Showing posts with label Fun. Show all posts
Showing posts with label Fun. Show all posts

বিশ্বকাপ উন্মাদনায় গুগল মাতোয়ারা

গোওওওওওওওওলবিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হতে আর মাত্র তিনদিন বাকী আছে। ফুটবল উন্মাদনা আগামী এক মাস সারা পৃথিবীকে যে পাগল করে রাখবে, সে কথা বলাই বাহুল্য। ফুটবল জ্বরে পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ যখন কাতর হয়ে আছে, তখন গুগল কি আর সে প্রভাবের বাইরে থাকবে? মোটেও না।

গুগল.কম সাইটে যান এবং World Cup লিখে সার্চ করে দেখুন, ফলাফল কি দাঁড়ায়?গুগল.কম.বিডিতে ওয়ার্ল্ড কাপ সার্চ রেজাল্টপ্রথমেই ১১ ও ১২ জুনের খেলার খবরের সাথে রয়েছে বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়া দেশগুলোর পতাকার ছবি। আর একেবারে নিচে গুগলের ডিফল্ট লোগোটি পাল্টে গেছে একেবারে ভিন্নভাবে।

সাধারণত আরও ফলাফল দেখানোর সার্চ রেজাল্ট পেজের তালিকার উপরে লেখা থাকে
Goooooooooogle
কিন্তু বিশ্বকাপ উন্মাদনার ফাঁদে পরে গুগল লেখাটি পাল্টে ফেলেছে। এখন লেখা আছে
Gooooooooooal!
www.banglahacks.com
যদি গুগল তার সার্চ রেজাল্ট বাংলায় দেখাতো তাহলে বোধহয় লেখা থাকতোঃ
গোওওওওওওওওওওল
তাইনা? আপনার কি মনে হয়?

গুগল ক্রোমিয়াম ছাগলগুলোকে অজানার উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দিচ্ছে

বিভিন্ন সফটওয়ারের মাঝে লুকিয়ে থাকা ইস্টার এগ আবিষ্কার করতে মজাই লাগে, তাই না? আজ আমরা গুগলের ক্রোমিয়াম ব্রাউজারের একটি মজার ইস্টার এগ দেখবো। তবে এটা শুধুমাত্র ক্রোমিয়ামের লিনাক্স ভার্সনে কাজ করে। উইন্ডোজের করে না বলেই জানি। তবে উইন্ডোজের জন্য তৈরি করা নতুন ভার্সনে এই ইস্টার এগ আছে কি না, তা পরীক্ষা করে দেখা হয়নি।

ক্রোমিয়ামের টাস্ক ম্যানেজারের কার্যক্রম পরীক্ষা করতে গেলে দেখতে পারবেন যে, অনেক অনেক ছাগলকে ক্রোমিয়াম কোথায় যেন পাঠিয়ে দিচ্ছে। হ্যাঁ, বিশ্বাস হচ্ছে না? তাহলে নিচের কাজগুলো ধাপে ধাপে করুন। নিজেই ছাগলগুলোকে কোথাও পাঠিয়ে দেয়ার পরিসংখ্যান দেখে অবাক হয়ে যাবেন।
  • গুগল ক্রোম ব্রাউজার ওপেন করে দুএকটা ব্লাঙ্ক ট্যাব খুলুন।
  • এবার Shift+Esc চাপুন। টাস্ক ম্যানেজার ওপেন হবে।
  • ক্রোমিয়াম টাস্ক ম্যানেজারটাস্ক ম্যানেজারে দেখানো যে কোন একটা প্রসেসিং এর উপর মাউজের রাইট বাটন ক্লিক করুন।
  • খুলে যাওয়া ড্রপ ডাউন মেনুর একেবারে নিচে দেখতে পারবেন লেখা রয়েছে Goats Teleported
  • এটাকে সিলেক্ট করুন।
  • গুগল ক্রেমিয়াম ব্রাউজারের ইস্টার এগএবার টাস্ক ম্যানেজারের মধ্যেই ছাগলগুলোকে অজানার উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দেয়ার একটি তালিকা দেখতে পারবেন। http://www.banglahacks.com
  • এতগুলো ছাগলকে গুগল কোথায় পাঠিয়ে দিচ্ছে, তা আপনার জানা আছে কি?

ওপেন অফিসের ইস্টার এগ

ওপেন অফিস প্যাকেজটিতে বেশ কয়েকটি ইস্টার এগ লুকিয়ে আছে। আজ আমরা এই ইস্টার এগগুলোকে বন্দীদশা থেকে মুক্ত করবো।

# ওপেন অফিস প্যাকেজের প্রোগ্রামগুলির সবকটাতে যে ইস্টার এগটি লুকিয়ে আছে তা হলো:-
Help > About চাপুন এখানে Shift চেপে ধরে SDT লিখুন। SDT অর্থ Star Division Team
একটি নামের তালিকা ধীরে ধীরে উপরে উঠে যেতে থাকবে। সাধারণভাবে এটা স্থির থাকে। আর নামগুলোও দেখা যায় না।স্টার ডেভেলপমেন্ট টিম# এই ইস্টার এগ ওপেন অফিস প্যাকেজটির সবকটি প্রোগ্রামেই দেখা যাবে।

ওপেন অফিসের রাইটার প্রোগ্রামটিতে দুইটা ইস্টার এগ আছেঃ
যে কোন একটি নতুন পাতা নিয়ে তাতে লিখুন StarWriterTeam এবং F3 চাপুন। একটি ছবি দেখা যাবে।স্টার রাইটার টিমস্টার অফিসের রাইটার টিম এনারাই। এঁদের পরিশ্রমের ফলস ওপেন অফিসের রাইটার প্রোগ্রামটি।

# এবার একই পেজের নিচের লাইনে লিখুন GoOOTeam এবং F3 চাপুন।Gooo.org টিমমাইক্রোসফটের ফাইলগুলো ওপেন অফিস পড়তে পারে এই টিমের কারণেই।

# ওপেন অফিসের ক্যাল্ক (উবুন্টুতে স্প্রেডশীট, এক্সেলের মতো) প্রোগ্রামটিতে বেশ কয়েকটি ইস্টার এগ আছেঃ
একটি নতুন শীট নিয়ে এর প্রথম সেলটিতে বা সূত্র লেখার ঘরে লিখুন =STARCALCTEAM()
ওপেন অফিস ক্যাল্ক টিম
ওপেন অফিস ক্যাল্ক টিমের হাস্যোজ্জ্বল ছবি আপনার সামনে ভেসে উঠবে।

# বড় বড় চার্ট ও বিভিন্ন পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ করতে করতে যখন মাথা গরম হয়ে যায়, তখন একটু গেম খেলতে পেলে মন্দ হয় না। তাই না? ঠিক এই জন্য ওপেন অফিসের ক্যাল্ক (উবুন্টুতে স্প্রেডশীট,) প্রোগ্রামটিতে একটি গেম লুকিয়ে আছে। এই গেমটির নাম স্টারওয়ার গেম।
ওপেন অফিসে স্টারওয়ারস গেম খেলুন

স্প্রেডশীটস খুলে নতুন পৃষ্টাটির সূত্র'র ঘরে নিচের কমান্ডটি লিখে দিয়ে এন্টার দিন।
=GAME("StarWars")
স্টারওয়ার গেমস চালু হয়ে যাবে। হেরে গেলে কিন্তু আবার খেলতে পারবেন না। তখন একই কমান্ড প্রয়োগ করলে বলবে "oh no, not again"

আবার খেলতে চাইলে ওপেন অফিস নতুন করে চালু করতে হবে।

# আবার একটি নতুন শীট নিয়ে লিখুন =GAME("Froggie")
সূত্র গণনা করে ফলাফল দেখাবে Froggie

# টেক্সটভিত্তিক Tic Tac Toe খেলতে চাইলে ক্যাল্ক প্রোগ্রামের নতুন শীটের প্রথম সেলটিতে লিখুন =GAME(A2:C4;"TicTacToe")
দেখুন তো এবার জিততে পারেন কি না?

ওপেন অফিসের আরও কিছু ইস্টার এগের খবর জানতে ভিজিট করুন http://wiki.services.openoffice.org/wiki/Easter_Eggs

উবুন্টুর ইস্টার এগ

ছোট্ট সোনালী মাছটি ভেসে বেড়াচ্ছেবিভিন্ন সফটওয়ারের মধ্যে ডেভেলপাররা মাঝে মধ্যে কিছু অন্যরকম প্রোগ্রাম ঢুকিয়ে দেন। বেশিরভাগ সময় মজা করার জন্যই এটা করা হয়। এরকম মজার সফটওয়ারগুলোর কমন নাম হল 'ইস্টার এগ'। সাধারণতভাবে এই ছোট্ট সফটওয়ারগুলি মূল সফটওয়ারের কোন একটি জায়গায় লুকিয়ে থাকে। একটি বা কয়েকটি কমান্ড দিয়ে তাদেরকে খুঁজে বের করতে হয়। আমাদের প্রিয় উবুন্টু অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যেও কয়েকটি মজাদার সফটওয়ার লুকিয়ে আছে। আমরা আজ এই ইস্টার এগ -গুলোকে আর লুকিয়ে থাকতে দেব না। আজ আমরা জানবো উবুন্টুর তিনটি গোপন ইস্টার এগ -এর কথা।

Wanda একটি ছোট্ট সুন্দর সোনালী মাছঃ
ছোট্ট আকারের সোনালী রঙেরএই মাছটিকে আপনার সমস্ত ডেস্কটপ জুড়ে সাঁতরে বেড়াবার সুযোগ দেয়ার জন্য নিচের ছোট্ট কাজটুকু করুন।
Alt+F2
খুলে যাওয়া কমান্ড বক্সে লিখুন
free the fish
এবং এন্টার দিন। একটি ছোট্ট সুন্দর মাছ নিজের মনে আপনার সমস্ত ডেস্কটপ দিয়ে সাঁতরে বেড়াবে। মাছটির উপরে মাউস ক্লিক ভয় দেখাতে যাবেন না। তাহলে অপেক্ষাকৃত কাছের ডেস্কটপ সাইড (ডান অথবা বাম) দিয়ে মাছটি দ্রুত সাঁতরে পালিয়ে যাবে। মাছটিকে নিজের মনের মতো করে সাঁতরে বেড়াতে দিন। দেখবেন কিছুক্ষণ পরপর এসে আপনাকের সুন্দর একটি সঙ্গ দিয়ে যাবে।

এই সুন্দর মাছটিকে টার্মিনালে কমান্ড দিয়েও লুকানো জায়গা থেকে বাইরে নিয়ে আসা যায়।
টার্মিনালে লিখুন
sudo apt-get free the fish
এবং এন্টার চাপুন। মাছটি আর লুকিয়ে থাকবে না। আপনার সামনে এসে খেলা করতে থাকবে।

গরু ডাকে হাম্বাঃ

টার্মিনালে গরুটি হাম্বা রবে ডাকছে
না আপনার উবুন্টু হাম্বা হাম্বা রবে ডাকতে শুরু করে দিবে না। কিন্তু হাম্বাস্বরে ডাকে এমন একটি গরুকে আমরা টার্মিনালে নিয়ে আসতে পারবো। টার্মিনালে লিখুন
apt-get moo
এবং এন্টার দিন। একটি শিংওয়ালা বড় গরু সামনে এসে প্রশ্ন করবে "Have you mooed today?"

গরু আর মাছের মারামারিঃ
Alt+F2 চেপে খুলে যাও কমান্ড বক্সে নিচের কমান্ডটি দিন আর দেখুন বড় বড় শিংওয়ালা গরুগুলো এসে কিভাবে আপনার পোষা ছোট্ট মাছটিকে আক্রমণ করে।
gegls from outer space
আপনি এ্যারো কি দিয়ে ডানে বামে সরিয়ে এবং স্পেস বোতাম চেপে পাল্টা আক্রমণ চালাতে পারবেন।
গরু এবং মাছের লড়াই চলছে পুরোদমেতাড়াতাড়ি ও সাবধানে খেলবেন, না হলে কিন্তু মাছটি মারা যেতে পারে।
মাছটি ধ্বংস হয়ে গেলউবুন্টু যে কতটা মজাদার একটি অপারেটিং সিস্টেম, তা এতক্ষণে নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন।

Some picture of Forest of Dean

স্বাধীনের অনুরোধের প্রেক্ষিতে পোস্টঃ যারা মুভি দেখতে পারেননি তারা অন্তত কিছু স্টিল ছবি দেখতে পারেন।
১। বনে যাবার পথে দোতলা বাস থেকে নেয়া পথের ছবি
২। যে ৩০ নম্বর বাসে করে গিয়েছিঃ
 ২। বনের প্রবেশ দ্বার
৩। কোন পথ কোথায় গেছে, বনের ভিতরে এমন অনেক আছে। ইচ্ছা করলেও হারিয়ে যাবার কোন উপায় নেই।




৪। দর্শনার্থীদের জন্য হালকা চা নাশতার দোকান, টয়লেট ইত্যাদি, সম্পূর্ণ কাঠের তৈরীঃ

৫। বাদরের পাঠশালা (ছটদের খেলার ব্যবস্থা)
৬। গহীন বন
 ৭। আমরা যেখানে  বার্চ গাছের হেলে পরা ডালে বসে দুপুরের খাবার খেয়েছি, পাশে ছোট একটা খালের মত বয়ে গেছে
৮। বনের খেয়ালী নৃত্য

৯।আইভি লতা জড়ান পাইন বন



১০। বিগ চেয়ার, আস্ত গাছের গুড়ি দিয়ে তৈরী
 ১১। বিচিত্র প্রকৃতির বিচিত্র খেয়াল




 ১২, হাতে তৈরী কিছু শীল্প

Forest of Dean

নিউক্যাসেল থেকে গ্লস্টার আসার পর ভীষন ব্যস্ততার মধ্যে কেটে গেল প্রায় সপ্তাহ দুয়েক। সাউথ ওয়েলস এর সোয়ানসী, কার্ডিফ, ব্রিজেন্ড এবং লন্ডন দৌড়া দৌড়ি করে নাজেহাল হবার অবস্থা। শেষ পর্যন্ত কাজ সেরে যখন গ্লস্টারে সেঝ ভাইর বাসায় এলাম তখন ওরা বলল চলেন ফরেস্ট থেকে বেরিয়ে আসি। এর আগে আমাদের সুন্দর বনে যেতে হয়েছে অনেক বার সেই সুবাদে সুন্দর বন দেখেছি একে বারে গভীর ভাবে এমনকি এক বার প্রায় মামার হাতে পরার অবস্থা হয়েছিল। ভাগ্য ক্রমে বেচে গেছি। তা ছাড়া অন্য কোন বনে জঙ্গলে যাবার সুযোগ হয়নি। তাই আনন্দের সাথে ছোট ভাই এর প্রস্তাবে রাজী হয়ে গেলাম। চল দেখে আসি।

যথারীতি পর দিন শনিবার ওর বৌ বেশ পরিমান খাবার এবং নানা রকমের পানীয় নিয়ে প্রস্তুত হলো। আমরা দুই ভাই আমাদের ক্যেমেরা চার্জ করে অতিরিক্ত ব্যাটারি নিয়ে পথে নেমে গেলাম। রাতে ওর দুই বন্ধুকেও জানাল দাদা এসেছে চল সবাই মিলে ফরেস্ট অফ ডীন থেকে ঘুরে আস, ওরাও বেশ আগ্রহ নিয়ে সকালে এসেই হাজির। ওর আবার গাড়ি নেই, যেতে হবে বাসে। গ্লস্টার বাস স্ট্যান্ডের কাছেই বাসা। একটু পায়ে হেটে স্ট্যান্ডে এসে ৩০ নম্বর বাসে চেপে বসলাম।

প্রায় ৩০০ একরের এই বনে অনেক হরিণ আছে কিন্তু দুর্ভাগ্য ক্রমে আমাদের ক্যামেরায় ধরা দেয়ার জন্য তাদের কেউ এগিয়ে আসেনি। আরো আছে প্রায় তিন একর জমিতে ড্যাফোডিলের বাগান কিন্তু সারা দিন ঘুরে আমরা সেখানে পৌছাতে পারিনি। তবুও প্রকৃতির এই অকৃত্রিম সৌন্দর্য দেখে অবাক হয়েছি। কি ভাবে যে এমন যত্ন করে রেখেছে তা না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। এর ভিতরে যা কিছু স্থাপনা যেমন, বিশ্রামাগার, টয়লেট, খাবার দোকান, বাঁদরের পাঠশালা (ছোটদের খেলার জায়গা), অফিস এগুলি সব কাঠের তৈরী।

তা এই বন ভোজনে সঙ্গি না করতে পারলে কি হবে যা দেখেছি তার কিছু নমুনা সবাইকে না দেখালে শান্তি পাচ্ছিলাম না। দেখে কেমন লেগেছে জানাতে ভুলবেন না কিন্তু। ৫ মিনিট ৩৫ সেকেন্ডের স্থির চিত্রে নির্মিত এই মুভিতে ৫৫টি ছবি রয়েছে। মুভিটা সম্পূর্ণ স্ক্রীনেও দেখতে পাবেন
 


অনলাইনে রাজাকার হত্যা করার মজার গেম

অনলাইনে ফ্লাশভিত্তিক নানারকম গেম আমরা খেলে থাকি। এর বেশিরভাগ গেমই সময় ব্যয় করার জন্য দারুণ দারুণ আইডিয়া নিয়ে আমাদের মনোযোগ ধরে রাখে। কিন্তু এর মধ্যে খুব কম গেম আছে যেগুলো মানুষকে কোন না কোন বিষয়ে সচেতন করে তুলতে পারে। আমি এর আগে একটা পোস্ট লিখেছিলাম যার শিরোনাম ছিল ২০০৯ সালের নোবেল পুরস্কার কুইজ গেম খেলুন। আজ আমি আর একটি অনলাইনভিত্তিক ফ্লাশ গেম এর খবর জানাচ্ছি।
১৯৭১ সাল আমাদের মুক্তির সাল। এই বৎসরে পাকিস্তানী শাসকদের লেলিয়ে দেয়া সেনাবাহিনীর নির্মম অত্যাচার ও বর্বর নির্যাতনের বিরুদ্ধে রক্ত দিয়ে রুখে দাঁড়িয়ে আমরা ছিনিয়ে এনেছি স্বাধীনতার লাল-সবুজের পতাকা। বাঙালির স্বাধিকার সংগ্রামের বিরুদ্ধে সেদিন বাংলাদেশি কিছু রাজাকার-আলবদর পাকিস্তানীদের পক্ষাবলম্বন করেছিল। তারা এ দেশের স্বাধীনতা চায়নি। বাঙালির সাংস্কৃতিক কিংবা অর্থনৈতিক মুক্তি চায়নি। হিংস্র রাজাকাররা তাদের পাকিস্তানী প্রভুদের সাথে সাথে নিজেরাও নিরীহ বাঙালিদের উপর হত্যা-নির্যাতন চালিয়েছে। আমাদের মা-বোনদের সম্ভ্রম নিয়ে ছিনিমিনি খেলা খেলেছে।
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীনতা লাভের পর এত বৎসর হয়ে গেল আমরা এদেশীয় রাজাকার-আলবদরদের বিচার করতে পারিনি। বর্তমান সময়ে এর একটি সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। নতুন প্রজন্ম এখন অনেক বেশি সচেতন ও দেশপ্রেমিক। দেশকে ভালোবেসে, দেশের প্রতি অপার মমতায় তারা বিশ্বজয় করতে চায়। কিন্তু তার আগে চায় যারা এ দেশের অভ্যুদয়ে বিরোধীতা করেছে, তাদের বিনাশ।
এই অনুভূতি থেকে একটি গেম অনলাইনে সবার নজর কেড়ে নিয়েছে। এটা একটি ফ্লাশভিত্তিক গেম। গেমটির মূল থীম হল- অনবরত জন্ম নেয়া রাজাকারদেরকে এক এক করে ফাঁসি দিয়ে হত্যা করতে হবে। এদেরকে যত বেশি সম্ভব সমূলে বিনাশ করতে হবে।
সাইটের উপরে আবেদন হিসেবে লেখা আছে
This is 1971. The rajakars are attacking a village. It's your turn to kill them and save the village.
সাইটে ভিজিট করলেই গেমটি শুরু হবে। আলাদাভাবে কোন গেমিং জ্ঞান থাকতে হবে না। আর গেম খেলার জন্য বয়সের কোন বাধানিষেধ নেই।
Online game kill the rajakars startগেমটি শুরু হল
Online game kill the rajakars end গেমটি শেষ হল
গেমটি খেলার জন্য কোন আলাদা বৈশিষ্ট্যের কম্পিউটার থাকতে হবে না। আপনি যে কনফিগারেশনের কম্পিউটার দিয়ে ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারছেন, যে ব্রাউজার দিয়ে বিভিন্ন ওয়েবসাইট দেখতে পারছেন, তা দিয়েই খেলতে পারবেন।
এই প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ১৯৭১ এর ইতিহাস নিয়ে ওয়েবসাইট পোস্টটি একবার দেখে নিতে পারেন।

বাংলাদেশি কারো তৈরি এরকম দেশপ্রেমভিত্তিক মজার গেম সম্ভবত এটাই প্রথম। এক্ষুনি নিচের ঠিকানা ভিজিট করুন আর যত বেশি সম্ভব রাজাকার হত্যা করে একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র তৈরিতে ভূমিকা রাখুন।

আমি এই পোস্টের নিচে সাইটটিকে যোগ করে দিলাম। ইচ্ছে করলে এখানেও খেলতে পারেন।

ফেসবুকের ডিফল্ট অবতারের বিকল্প কিছু ছবি

default facebook avatarফেসবুকের ডিফল্ট অবতার

ফেসবুকে অনেকেরই একাউন্ট আছে। বিভিন্ন প্রয়োজনে আমরা প্রতিনিয়ত ফেসবুকের দ্বারস্থ হই। ফেসবুকের প্রোফাইলে নিজের একটি ছবি দেখানোর ব্যবস্থা আছে। নতুন একাউন্ট খোলামাত্র সেখানে উপরের ছবিটি স্থাপিত হয়ে যায়। "মাথার উপরে হালকা একটু চুল উপরে উঠে গেছে" এই ধরণের ডিফল্ট অবতার ইমেজটি আমাদের অনেকেরই পছন্দ নয়। তাই হয়তো আপনি তা পাল্টিয়ে নিজের সত্যিকারের ছবিই অবতার হিসেবে আপলোড করেছেন। কিন্তু আপনি যদি তা না করে থাকেন, অর্থাৎ সরাসরি নিজের ছবি দেখাতে না চান, তাহলে একটু অন্যরকম ছবি ব্যবহার করছেন না কেন?
একটু অন্যরকম কিন্তু আকর্ষণীয় রহস্যময় ছবি যদি ফেসবুকের প্রোফাইলের অবতার ইমেজ হিসেবে লাগাতে পারতেন, তাহলে কতই না মজা হত তাই না? ঠিক সেরকমের কিছু ছবি নিয়ে আজ আমি আপনাদের কাছে উপস্থিত হয়েছি।

নিচের ছবিগুলো দেখুন। পছন্দ না হয়ে যাবে কোথায়? এরকম মোট ৬৯টি ছবি প্রকাশ করেছে "Instafunda" ব্লগ তার 69 alternatives to default facebook image পোস্টটিতে। এই বিশাল রহস্যময় ভান্ডার থেকে আমি আপনাদের জন্য বাছাই করে ১০টি অবতার ছবি নিয়ে এসেছি। দেখুন তো পছন্দ হয় কি না?

_________


ব্যবহার করুন এবং ফেসবুক বন্ধুদের সামনে নিজেকে একটু অন্যরকমভাবে উপস্থাপন করুন।

অডিও ফাইল সরাসরি প্লে করুন

html5 audio player in ubuntu linux chrome browserআমরা এর আগে ব্লগার.কম এর ব্লগে আলাদা গেজেট লাগিয়ে ব্লগপাঠককে গান শুনিয়েছি। এর পদ্ধতি নিয়ে আপনার ব্লগে আপনার পছন্দের গানের সুরে পাঠকদের স্বাগত জানান এবং"আপনার ব্লগে আপনার পছন্দের গানের সুরে পাঠকদের স্বাগত জানান-০২ নামে দুটো পোস্ট "বাংলা হ্যাকস" ব্লগে প্রকাশিত হয়েছে। এই দুটো পোস্ট থেকে আপনারা জেনেছেন যে, কিভাবে ব্লগের পাঠকদের সাথে অনলাইনে আপলোড করা কোন গান শেয়ার করতে হয়। আজ আমরা আরও একটি সহজ পদ্ধতি জানবো। শুধুমাত্র একটি সহজ কোড যে কোন HTML গেজেট বা পোস্টপাতায় স্থাপন করেই আমরা যে কোন গানকে বাজাতে পারি। সরাসরি গান বাজানোর এই পদ্ধতিটি সম্ভব হয়েছে নতুন প্রযুক্তি HTML5 এর কারনে।

নিচের কোডটি লক্ষ্য করুন:

<audio src="http://sites.google.com/site/banglahacks/misc/Doelkoel-Tania.mp3" controls="controls" autoplay="autoplay"></audio>

উপরে দেয়া কোডটির লাল রঙের লাইনটি একটি গানের MP3 ফাইলের ডাইরেক্ট লিংক। এই জায়গায় আপনার পছন্দের গানের আপলোড করা ডাইরেক্ট লিংকটি বসান। এখানে controls এবং autoplay নামক দুটি এট্রিবিউট আছে। autoplay থাকার ফলে গানটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে যাবে। আমি নিচের নমুনাতে autoplay দেইনি।



দুটি লক্ষ্যযোগ্য বিষয়ঃ
  • উল্লেখ্য যে এখনও কিছু কিছু ওয়েব ব্রাউজার এই HTML5 সাপোর্ট করে না। তাই সব ব্রাউজারে এই কোড কাজ নাও করতে পারে।
  • পোস্টের প্রথমে থাকা ছবিটি উবুন্টু ৯.১০ লিনাক্সের ক্রোম ব্রাউজারের অডিও প্লেয়ারের ছবি। আপনার ক্ষেত্রে এটা দেখতে ভিন্নরকম হতে পারে।
উল্লেখ্য যে নমুনা হিসেবে বাজানো গানটি "নীলনক্ষত্র" ব্লগের ব্লগার মি. খালিদ উমর এর মেয়ে 'তানিয়া'র গাওয়া। লিখেছেন তিনি নিজে। তাঁর ব্লগ ডায়েট এন্ড ফুড। গানটি ৭ম সেকেন্ড সময় থেকে শোনা যায়।

২০০৯ সালের নোবেল পুরস্কার কুইজ গেম খেলুন

আমরা ব্লগে নানারকম উইজেট/ গেজেট লাগাই। বিভিন্নরকম তথ্যেমূলক গেজেটের পাশাপাশি অনেকে বিভিন্নরকম গেমের গেজেট লাগান। আমি আজ আপনাদেরকে একটি গেম গেজেটের কথা জানাবো। এটা সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষার গেজেট। ২০০৯ সালে যাঁরা নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন, তাঁদের সম্পর্কে আপনি কতটুকু তথ্য জানেন, তা এই গেজেটের মাধ্যমে পরীক্ষা হয়ে যাবে। নিচে এই কুইজ গেমটি স্থাপন করা হল।



তাহলে এখনই শুরু করে দিন আপনার সাধারন জ্ঞানের খেলা। দেখি কতগুলো প্রশ্নের উত্তর আপনার জানা আছে। মন্তব্য আকারে জানাবেন কি?

আপনি কি নিজের ব্লগে এই গেজেটটি লাগাতে চান? তাহলে নিচের কোডটি কোন HTML/ Javascript গেজেটে স্থাপন করুন। অথবা আমার মতো ব্লগ পোস্টের ভেতরেও স্থাপন করতে পারেন।
<iframe src="http://nobelprize.org/prog/php/iframe/quiz/index.php" height="405" width="480" frameborder="0" scrolling="no" style="border:0;" ></iframe>
এই গেজেটটি নেয়া হয়েছে নোবেলপ্রাইজ.অর্গ সাইটের এই পাতা থেকে।

একটু হাসুন



Couldn't help passing it on.

SMILE IS GOOD FOR HEALTH
'When someone shares something of value with you and you benefit from it, you have a moral obligation to share it with others.'- Chinese Proverb
 

পাঠকের প্রতিক্রিয়া

কিছু কথা

সফটওয়ার ও ওয়েবওয়ারের বিভিন্ন টিপ্‌স, টিউটোরিয়াল, হ্যাক্‌স, টেমপ্লেট বা থিম্‌স ইত্যাদি নিয়েই আমি ব্লগ লিখছি। আমার প্রধান আগ্রহ ব্লগিং টিপস। এছাড়াও প্রযুক্তির বিচিত্র বিষয় নিয়ে মত বিনিময়, সমস্যা ও তার সমাধান এবং আলোচনা করার জন্য এই ব্লগ খুলেছি। আশা করি আপনি নিরাশ হবেন না। এই ব্লগের সব লেখাগুলো যেকোন মিডিয়ায় এই লাইসেন্সের আওতায় প্রকাশ করতে পারবেন। বিস্তারিত পড়ুন....

Search This Blog

© 2009-2014 Bangla Hacks | Design by: Bangla Hacks. Powered by: Blogger