজ্য জায়গায় Name Server এবং IP Address লিখে দিন। ব্লগার.কম এর ব্লগের ক্ষেত্রে আমরা www ছাড়া ঠিকানার ক্ষেত্রে IP Address দিব 216.239.32.21 অথবা 64.202.189.170, আর www যুক্ত ঠিকানার ক্ষেত্রে IP Address ঘরে লিখব ghs.google.com
  • শেষে আপনার ইমেইল (Email) ঠিকানা ও ক্যাপচা (Captcha) শব্দগুলি টাইপ করে next লেখা বোতামে ক্লিক করুন।
  • আপনার দেয়া ইমেইল ইনবক্সে Dot.tk থেকে একটি চিঠি এসে উপস্থিত হবে। এখানে আপনার একাউন্ট সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য এবং শুধুমাত্র আপনার জন্য একটি বিশেষ কনফার্মেশন কোড (Confirmation Code) থাকবে। একটিভ করার জন্য প্রযোজ্য লিংকে ক্লিক করলে এই কনফার্মেশন কোডটির প্রয়োজন হবে। You will need a confirmation code to complete regstration at DOT TK.
  • DOT TK registration process confirmation code
  • কনফার্মেশন কোডটি (Confirmation Code) টেক্সটবক্সে টাইপ করে Confirm লেখা বোতামে ক্লিক করুন। Your registration process is complete now.
  • আপনার রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে যাবে।
  • এবার আপনাকে ব্লগার.কম এ লগইন (Login) হয়ে যে ব্লগের সাথে Dot.tk থেকে নেয়া ডোমেইনকে সংযুক্ত করতে চান, তার সেটিংস পরিবর্তন করতে হবে। পরিবর্তন করার পদ্ধতি জানুন কিভাবে ব্লগার.কম এর ব্লগকে নিজস্ব ডোমেইনের সাথে সংযুক্ত করতে হয় এই লিংক থেকে।
  • ব্যক্তিগত বা কোন অবানিজ্যিক উদ্দেশ্যে তৈরি করা সাইটগুলোর ডোমেইন Dot.tk থেকে রেজিস্টার করে ব্যবহার করা যেতে পারে বলে আমি মনে করি। অযথা টাকা খরচ করে ডোমেইন কেনার বিলাসিতা কি আমাদের মতো দরিদ্র দেশের নাগরিকদেরকে মানায়?
  • তবে মনে রাখতে হবে যে, Dot.tk থেকে নেয়া ফ্রি ডোমেইন ব্যবহারের শর্ত কিন্তু একটাই আছে। আর তা হল ৯০ দিনের মধ্যে কমপক্ষে ২৫টি ভিজিট হতে হবে এই ডোমেইনে। তা না হলে কিন্তু ডোমেইনটির রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।
  • লক্ষ্য রাখুন-- আগামীকাল লিখব বিখ্যাত co.cc থেকে নেয়া ফ্রি ডোমেইনের DNS পরিবর্তন করার পদ্ধতি
আপডেটঃ (২৮/০২/২০১০) আজ dot.tk তে একটি সাইটের রেজিস্ট্রেশন করে দিলাম। ডট.টিকে কন্ট্রোল প্যানেলে এই সাইটের DNS পরিবর্তনের তথ্য সবার সাথে শেয়ার করলাম।
dot tk control panel informationএখানে দেখুন A এবং CNAME কিভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে। IP Adress 216.239.32.21 এর বদলে 64.202.189.170 দিয়ে কাজ হয়েছে।

বাংলায় লোকালাইজ করা Firefox 3.5 এবং ডিকশনারি ডাউনলোড করুন

সম্পূর্ণভাবে বাংলা লোকালাইজ (Bangla Localized) করা মজিলা ফায়ারফক্স (Mozila Firefox) এখন ডাউলোডের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। আগ্রহীরা এখনই ডাউনলোড করে নিন। উইন্ডোজ (Windows), ম্যাক ওএস (Mac OS) এবং লিনাক্স (Linux) তিনটি প্লাটফরমেই এখন আপনারা বাংলায় রূপান্তরিত মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহার করতে পারবেন।

আপনার প্লাটফরম অনুযায়ী সঠিক ইনস্টলারটি (Installer) ডাউলোড করুন এখান থেকে

এর পাশাপাশি প্রায় ১০০,০০০ শব্দ সম্বলিত ডিকশনারীও (Dictionary) মজিলা ফায়ারফক্সের জন্য তৈরি করা হয়েছে। অনলাইনে লিখতে গিয়ে বাংলা বানান ভুল লেখার পরিমাণ এখন অনেকাংশেই কমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।Download Bangla localized mozila firefox 3.5.
Firefox addons bangla dictionary
মজিলা ফায়ারফক্সের জন্য বাংলা ডিকশনারিটি পাওয়া যাচ্ছে ফায়ারফক্সের এডঅনস (Firefox Addons) হিসেবে।
এখানে ক্লিক করে ফায়ারফক্সের জন্য বাংলা ডিকশনারি ইনস্টল করে নিন। এর ভার্সন 0.03a
You can install a Bangl a spell checker as a firefox adons.
আর এই অনন্য সুবিধা দুটি ফায়ারফক্সে ৩.৫ ভার্সনের জন্য সম্পূর্ণভাবে উপযোগী। কোনরকম সমস্যা হবার কথা নয়।

ফায়ারফক্সের চাইতে দ্রুততর ব্রাউজার Swiftfox

যারা ফায়ারফক্স (Firefox) ব্রাউজার ব্যবহার করেন, তাদের জন্য সুখবর। ফায়ারফক্সের ইঞ্জিনের উপর ভিত্তি করে একটি নতুন ব্রাউজার তৈরি করা হয়েছে। এটা এমনভাবে অপটিমাইজ করা যেন তা ফায়ারফক্সের চাইতে অপেক্ষাকৃত দ্রুততর হয়। এর নাম Swiftfox.

আমরা সাধারণত ডিফল্টভাবে ফায়ারফক্স ব্রাউজার ব্যবহার করি। কিন্তু কখনও কখনও কম্পিউটারে একাধিক ব্রাউজার থাকার প্রয়োজন পড়ে। সেক্ষেত্রে সুইফটফক্স হতে পারে একটি দারুণ বিকল্প। আজ আমরা উবুন্টু লিনাক্সে কিভাবে Swiftfox ইনস্টল করতে হয়, তার প্রক্রিয়া জানবো। যারা অন্য লিনাক্স ব্যবহার করেন, তারা মূল সাইটে ভিজিট করে প্রয়োজনীয় ইনস্টলারটি বেছে নিতে পারবেন। কম্পিউটারে হার্ডওয়ারের উপর নির্ভর করে সুইফটফক্সের বিভিন্ন ইনস্টলার পাওয়া যায়।

উবুন্টুতে Swiftfox ইনস্টল করার পদ্ধতি:
  • সিনাপ্টিক প্যাকেজ ম্যানেজারে নিচের রিপোজিটরীটি যোগ করুন।
deb http://getswiftfox.com/builds/debian unstable non-free
  • এবার টার্মিনাল খুলে নিচের কোডটি লিখুন। (সম্পূর্ণ লেখাটি সিলেক্ট করে কপি করে নিয়ে টার্মিনালের নির্দিষ্ট জায়গায় মাউসের মাঝের বোতামটি চাপুন।)
apt-get update && apt-get install swiftfox-i686
ইনস্টল হয়ে গেলে Applications> Internet মেনুতে Swiftfox দেখতে পারবেন। রান করে দেখুন। পার্থক্য বোঝার জন্য মোটেও কষ্ট করতে হবে না।
This is fully optimized version of Firefox browser. You can crawl website quickly then other browser.
Swiftfox এর মূল ওয়েবসাইট হল : http://getswiftfox.com/

ফায়ারফক্সকে পারসোনা দিয়ে সাজিয়ে তুলুন


উপরের ছবিটি দেখুন। ফায়ারফক্স ব্রাউজারের উপরের অংশ এবং নিচের অংশ কেমন নতুন সাজে সেজেছে। আপনিও আপনার প্রিয় ফায়ারফক্সকে এমন রঙিন সাজে সাজিয়ে নিতে পারেন। আর এটা সম্ভব MozilaLabs এর Personas নামক প্রজেক্টটি থেকে।

Personas website এ ভ্রমণ করুন আর " Get Personas for Firefox - Free" লেখাতে ক্লিক করে ফায়ারফক্সের এডঅনটি (Firefox addons) ইনস্টল করে নিন। তারপর ফায়ারফক্সকে সাজিয়ে তুলুন মনের মতো করে। Install Firefox addons named personas made by mozilalabs.

কম্পিউটারে ফায়ারফক্স ব্রাউজার ইনস্টল করা নেই। তাহলে এখানে ক্লিক করে এখনি ফায়ারফক্সের লেটেস্ট ভার্সনটি ডাউনলোড করে নিন। You can decorate your firefox in various mode.

স্প্যামারের উদ্দেশ্য বুঝে সাবধান হয়ে যান আগেই

ফ্লোরেন্স রিয়া

স্প্যাম কিম্বা অনাকাঙ্খিত ইমেইল আমরা সকলেই কমবেশি পেয়ে থাকি। তার কোনোটা অকাজের এবং বিশেষ ক্ষতিকারক নয়, কিন্তু তারই মধ্যে কিছু ইমেইল আপনার সর্বস্ব কেড়ে নিতে পারে। সুতরাং সকল ধরনের স্প্যাম ইমেইল চিনে রাখা ভালো। যেগুলি আপনার ক্ষতি করবেনা সেগুলি হল বিভিন্ন দ্রব্যপণ্যের বিজ্ঞাপনী ইমেইল। আমাদের কাছে আসে কম দামি ও বেশি দামি ঘড়ি কেনার লোভ দেখানো ইমেইল। আসে নানারকমের ওষুধের বিজ্ঞাপনের ইমেইল। নানাবিধ ওয়েবসাইটের এডমিনরাও ইমেইল করে তাদের নতুন ওয়েবসাইটের জানান দেন। এই জাতীয় স্প্যাম ইমেইল আপনার ক্ষতি করবেনা ততোটা। মাঝে মাঝে তাও করতে পারে! আমি আমার ISP ইমেইলে পাই মাসে ৭৫০'টির মতো স্প্যাম ইমেইল যার বেশিরভাগই ক্ষতি করবেনা আমার।

কোন কোন ইমেইল ক্ষতি করতে পারে?Have you ever get any email what said that you have won a huge amount of money?
আচ্ছা, আপনি কি কখনো এমন ইমেইল পেয়েছেন যেখানে বলা হচ্ছে যে আপনি লটারীতে টাকা জিতেছেন? কিম্বা, বিদেশি কোনো সংস্থার নাম করে ইমেইল পেয়েছেন যেখানে আপনাকে ঘরে বসে আয়ের লোভ দেখানো হয়েছে? কিম্বা ধরুন সেই সংস্থার সেলস্‌ এজেন্ট হিসেবে কাজের প্রস্তাব? অথবা, এমন একটি হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া ইমেইল যেখানে কেউ আর্ত কন্ঠে জানাচ্ছে যে কয়েক বছর আগে তার পরিবারের কেউ মারা গিয়েছেন এবং তিনি অনেক টাকা রেখে গিয়েছেন যা তার দেশে বসে সহজেই পাওয়া যাচ্ছেনা তাই আপনার সাহায্য চাই এবং এর জন্য আপনাকে কমিশন দেওয়া হবে?Which kind of email can harm you? Beware of this kind of email. They will offer you for some job. If they said that you won lottery then know that they are scammer.
এমন জাতীয় ইমেইল পেলে সাবধান!
প্রথম যে ধরনের ইমেইলের কথা লিখেছি, অর্থাৎ আপনি লটারী জিতেছেন - এইগুলির বিপদের মাত্রা তুলনামূলক ভাবে কমের দিকে। এরা সাধারনত স্ক্যামার। আপনাকে ভাঁওতা দিয়ে কিছু টাকা নিয়ে নিতে চায়। লটারীতে জিতেছেন ১০ লক্ষ মার্কিন ডলার, সেই টাকা পেতে এবং প্রসেসিং ফি বাবদ আপনাকে পাঠাতে হবে ২৫০০ ডলার। অনেকেই এই লোভে টাকা খুইয়েছেন, পরে কেঁদেছেন। বোকামী তাদেরই, বলা নেই কওয়া নেই, এইভাবে কেউ লটারী জেতে নাকি? লটারীতে অংশগ্রহণ করতে হয়, সেটা যে তারা না করেই লটারী জিতেছেন কিভাবে এটাও তাও তারা ভুলে গিয়েছিলেন টাকার লোভে।
You have won lottery. But actually they are trying to cheat you. Both kind of emails target is same.
এবারে আসছি পরবর্তী দুই ধরনের ইমেইলের প্রসঙ্গে। এই দুই ধরনের ইমেইলের উদ্দেশ্য একই। খেয়াল করবেন, এইসব ইমেইলে আপনার নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর ইত্যাদি চাওয়া হয়, কিছু ক্ষেত্রে শুধু ব্যাংক একাউন্ট নম্বর চাওয়া হয় (যেখানে তারা বেতন পাঠাবে কিম্বা কমিশন পাঠাবে বলে দাবী করে)। খুব খুব সাবধান এইসব ইমেইল পেলে। একেবারেই উত্তর পাঠাবেন না, কোনো তথ্যই দেবেন না তাদেরকে। এরা (যে লিখেছিল তার পরিবারের কেউ বিপুল অর্থ রেখে মারা গিয়েছে) আপনার ব্যাঙ্ক একাউন্টে পাঠাবে টাকা, এবং সেই টাকা অন্যের ব্যাঙ্ক একাউন্ট থেকে চুরি করেই তারা পাঠাবে আপনাকে। আপনার একাউন্টে টাকা এলে তারা সেই টাকা নেবে, আপনাকে দেবে কিছুটা ভাগ। চুরির টাকার ভাগ আসলে সেটা। যেদিন কেলেঙ্কারি হবে, সেদিন পুলিশ আগে আপনাকে ধরবে, তদন্তে অনেক কষ্ট আপনার হবে এইসব ইমেইল দেখিয়ে সব বুঝিয়ে প্রমাণ করতে। বাংলাদেশে ও পাকিস্তানে বসে পুলিশকে এইসব বোঝাতে প্রাণ ওষ্ঠাগত হবে। ভারতেও কষ্ট হবে, তবে রেহাই পাবেন তাড়াতাড়ি। কিন্তু এই তদন্তের মাঝে আপনার কম্প্যুটার থাকবে তদন্তকারী সংস্থার অধীনে।You can't get any help in Bangladesh and Pakistan. Indian police will understand this problem.
অন্যের ব্যাঙ্ক একাউন্ট চুরি? সেটা কিভাবে?
তাও স্প্যাম ইমেইল দিয়েই। অনেকেই এমন ইমেইল পেয়েছেন যেগুলি পাঠিয়েছে Bank of America, Chase bank, Wells Fargo bank, Natwest bank, Lloyds UK bank ইত্যাদি। যাদের কাছে এইসব ইমেইল আসছে তাদের অনেকেরই হয়তো সেইসব ব্যাঙ্কে একাউন্ট আছে। বাংলাদেশে কিম্বা ভারতে বসে হয়তো অনেকেরই নেই এইসব ব্যাঙ্কে একাউন্ট। তাই, আপনারা সহজেই বুঝে যাচ্ছেন এইটা ভুয়ো ইমেইল কিম্বা ভুল করে এসেছে। কিন্তু ধরুন, যারা আমেরিকায় কিম্বা ব্রিটেনে বসে, তারা কি ভাববেন? তাদের অনেকেই এটিকে সত্যিকারের ইমেইল ভেবে ফেলছেন। এইসব ইমেইলে লেখা থাকছে যে অন্য কেউ আপনার একাউন্ট ব্যাবহার করেছে, তাড়াতাড়ি আপনার পাসওয়ার্ড বদলে ফেলুন। এবং একটি লিঙ্ক দিচ্ছে যাতে ক্লিক করলেই আপনি পৌছে যাবেন সেই ব্যাঙ্কের ভুয়ো ওয়েবসাইটে, দেখতে অবিকল একই। ইউজারনেম দিলেন, পাসওয়ার্ড দিলেন, আপনি মেসেজ পেলেন যে আপনার পাসওয়ার্ড সুষ্ঠভাবেই পরিবর্তিত হয়েছে, এই বলে আপনাকে রিডাইরেক্ট করে দেওয়া হল ব্যাঙ্কের আসল ওয়েবসাইটে। আপনি আবার আপনার ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে ঢুকলেন একাউন্টে, দেখার জন্য যে সব ঠিক আছে কিনা - কিন্তু এটা যেহেতু আসল ওয়েবসাইট তাই সব ঠিকই দেখলেন এবং আপনি নিশ্চিন্ত হয়ে গেলেন।It's call phishing. They will stole your bank account, user id, password etc. Now that scam page will redirect you to original site.
কিন্তু আসলে কি হল?
ভুয়ো ওয়েবসাইটে যেখানে ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দিয়েছিলেন, তার পেছনেই ছিল একটি PHP Emailer এবং, আপনার ইউজারনেম/পাসওয়ার্ড তৎক্ষণাৎ চলে গেল স্প্যামারের কাছে। আপনাকে সে আসল ওয়েবসাইটে ফিরিয়ে দিয়েছিল, আপনিও সেখানে যাচাই করে নিশ্চিন্ত হয়েছিলেন বলে পাসওয়ার্ড আর পাল্টাননি, তাই স্প্যামার অনেক সময় পেল আপনার একাউন্টে ঢুকে তার চুরির কাজ ধীরেসুস্থ্যে সেরে ফেলার। সে আপনার টাকা ট্রান্সফারের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিল অন্য এক লোকের কাছে (যাকে তারাই ইমেইল করেছিল যে পরিবারের কেউ টাকা রেখে মারা গিয়েছে, কিম্বা সংস্থার সেলস্‌ এজেন্টের চাকরী)।Now you understand the variation of spamming and the link between them. They are conscious about their crime.
এবারে বুঝলেন দুই ধরনের স্প্যামিং এবং তার মাঝের যোগসূত্র? তারা নিজেরা যাতে ধরা না পড়ে, সেইজন্য একদিকে স্প্যামিং করে একজনের একাউন্ট চুরিও করছে, অন্যদিকে টাকা নিজের একাউন্টে না নিয়ে স্প্যামিং করে আরেকজনকে বোকা বানিয়ে তার একাউন্টে আপনার টাকা সরাচ্ছে। দুষ্কৃতিকারী মাঝে আড়ালেই রাখলো নিজেকে। আইনি ঝামেলা হলে ফাঁসবে দুই নিরপরাধ লোক এবং তারা দুইজনেই স্প্যামিং এর শিকার।So you may be going to victim of spamming. They transfer money with western union, monegram etc.
এই টাকা স্প্যামাররা তাহলে পাচ্ছে কি করে?
অনেক ক্ষেত্রে আইনি পদক্ষেপ নিতে দেরী হচ্ছে, আবার অনেক ক্ষেত্রে ইউজার নিজেই খেয়াল করছে দেরীতে যে তার টাকা চুরি গিয়েছে। যার একাউন্টে টাকা সরানো হল, তাকে আগেই শর্ত দেওয়া ছিল যে সে টাকা পাঠিয়ে দেবে এবং কমিশন পাবে। সেইমতো Western Union কিম্বা Moneygram ইত্যাদি ব্যাবহার করে স্প্যামার টাকা পেয়ে যাচ্ছে। এইসব সার্ভিসের নিয়মই হচ্ছে টাকা পাঠানোর সময়েই ভেরিফাই করে নেয়, পাঠানো হয়ে গেলে আর কিছুই করার নেই। যে টাকা রিসিভ করলো, তাকে আর ধরা যাচ্ছেনা, কারন সে ভুয়ো আইডেন্টিটি বানিয়ে ভুয়ো নামে টাকা তুলে নিয়েছে।How do they get this money? It is a group organising. That means you can not identify any individual criminal.
কতোবড় চক্র তাহলে কাজ করছে?
ভাবতে পারেন? এইসব একজন করেনা। এরা যথেষ্ট অর্গ্যানাইজড্‌ ভাবেই করে। একজনের কাজ স্প্যাম ইমেইল পাঠানো। সেই লোকই ইমেইল স্পাইডার জাতীয় জিনিস দিয়ে লোকের ইমেইল এড্রেস খোঁজে। সেই ইমেইল পাঠায় Anonymous mailer দিয়ে। Anomumous mailer এমন জিনিস, যেখানে FROM: ফিল্ডে যেকোনো নাম ও ইমেইল আইডি ব্যাবহার করা যায়। আপনিও জর্জ বুশ নামে ইমেইল পাঠাতে পারবেন! ইমেইলের ঠিকানাও দিতে পারবেন bill.gates @ microsoft . com !!! ভাবা যায়? হ্যাঁ, এইসব সম্ভব। সৌজন্যে, PHP coding. এরা ব্যাঙ্কের নাম ও ইমেইল এড্রেস ব্যাবহার করে ইমেইল পাঠায়। এই PHP coding দিয়েই আবার ভূয়ো ওয়েবসাইট বানানো হয় ব্যাঙ্ক, পেপাল, মানিবুকার্স ইত্যাদির। এটাকে এরা বলে স্ক্যাম পেজ। যেমন আমাদের ওয়েব পেজ, তেমন এদের হচ্ছে স্ক্যাম পেজ! It is call PHP coding. They use php to make their scam page. We have web page and they have scam page.
কোন সার্ভার থেকে এইসব ইমেইল পাঠায় এরা?
হ্যাক করা হয় অন্যের ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার (VPS) কিম্বা ভার্চুয়াল ডেডিকেটেড সার্ভার (VDS) কিম্বা একটি ডেডিকেটেড সার্ভার। এই মেইলার দিয়ে কয়েক লাখ ইমেইল এরা পাঠিয়ে ফেলে। টার্গেট, দুই ধরনের ভিক্টিম যা উপরে বর্নিত আছে। Scammer can send million email in a second. Two kind of victims are their target.
এইসব ইমেইল পাঠানো হয়ে গেলেই পরের কাজ শুরু এদের। উত্তর আসার পালা। একদিকে যেমন উত্তর হিসেবে আসতে থাকে অন্যের ব্যাঙ্কের তথ্যাদি, অন্যদিকে তেমনি এজেন্ট হতে চাওয়া লোকজনের উত্তর আসে যাদেরকে চুরির টাকা পাঠানো হবে। কাদেরকে পাঠাবে টাকা? যাদেরকে টাকা পাঠানো হবে সেই মানুষের লিস্ট স্প্যাম করেছে অন্য এক দল স্প্যামার। তারাও অপেক্ষা করছে কারা টাকা পাঠাবে।
If you are their agent they will send you a little a mount of that stolen money.
এদের যোগাযোগ কিভাবে হয়?
ইন্টারনেটের অন্ধকার এক গলি যার নাম "ইন্টারনেট রিলে চ্যাট" কিম্বা IRC - অনেক IRC সার্ভার আছে যেখানে এইসব চুরির হাট বসে রোজ। বেচাকেনা হয় মানুষের ব্যাঙ্ক একাউন্ট, ক্রেডিট কার্ড ইত্যাদি তথ্য। সব IRC server কিন্তু এইসব কাজ করেনা। অনেক সার্ভার আছে যেখানে মানুষ আসলেই স্বাভাবিক চ্যাট করে।Scammers use IRC server to contact between them. They have personal underground server for make crime related activity.
মূলতঃ তিন ভাগে এই চুরির টাকা ভাগ হয়। প্রথম ভাগ পায় যে, তাকে এদের ভাষায় বলে 'drop', দ্বিতীয় ভাগ পায় দালাল, এবং সবশেষে ভাগ পায় যে মূল চুরি করেছিল অন্যদের একাউন্ট। এইসব দালালরা কিন্তু স্প্যামার, এরাই পাঠিয়েছিল ওই পরিবারের কেউ মরে গিয়েছে জাতীয় ইমেইল।Now it is clear that how this crime circle do their job. According to FBI report most of this crime done by 3rd world citizen.
আশাকরি এতোক্ষণে আপনাদের কাছে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে কিভাবে এই পুরো চক্র কাজ করে চলেছে? অনেকের কাছেই এটা জটিল মনে হতে পারে। আসলেই এইটা অনেক কষ্টের কাজ। অনেক খুটিনাটি মেনে এই কাজ চলে। একটু ভুল মানেই সব কাজ পণ্ড হয়। মার্কিন গোয়েন্দা দপ্তরের রিপোর্টে আছে যে অনেক দেশের প্রচুর গরীব পরিবারের একমাত্র আয়ের পথ হচ্ছে এই জাতীয় অপরাধের মধ্যে দিয়ে। দারিদ্রই মূল কারন। দারিদ্রই মানুষকে ঠেলে দেয় অনেক অপরাধের পথে।
They are brilliant but spoiled. So they like various cyber crime.
তাই, স্প্যাম ইমেইল থেকে সাবধান। চিনে নিন যতো ধরনের ইমেইল। এবং তাদের উদ্দেশ্যগুলি কি কি। Underworld'এর এই জটিল এবং অন্ধকার পথে জড়িয়ে যাচ্ছে মূলতঃ নাইজেরিয়া, মরোক্কো, মিশর, রাশিয়ার তাজা কিছু প্রাণ, কিছু মেধাবী মস্তিষ্ক। ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানও আছে তালিকায়। এরা ধরাও পড়ছে, জেলও খাটছে। তার পরে কিছু আছে যারা ভাল হয়ে যাচ্ছে, আবার কিছু আছে যারা ফিরে যাচ্ছে পুরোনো অন্ধকারের পথে। আমাদের চিন্তা তাদেরকে নিয়ে নয়, তাদের জন্য আইন আছে, কিন্তু আমাদেরকে আমাদের সুরক্ষা দেখতে হবে। তাই সব জেনে বুঝে নিয়ে বিপদ থেকে দূরে থাকাই বাঞ্ছনীয়।Next time we will know how do we safe our credit card.
আগামীতে আমরা জানবো কিভাবে আমাদের ক্রেডিট কার্ড আমরা সুরক্ষিত রাখতে পারি।

** লেখকের অনুমতিক্রমে প্রকাশিত।

ফায়ারফক্সের জন্য পরশমণি ডাউনলোড সমস্যার সমাধান

আপডেট: প্রথম আলো সহ অন্যান্য আসকি পদ্ধতিতে লেখা পত্রিকাগুলোর অনলাইন ভার্শন ফায়ারফক্সে (Firefox) দেখা যেত না। এই সমস্যাটির সমাধান দিয়ে আমি একটি পোস্ট লিখেছিলাম। সেই পোস্টের মন্তব্য ঘরে একজন মন্তব্য করেছেন যে 'পরশমণি' এডঅন'টি (Addons) তিনি ডাউনলোড (Download) করতে পারছেন না। কি কারণে তিনি ডাউনলোড করতে পারেননি, তা অবশ্য জানাননি। যাহোক আমার কাছে থাকা ফাইলটি বক্স.নেট সাইটে (Site) আপলোড (Upload) করে আপনাদের জন্য উপস্থাপন করলাম। আশা করি এবার 'পরশমণি' ডাউনলোড করতে কোনরকম সমস্যা হবে না।

এ বৎসরের শেষের দিকে লিনাক্সের জন্য অভ্র আসছে

বিশেষ খবর -লিনাক্সের জন্য অভ্র আসছে: বাংলা ভাষাকে অনলাইনে (Online) সহজলভ্য করে তোলার জন্য তরুণ প্রোগ্রামারদের পরিশ্রমের শেষ নেই। তাদের এক বিশেষ অবদান হল 'অভ্র'। যাঁরা ইউনিকোড (Unicode) পদ্ধতিতে লিখে থাকেন, তারা প্রায় সবাই ওমিক্রনল্যাবের তৈরি 'অভ্র' ব্যবহার করেন। পুরনো পদ্ধতির বিজয় (Bijoy) দিয়ে অনলাইনে কোনরকম বাংলা লেখালেখি করা যেত না। তারা নিজেদের সফটওয়ারকে (Software) বাংলা লেখার একমাত্র পদ্ধতি বলে মনে করতো। 'অভ্র' এসে তাদের সেই অহংকারে দূর্গে আঘাত এনেছে। যাঁরা অনলাইনে বাংলা লেখেন বা বাংলায় ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগ তৈরি করতে চান, তাদের কাছে 'অভ্র'র বিকল্প এতদিন ছিল না। অভ্র'র এই জনপ্রিয়তা দেখে বিজয়ওয়ালারা তাদের সফটওয়ারের ইউনিকোড ভার্শন বের করতে বাধ্য হয়েছে।

এতদিন 'অভ্র' ব্যবহার করা যেত শুধুমাত্র উইন্ডোজ (Windows) কম্পিউটারে। অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমে 'অভ্র' কাজ করতো না। কিন্তু গতকাল ভিস্তা আর্কের রিফাত তার টুইটার ব্লগে (Tweeter Blog) জানিয়েছেন যে লিনাক্সের জন্য 'অভ্র' তৈরির কাজ ৯৯ ভাগ (99%) সম্পন্ন হয়ে গেছে। আর কিছুদিনের মধ্যেই বিভিন্নরকম পরীক্ষা নিরীক্ষার পর 'অভ্র ৫' এর প্রথম ভার্শনটি সবার ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।

আমারব্লগ.কম সোশাল ব্লগিং সাইটের (Social Blogging Site) ব্লগার 'যুদ্ধদেব' এর একটি পোস্টে জানা গেল যারা আলফা টেস্টার তারা আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে অভ্র'র আলফা ভার্সনটি (Alfa Version) হাতে পাবে। তাদের হাতে ফুল ভার্সনটি (Full Version) আসতে আরো প্রায় ১ মাস লাগবে। সম্পূর্ণ অভ্র ৫ (Avro 5) আসতে পারে এ বছরের শেষের দিকে কিংবা আগামী বৎসরের শুরুতে।

আমারব্লগ.কম সোশাল ব্লগিং সাইটের পোস্টটির সৌজন্যে অভ্র'র আলফা টেস্টার ভার্সনের একটি স্ক্রিনশট (Screen Shot) পাওয়া গেল।
ছবিটি দেখে ধারণা করা যায় যে লিনাক্সে (Linux) বাংলা লেখার অন্য কিবোর্ডগুলোর মতো 'অভ্র ৫' আসছে স্কীম (SCIM) এর কাঁধে ভর করে।

লিনাক্সপ্রেমীরা সবাই অধীর আগ্রহে এই ঘোষণাটির জন্য অপেক্ষা করছিল। আশা করি খুব তাড়াতাড়ি তাদের অপেক্ষার পালা শেষ হবে। আমরা সবাই অপেক্ষা করছি লিনাক্সের জন্য অভ্র'র উন্মুক্ত হওয়ার সেই মাহেন্দ্রক্ষণটির জন্য।

ধন্যবাদ ভিস্তা আর্ক, ধন্যবাদ রিফাত

<#> এতদিনেও কেন লিনাক্সে বাংলা লেখার জন্য অভ্রকে তৈরি করা যায়নি সে সম্পর্কে অভ্র'র নির্মাতার নিজের লেখাটি দেখুন সচলায়তনের এই পাতায়। মেহ্‌দী হাসান খান বিশদভাবে আলোচনা করেছেন যে, অভ্র তৈরি করতে ব্যবহার করা হয়েছে ভিজুয়াল বেসিক ৬ । বর্তমানে মাইক্রোসফট ভিজুয়াল বেসিক ৬ এর পর আর কোন আপডেট না ছাড়ায় নতুন প্লাটফরমের উপযোগী করে অভ্রকে তৈরি করা যাচ্ছিল না।

অভ্র'র নির্মাতার ভাষায়:
অভ্রর প্রথম দিকের ভার্শন শুরু হয়েছিল শুধু ইউনিবিজয় এর ফিক্সড কীবোর্ড লেআউট নিয়ে। সেটা ২০০৩ সালের কথা। উইন্ডোজে বাংলা ইউনিকোড ব্যবহার লেখার এটাই ছিল প্রথম প্রয়াস। অঙ্কুর আগে থেকেই বাংলা লিনাক্স নিয়ে কাজ করছিল, কিন্তু সেই সময় বাংলাদেশে "বায়োস" বাংলায় লিনাক্সের একটা ডেমো নিয়ে একুশে বইমেলাতে আসে। ওদের ইউনিবাংলা ফন্টটা উইন্ডোজে ব্যবহার করতে গিয়ে কোন উপায় না পেয়েই আমি প্রথম অভ্রর কাজ শুরু করি। অভ্রর প্রথম কিছু ভার্শন ছিল খুবই আনস্টেবল, হতাশাজনক ভাবে ".নেট ফ্রেমওয়ার্ক ভার্শন ১" ব্যবহার করে তৈরী সেই অভ্র (সেই সময় অভ্রর নাম ছিল ইউনিবিজয়) আমার কম্পিউটার ছাড়া আর কোথাও কাজ করত না! পরে প্রজেক্টটা ভিবি ৬ এ কনভার্ট করে স্টেবল করা হয়। যেহেতু ভিজুয়াল বেসিকের উন্নয়ন মাইক্রোসফট বন্ধ করে দিয়েছে, তাই এখন ভার্শন ৫ এর জন্য ভবিষ্যত প্রয়োজন মেটাতে প্রজেক্টটা আবার ডেলফিতে কনভার্ট করা হচ্ছে।
অভ্র'র সোর্স কোডকে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিলে একটা মহা সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর তা হলো নিরাপত্তা সমস্যা। ওপেন সোর্স অর্থ হলো এর সোর্স কোডটি ব্যবহার করে যে কেউ সফটওয়ারটি উন্নয়ন বা আরও বিভিন্ন জিনিস যোগ বা বিয়োগ করতে পারেন। সেক্ষেত্রে অভ্রকে ক্ষতিকর প্রোগ্রাম হিসেবে ব্যবহার করার একটা আশংকা থেকে যায়।

মেহ্‌দী হাসান এর ভাষায়:
যেকোন ইনপুট মেথড এডিটরের মত অভ্রও কীবোর্ড হুক করে কাজ করে। দীর্ঘ ৫ ধরে প্রজেক্টটি মানুষের বিশ্বাস অর্জন করে নিয়েছে। এখন কারো অ্যান্টিভাইরাস বা অ্যান্টিস্পাইওয়্যার যদি সতর্কতা বার্তাও দেয় যে "সফটওয়্যারটি কীবোর্ড হুক করছে, এটা একটা কী-লগারও হতে পারে", ব্যবহারকারীরা হাসিমুখে সেই মেসেজ উপেক্ষা করেন। অভ্র ওপেন সোর্স হলে ফুল ফাংশনালিটি বজায় রেখে এটাকে একটা ক্ষতিকর প্রোগ্রাম হিসেবে দাঁড় করিয়ে ফেলা সম্ভব যে কারো পক্ষেই। ব্যবহারকারী ভাবলেন পরিচিত কেউ তাকে অভ্র দিয়ে গেছেন, কিন্তু হতে পারে সেটা একটা কী-লগার যা তার পাসওয়ার্ড/ক্রেডিট কার্ড নাম্বার ইত্যাদি গোপনে চুরি করছে। এটা যেকোন মূল্যে হতে দেয়া যায় না। ডিজিটাল সিগনেচার/সার্টিফিকেট ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু ডিজিটাল সার্টিফিকেট কেনা এবং সময়ান্তে আপডেট করার জন্যও একটা বড় অংকের অর্থ প্রয়োজন। CRC চেক করা যেতে পারে। কিন্তু এইসব চেক যদি অভ্রই করে তাহলে সোর্স থেকে সেটাও বন্ধ করা সম্ভব।
এইসব বিভিন্ন রকম সমস্যা থেকে অভ্র মুক্ত থাকুক। ভালো জিনিস খারাপ মানুষের হাতে পড়লে খারাপ হয়ে যেতে পারে, তাই বলে তো আর 'চোরের ভয়ে কলাপাতায় ভাত খাওয়া' ঠিক হবে না। উপযুক্ত সমাধান সময়ে বের হয়ে আসবে, এই প্রত্যাশা করি।

ব্লগার.কম এর ন্যাভবারকে শেয়ার করার কাজে ব্যবহার করুন

ব্লগার.কম (Blogger.com তার ১০ বৎসর পূর্তি উৎসবে ব্লগলিখিয়েদেরকে (Blogger) আর একটি নতুন উপহার দিয়েছে। এবার তারা যে কোন ব্লগপোস্ট (Blogpost) শেয়ার (Share) করার জন্য এক নতুন ও সহজ সুবিধা সবার জন্য উন্মুক্ত করেছে। আমরা এতদিন আমাদের ব্লগপোস্টকে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার জন্য বিভিন্নরকম 'শেয়ারিং সুবিধা দেয়ার সাইট' ব্যবহার করতাম। এখন সেই একই সুবিধা পাওয়ার জন্য আমাদেরকে শুধুমাত্র ব্লগার.কম (Blogger.com) এর ডিফল্ট ন্যাভবারটি (Default Navbar) ব্যবহার করলেই হবে। কোনরকম থার্ড পার্টির (3rd Party) সফটওয়ার বা কোড ব্লগের শরীরে স্থাপন করতে হবে না।

ব্লগের ন্যাভবার নিয়ে নানামুনির নানারকম মত আছে। অনেকে ওয়ার্ডপ্রেসের (Wordpress) সাথে কিংবা বিভিন্ন ওয়েবসাইটের (Website) সাথে তুলনা করে ন্যাভবারটিকে ব্লগার.কম এর ব্লগের সৌন্দর্যের ঘাটতি বলে মনে করেন। এবং এইজন্য অনেকে বিভিন্ন কোড (HTML Code) ব্যবহার করে এই ন্যাভবারটিকে ঢেকে রাখেন। আমিও ব্লগার.কম এ খোলা ব্লগের ন্যাভবারকে ঢেকে রাখার জন্য একটি সহজ কোড আপনাদেরকে দিয়েছিলাম। কিন্তু আমি নিজে আমার ব্লগের ন্যাভবারকে ঢেকে রাখিনি। আমি এই পোস্টে লেখা পদ্ধতি ব্যবহার করে আমার ব্লগের ন্যাভবারটিকে লুকিয়ে রেখেছি। কারণ ব্যাখ্যা করি।

ব্লগার.কম ব্যবহারের বিধিবিধানে ন্যাভবার ঢেকে রাখাটা অপরাধের পর্যায়ে পড়েনা। আপনি ইচ্ছে করলে ন্যাভবারটিকে ঢেকে রাখতে পারেন। কিন্তু এই ন্যাভবারটিকে শুধুমাত্র সৌন্দর্যের দিক থেকে বিচার করলে হবে না। এটা একটা কাজের জিনিস। এই পোস্টটি পড়লে বুঝতে পারবেন, কি কি কাজ ব্লগার.কম এর ন্যাভবার দিয়ে করা সম্ভব। কোন কারণে যদি ন্যাভবারটিকে ঢেকে রাখতে চান, তাহলে বরং তা লুকিয়ে রাখুন। বেশ একটা চমকের মতো ব্যাপার তাতে হয়ে দাঁড়ায়। আমার বরং এটাই ভাল লাগে। এছাড়াও আজকে যে খবরটি আমি দিচ্ছি তা পড়লে যারা নিজেদের ব্লগে ন্যাভবারকে ঢেকে রেখেছেন, তারাও চাইবেন ন্যাভবারটিকে আবার প্রদর্শন করতে।

ব্লগার.কম তাদের ১০ বৎসর পূর্তি উপলক্ষ্যে এই ন্যাভবারে একটি নতুন সুবিধা যুক্ত করেছে। এর নাম 'Share', বাংলায় নাম রাখা হয়েছে 'ভাগ করুন'। Add this জাতীয় ওয়েবওয়ারের কোডগুলো দিয়ে আমরা আমাদের ব্লগের পোস্টগুলোকে বন্ধুদের সাথে ভাগাভাগি করে নেয়ার জন্য কিংবা বিভিন্ন সামাজিক সাইটে উপস্থাপন করার জন্য ব্যবস্থা করতাম। এখন ন্যাভবারের 'ভাগ করুন' লেখাতে ক্লিক করে ঠিক একই কাজ করতে পারবেন।



উপরের ছবিতে দেখানো হলুদ দাগ দিয়ে চিহ্নিত অংশে 'ভাগ করুন' লেখাতে ক্লিক করলে একটি নতুন উইন্ডো ওপেন হবে। নিচের ছবিটি দেখুন:-



ব্লগারের ন্যাভবারে আপাতত যে সাইটগুলো ব্যবহার করে বন্ধুদের সাথে একটি নতুন আকর্ষণীয় কিংবা প্রয়োজনীয় ব্লগ লেখাকে শেয়ার করতে পারেবন সেগুলো হল:
  • Email
  • Twitter
  • Facebook
  • Google Reader
এই কয়টি সুবিধা ব্যবহার করে বন্ধুদের কাছে একটি মজার কিংবা প্রয়োজনীয় লেখাকে পৌছে দিতে পারবেন। নতুন করে আর কোন শেয়ারিং কোড ব্যবহার করতে হবে না। এটা ঠিক যে, Add this জাতীয় ওয়েবওয়ারগুলো দিয়ে ৫০টিরও বেশি শেয়ারিং সাইটে কোন লেখা বা ওয়েবপেজকে শেয়ার করা যায়। সেক্ষেত্রে যারা অধিক সংখ্যক শেয়ারিং সাইটের বন্ধুদের সাথে নিজের খুঁজে পাওয়া গুপ্তধনকে ভাগাভাগি করে নিতে চান, তাদেরকে অবশ্য এই কোডগুলো ব্যবহার করে যেতেই হবে।

অবশ্য আপনি ইচ্ছে করলে দুটো সুবিধাকে একসঙ্গেই ব্যবহার করতে পারেন। সেক্ষেত্রে কোনরকম সমস্যা দেখা দিবে না।

বরটি প্রকাশিত হয়েছে Blogger Buzz এর এই পাতায়।

তিন মাত্রায় বিশ্বের দর্শণীয় স্থানগুলো ভ্রমণ করুন


তিনমাত্রা বা থ্রিডি গ্রাফিকস (3D Graphics)  এর নাম কে না জানে? এইধরণের ভিডিও (Video) দেখতে হলে বিশেষ রকমের কিছু উপাদান লাগে। ফ্রান্সের (France) টিভির অনুষ্ঠানগুলো নাকি সব থ্রি ডাইমেনশন বৈশিষ্ট্যের। বাংলাদেশে (Bangladesh) এইধরণের ভিডিও এখনও সহজলভ্য নয়। কিন্তু কম্পিউটার থাকলে কি না হয়?

"দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া, ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া।" আমরা বাংলাদেশীরা নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক সমস্যাসহ নানাবিধ কারণে দেশের অভ্যন্তরে কিংবা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এখনও ততটা ঘুরে বেড়ানো (Travel) শুরু করিনি। কিন্তু যদি 'Vizerra' নামক সফটওয়ারটি কম্পিউটারে ইনস্টল করা থাকে তাহলে আর রোদে পোড়া কিংবা বৃষ্টিতে ভিজে অর্থনাশ করার আর কোন দরকার নেই। এর সাহায্যে আপনি বাড়ির কম্পিউটারেই সারা বিশ্বের বিখ্যাত সব জায়গাগুলো (Famous places) এক লহমায় ঘুরে বেড়িয়ে আসতে পারেন। তাও সবকিছু দেখা যাবে তিন মাত্রার বা থ্রি ডাইমেনশন (3 Dimention) হিসেবে। অর্থাৎ চারপাশ ঘুরে বেড়ানো বলতে যা বোঝায় আর কি।

এই সফটওয়ারটি দিয়ে আপনি পৃথিবীর বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক স্থাপত্যগুলো (Historical and Architectural Monuments) বাড়িতে বসেই দেখতে পারবেন। পর্যটনসুবিধাবঞ্চিত আমরা সাধারণ জনগণ দর্শনীয় স্থানগুলোতে অপার্থিবভাবে হেঁটে বেড়ানোর (Virtual Walk) মতো অনুভূতি পেতে পারি এই সফটওয়ারটির তিনমাত্রার সুবিধাটুকু ব্যবহার করে।

ভিজেরা (Vizerra) সফটওয়ারটি এই ধরণের সফটওয়ারগুলোর মধ্যে সর্বপ্রথম শিক্ষামূলক সফটওয়ার (Educational Software)। উচ্চমানের থ্রিডি কোয়ালিটির, বিস্তারিত বর্ণনাসংযুক্ত এবং কার্যকরী ম্যাপ সার্ভিস এই এপ্লিকেশনটির মধ্যে বিল্টইনভাবেই রয়েছে। সার্ভারে থাকা তথ্যকে ক্লায়েন্ট অর্থাৎ বাড়ির কম্পিউটারে ডাউনলোড করে নিয়ে এসে আপনাকে দেবে এক অনাস্বাদিত জগতের অভিজ্ঞতা।

এর ক্লায়েন্ট অংশে তিনটি প্রধান ফিচার রয়েছে
  • ক) যে সব জায়গার থ্রিডি বর্ণনা পাওয়া সম্ভব একটি বিস্তারিত ম্যাপে সেই সব জায়গাগুলো স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা আছে।
  • খ) ডাউনলোড করার উপযোগী অঞ্চলভিত্তিক একটি ভার্চুয়াল এনসাইক্লোপিডিয়া (Virtual Encyclopedia)।
  • গ) একজন ভার্চুয়াল গাইডের (Virtual Guide) সহায়তায় কিংবা নিজে নিজে দর্শনীয় স্থানগুলোতে ঘুরে বেড়ানোর উপযোগী থ্রিডি মডেল (3D Model)।

এই সফটওয়ারটির প্রয়োজনীয়তা কি?
  • প্রাত্যাহিক কাজ বা জীবনের চাপ থেকে একটু মুক্তি ও স্বস্তি দিতে পারে।
  • পৃথিবীর সম্পর্কে নতুন কিছু জানার আগ্রহকে উস্কে দিতে পারে।
  • ভ্রমণ করার ক্লান্তি ছাড়াই আরামে পৃথিবীখ্যাত স্থানগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারেন।
  • অল্পবয়সী কিশোর-কিশোরীরা ইতিহাস, ভূগোল, স্থাপত্যবিদ্যা, শিল্পকলা সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করতে পারে।
কার জন্য এই সফটওয়ারটি বেশি উপযোগী
  • স্কুলের শিশুদেরকে ভূগোল, ইতিহাস সম্পর্কে আগ্রহী করে তোলা যেতে পারে।
  • যে সব অভিভাবক সন্তানদেরকে পৃথিবীখ্যাত জায়গাগুলো সম্পর্কে জানাতে চান।
  • ভবিষ্যতে কোন জায়গায় যাওয়া যেতে পারে এ সম্পর্কে একজন ভ্রমণকারী বিভিন্নরকম তথ্য পেতে পারেন।
  • পর্যটন ব্যবসায় নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গ নিজেদের কার্যক্রমকে আরও আকর্ষণীয় করে গ্রাহকের কাছে উপস্থাপন করতে পারে।
  • স্থানীয় পর্যটনক্ষেত্র সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করে তোলার জন্য কর্তপক্ষের কাছে এর গুরুত্ব রয়েছে।
  • থিডাইমেনশন ও পৃথিবীর বিখ্যাত সব ভৌগলিক ও ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে আগ্রহী সকল ব্যক্তিবর্গ এই সফটওয়ারটির মাধ্যমে নিজেদের জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে পারে।

ভিজেরা কি কি সুবিধা দেয়

  • আপনি এই ভিজেরা সফটওয়ারটি দিয়ে দর্শনীয় স্থানসমূহকে সকল দিক থেকে পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।
  • বিভিন্ন প্রখ্যাত জাদুঘর থেকে প্রাপ্ত তথ্য সরবরাহ করে।
  • একজন ভিডিও গাইডকে ব্যবহার করার সুযোগ দেয়।
  • অসাধারণ ও বাস্তবসম্মত শব্দ ও ঝকঝকে গ্রাফিক্সের স্পষ্টতা নিয়ে আপনি যেমন চান, তেমন আবহাওয়ার পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারে।
সিস্টেম কনফিগারেশন
  • অপারেটিং সিস্টেম: Windows XP/Vista
  • হার্ডওয়ার: Intel Core(TM)2 Quad 2.4GHz / AMD X3 8400 (2.1GHz) / AMD X3 8600 (2.3GHz)
  • GeForce 9800GT 512 Mb GDDR3 / Radeon HD 4850 X2
  • 2Gb RAM
  • 1Gb free hard disk space
  • Broadband Internet connection (at least 2560 Kbit/s)
* কম্পিউটারে ইনস্টল করার পর রান করালে আপনাকে প্রথমে দর্শনীয় স্থান নির্বাচন করতে হবে। সিলেক্ট করলে সেই জায়গার তথ্য ডাউনলোড হওয়া শুরু হবে।
* কম্পিউটারে আপনাকে এডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে লগইন হয়ে থাকতে হবে।
মাত্র ৮.৪ মেগাবাইট আকারের সফটওয়ারটি ডাউনলোড করা যাবে এখান থেকে।

প্রথম আলোসহ অন্যান্য পত্রিকা ফায়ারফক্সে ইউনিকোডে পড়ার পদ্ধতি

আমরা জানি যে প্রথম আলো সহ বেশ কিছু পত্রিকা আছে যারা নিজস্ব ফন্ট ব্যবহার করে। এই ফন্টগুলো ইউনিকোডভিত্তিক নয়। ফলে সেই পত্রিকাগুলো পড়তে হলে তাদের নিজস্ব ফন্ট ডাউনলোড করে কম্পিউটারে ইনস্টল করে নিতে হয়। কিন্তু 'পরশমণি' নামক একটি এডঅন (Addon) যদি ফায়ারফক্সে ইনস্টল করে নেয়া যায়, তাহলে আর আলাদা আলাদা পত্রিকার জন্য আলাদা আলাদা ফন্ট ইনস্টল করতে হবে না। এই প্রয়োজনীয় এডঅনটি তৈরি করেছে 'ভিস্তাআর্ক'। নতুন ফায়ারফক্স ৩.৫ (Firefox 3.5) এর জন্য আপডেটেড (Updated) পরশমণি এখন পাওয়া যাচ্ছে।

আপনারা জানেন প্রথম আলো সহ কিছু পত্রিকা ইতিমধ্যে নিজেদের সাইটের লিংক (Site Link) পরিবর্তন করে ফেলেছে। তাই আগের 'পরশমণি' এডঅনটি এইসব পত্রিকাকে সঠিকভাবে প্রদর্শন করতে পারতো না। নতুন ও আপডেটেড পরশমণিতে এই সমস্যাটির সমাধান করা হয়েছে।

এডঅনটি মজিলার অফিসিয়াল (Official) এডঅন সাইট (Addons) থেকে ফায়ারফক্সে ইনস্টল (Install) করে নিতে পারেন। কিংবা এডঅনটি ডাউনলোড (Download) করে কম্পিউটারে (Computer) হার্ডডিস্কে (Harddisk) রেখে দিয়ে ফায়ারফক্সে ইনস্টল করে নিতে পারেন।

ফায়ারফক্স ৩.০ এর জন্য 'পরশমণি' ডাউনলোড করার অফিসিয়াল সাইট হল:
https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/9975

আর ফায়ারফক্স ৩.৫ এর জন্য নতুন মডিফাই করা পরশমণি ডাউনলোড করুন নিচের ঠিকানা থেকে:
http://www.mediafire.com/?jn0nazya1zz


ডাউনলোডকৃত এডঅন ইনস্টল করার পদ্ধতি:
উপরে দেয়া লিংক থেকে poroshmoni-0_3-haxxored-by-invarbrass.xpi ফাইলটি ডাউনলোড করে হার্ডডিস্কে রেখে দিন। এবার ফায়ারফক্স চালু করে File menu থেকে Open File সিলেক্ট করে হার্ডডিস্কে থাকা poroshmoni-0_3-haxxored-by-invarbrass.xpi ফাইলটি দেখিয়ে দিন। Open কললেই এডঅনটি ইনস্টল হয়ে যাবে।
এবার প্রথম আলোসহ অন্যান্য পত্রিকা দেখতে পাবেন একেবারে স্পষ্টভাবে। আর পত্রিকার কোন লেখা কপি করলেও তা আর ভেঙে যাবে না। ইউনিকোড ফরমেটেই কপি হয়ে যাবে।

আপগ্রেডেট ফায়ারফক্স এক্ষুনি ডাউনলোড করে নিন। এখানে ক্লিক করে অফিসিয়াল ৩.৫ ভার্সনটি সংগ্রহ করুন।

কৃতজ্ঞতা:
  1. আমাদের প্রযুক্তি
  2. প্রজন্ম ফোরাম
আপডেট: একজন পাঠক মন্তব্য করেছেন যে পরশমনি ফাইলটি তিনি ডাউনলোড করতে পারছেন না। আপনি কি দয়া করে আর একবার নিচের দুটি থেকে আর একবার ডাউনলোড করার চেষ্টা করবেন?
ফাইল নং -১ .7z file. size: 8.7KB
ফাইল নং -২ zip file. size: 9KB

উবুন্টুতে খুব সহজে মোবাইল ফোন সংযুক্ত করুন

গতবছরের এপ্রিল মাসে উবুন্টু লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমে (Ubuntu Operating System) কিভাবে মোবাইল ফোন (Mobile phone) সংযুক্ত করতে হয় সে সম্পের্কে একটি লেখা পোস্ট করেছিলাম। উবুন্টুর নতুন ভার্সন (New Version) রিলিজ হবার পর সেই পদ্ধতিটি এখন আর ততটা প্রয়োজন নেই। এখন এই উবুন্টু ৯.০৪ (Ubuntu 9.04) ভার্সনে মোবাইল ফোন সংযুক্ত করা খুব সহজ। এখন আর আপনাকে কোনরকম পরিশ্রম করতে হবে না। নিচের ছবিগুলো ধারাবাহিকভাবে লক্ষ্য করুন।

১।উবুন্টু ইনস্টল করার পর ইউএসবি ক্যাবল (USB Cable) দিয়ে মোবাইল ফোনটি সিস্টেমের সাথে সংযুক্ত করার সঙ্গে সঙ্গে উপরের বার্তাটি প্রদর্শিত হবে। এখানে 'Forward' লেখা বোতামে ক্লিক (Click) করে এগিয়ে যান।

২।আপনার মোবাইল ব্রডব্যান্ডের সার্ভিস প্রোভাইডার (Mobile broadband service provider) কে তা সিলেক্ট (Select) করে দিন। আমার গ্রামীণ ফোন, তাই Grameen phone লেখাটি সিলেক্ট করে Forward বোতামে চাপ দিয়েছি।

৩।আপনাকে কোন APN বসাতে হবে না। উবুন্টু সিস্টেমে ডিফল্টভাবে (Default) সবকিছু লিখে দেয়া আছে। আপনাকে শুধু সিলেক্ট করতে হবে। উপরে দেয়া ছবিতে গ্রামীণ ফোন নির্বাচিত হয়ে গেছে। নাম হিসেবে ডিফল্টটাই রাখতে পারেন কিংবা সংক্ষেপে GP বা যে কোন শব্দ লিখে দিতে পারেন।

৪।উপরের বার্তাটি প্রদর্শন করে এটা জানানো হচ্ছে যে নতুন কনফিগারেশন (New Configuration) তৈরি হয়ে গেছে। নেটওয়ার্ক ম্যানেজার এপলেটটি (Network manager applet) সাধারণত উপরের মেনুর ডানকোণায় (Right side of upper menu) থাকে। না থাকলে আপনি ইচ্ছে করলে তৈরি করে নিতে পারেন। এই এপলেটটিতে ক্লিক করেই আপনাকে মোবাইল ব্রডব্যান্ডে সংযুক্ত হতে হবে।

৫।নেটওয়ার্ক ম্যানেজার এপলেটটিতে (Network manager applet) মাউসের বাম বোতাম (Left button) দিয়ে ক্লিক (Click) করলে একটি ড্রপ ডাউন মেনু (Drop down menu) আসবে। এখানে Grameen phone বা যে নাম দিয়েছেন তাতে ক্লিক করলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আপনি ইন্টারনেটে সংযুক্ত হয়ে যাবেন।

৬।উপরের বার্তাটি আমাদেরকে এটাই জানাচ্ছে যে, কম্পিউটারটি ইন্টারনেটে সংযুক্ত হয়ে গেছে।

এবার ফায়ারফক্স (ডাউনলোড করুন) চালু করে অনলাইনের (Online) দুনিয়ার ভ্রমণ করা শুরু করে দিন।

বাংলাদেশী কিশোরের অসামান্য সাফল্য

আজকের প্রথম আলো পত্রিকায় একটা খবর দেখলাম। আপনাদের সবার সাথে শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারলাম না। বাংলাদেশি কিশোর 'শেহজাদ' নিজেই একটি সার্চ ইঞ্জিন তৈরি করেছে। গুগল, ইয়াহু সহ বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনের দৌড়ে বাংলাদেশের এই নিজস্ব ইঞ্জিনটি অনলাইনের কোন কোণায় পড়ে থাকবে কে জানে। কিন্তু তারপরও আমাদের মেধাবী তরুণরা যে ধীরে ধীরে অনলাইনের বিভিন্ন এপ্লিকেশন তৈরিতে বিশ্বমানের প্রোগ্রামারদের পাশাপাশি নিজস্ব প্রতিভার স্বাক্ষর রাখছে, তাই বা কম কিসে? প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত খবরটি সম্পূর্ণ তুলে দিলাম।

সার্চ ইঞ্জিনটি ঠিকানা www.searchw3.net

বাংলাদেশি কিশোরের সার্চ ইঞ্জিন
নাসির খান
শেহজাদ নামের বাংলাদেশি এক কিশোর অল্প কিছুদিন আগে ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজার একটি সার্চ ইঞ্জিন তৈরি করেছে। সাইটটির ঠিকানা হলো www.searchw3.net। এটি একটি মেটা সার্চ ইঞ্জিন। অর্থাৎ এটির নিজেস্ব কোনো ডেটাবেইস বা তথ্যভাণ্ডার নাই। এক বা একাধিক পূর্ণাঙ্গ সার্চ ইঞ্জিনের ফলাফল এ ধরনের সার্চ ইঞ্জিনে দেখানো হয়। তথ্য সমন্বয়ের মাধ্যমে সঠিক ফলাফলটি দেখানোর জন্য এখানে বিভিন্ন ধরনের যাচাই-বাছাই (ফিল্টার) ও ব্যবস্থাপনাপদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। যেমন, এই সার্চ ইঞ্জিনে মূলত ইয়াহু! তথ্যভাণ্ডার (ডেটাবেইস) ব্যবহার করা হয়। সেই সঙ্গে এখানে আলটাভিস্তা, মাইক্রোসফট বিং এবং আস্ক সার্চ ইঞ্জিনের ফলাফলগুলো সমন্বয় করা হয়। অনলাইন বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়ার ফলাফলগুলো সার্চ পাতার নিচে একটি আলাদা অংশে দেখানো হয়। একটি বিশেষ ব্যবস্থাপনা-পদ্ধতির মাধ্যমে সার্চের ফলাফলগুলো বাছাই করে দেখানো হয়। শেহজাদের তৈরি সার্চ ইঞ্জিনের সবচেয়ে ভালো দিক হলো, সাইটটি খুব দ্রুত কাজ করে। এর চেহারাটাও চমৎকার।
মিতা নূর ও শাহনূর রহমান মজুমদারের দুই সন্তানের মধ্যে বড় শেহজাদ নূর কয়েক বছর ধরে সাইটটি তৈরির পরিকল্পনা এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় কাজগুলো করেছে। চার-পাঁচ মাস ধরে সাইটটি সে নিয়মিত হালনাগাদ করছে। বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল টিউটরিয়ালে পড়ার সময় থেকেই শেহজাদ এ কাজটি শুরু করে। গত বছর সে সি ব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ভর্তি হয়। বর্তমানে সে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র। শেহজাদ জানায়, গেম খেলা দিয়ে তার কম্পিউটার ব্যবহার শুরু হলেও এখন সে পুরোপুরি সফটওয়্যার তৈরির কাজ করছে। তার একার প্রচেষ্টায় সে এটি তৈরি করেছে। ফিল্টার ও তথ্য ব্যবস্থাপনার সিস্টেমটিও সম্পূর্ণ তার নিজের ডিজাইন করা।
সাইটটি গত এপ্রিল মাস থেকে চালু করা হয়েছে। তবে পাঁচ মাস আগে তৈরি করা হলেও বেশ কিছু দরকারি বিষয় এখানে এখনো অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি বলে প্রাথমিকভাবে দেখা গেছে। যেমন সার্চ করা ফলাফলগুলোর সঙ্গে এক লাইনের অতি সংক্ষিপ্ত একটি বর্ণনা থাকে। আরও বিস্তারিত থাকলে ভালো হতো। নির্দিষ্টভাবে ছবি বা ভিডিও খোঁজার কোনো অপশনও এতে রাখা হয়নি।
শেহজাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমান সুবিধাগুলোর ত্রুটি সংশোধন করা ছাড়াও নতুন নতুন বৈশিষ্ট্য সংযোজনের কাজও করা হচ্ছে। যেমন, বিশেষ শব্দ (কি-ওয়ার্ড) ব্যবহারের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কোনো ওয়েবসাইট খোঁজা। আশা করা যায়, কিছুদিনের মধ্যেই অন্যান্য জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনের সব বৈশিষ্ট্যই এখানে পাওয়া যাবে। সার্চ ইঞ্জিনের ইনফো পৃষ্ঠায় (www.searchw3.net/info.html) এটি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
খবরটি প্রথম আলো পত্রিকার ২১ আগস্ট, ২০০৯ সংখ্যার এই পাতায় প্রকাশিত হয়েছে।

১০টি উৎসাহব্যঞ্জক 'হরাইজন্টাল' ওয়েবসাইট - ২য় পর্ব

আমার আগের পোস্টটিতে আপনারা ৫টি হরাইজন্টাল ওয়েবসাইটের (Horizontal) খোঁজ জেনেছেন। এই পোস্টটিতে আমি আপনাদের আরও পাঁচটি পাশাপাশি দেখতে হয় এমন ওয়েবসাইটের (Website) খোঁজ দেব।

৬। Love Bento
এই সাইটটি এক ধরণের অনলাইন গাইড (Online Guide)। সারা পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ভালোলাগা - ভালোবাসা (Most loved) জিনিসপত্র সম্পর্কে এরা ভোট (Vote) গ্রহণ করে থাকে। আপনি নিজেও আপনার ভোটটি এখানে দিয়ে আসতে পারেন।

৭। Visuall
একজন ফ্রেঞ্চ (French) ওয়েব ডিজাইনারের (Web Designer) নিজস্ব ওয়েবসাইট। খুবই মার্জিত ও সিম্পল রঙ দিয়ে সাজানো এই সাইটটি আপনাকে আনন্দ দেবেই। পাশাপাশি নেভিগেশন (Navigation) যে কতটা মজার হতে পারে, তা এই সাইট ভিজিট না করলে বোঝানো সম্ভব নয়। পাশাপাশি ভ্রমণ (Horizontal Visit) করার পর যখন একেবারে শেষের পেজে বা তথ্যতে যাবেন তখন বামপাশের উপরের Home ঘরে ফিরে আসে একেবারে কোনাকুনি হয়ে।

৮। Jason Love
এটা নানারকমের কমিক সংগ্রহশালা (Comic Archive)। প্রতিদিন একটি করে কার্টুন (Cartoon), ব্যাঙ্গাত্মক রচনা, মজার বাণী সহ নানা কিছু এখানে নিয়মিত প্রকাশ করা হয়। এই সাইটের ডান কিংবা বাম দুইপাশে ভিজিট করাটা কিবোর্ড (Keyboard) দিয়েই বরং সহজ।

৯। Alex Flueras
Alex Flueras একজন প্রফেশনাল মিডিয়া ডিজাইনার (Professional Media Designer)। এটা তার ব্যাক্তিগত ওয়েবসাইট (Personal Website)। নিজের তোলা দারুণ দারুণ ছবি তো রয়েছেই । এছাড়াও নেভিগেশন করাটাও এখানে বেশ মজার। ডিজাইনারের অদ্ভুত চিন্তা ও ওয়েবমাস্টারদের উদ্ভাবনী কৌশলের এক দারুণ সমন্বয় ঘটেছে এই সাইটটিতে।

১০। Candice Holloway
এই সাইটটি Candice Holloway এর অনলাইনে উপস্থিতির স্বাক্ষর। তিনি একজন আধুনিক চিত্রশিল্পী। অনলাইনে নিজের শোকেসটির (Online Showcase) ডিজাইনটিও তাই চিত্রশিল্পীর প্রয়োজনমাফিক তৈরা করা। চিত্র প্রদর্শনীর (Art Exhibition) কথা মাথায় রেখে ওয়েবসাইটটির ডিজাইন করা হয়েছে। এই সাইটটি যে ভিজিটরদেরকে চিত্র প্রদর্শনী পরিদর্শনের আনন্দ দেবে সেকথা বোধহয় না বললেও আপনারা বুঝতে পারছেন।

এই ১০টি ওয়েবসাইটকে ফিচার হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে এখানে।
 

পাঠকের প্রতিক্রিয়া

কিছু কথা

সফটওয়ার ও ওয়েবওয়ারের বিভিন্ন টিপ্‌স, টিউটোরিয়াল, হ্যাক্‌স, টেমপ্লেট বা থিম্‌স ইত্যাদি নিয়েই আমি ব্লগ লিখছি। আমার প্রধান আগ্রহ ব্লগিং টিপস। এছাড়াও প্রযুক্তির বিচিত্র বিষয় নিয়ে মত বিনিময়, সমস্যা ও তার সমাধান এবং আলোচনা করার জন্য এই ব্লগ খুলেছি। আশা করি আপনি নিরাশ হবেন না। এই ব্লগের সব লেখাগুলো যেকোন মিডিয়ায় এই লাইসেন্সের আওতায় প্রকাশ করতে পারবেন। বিস্তারিত পড়ুন....

Search This Blog

© 2009-2014 Bangla Hacks | Design by: Bangla Hacks. Powered by: Blogger